সংবাদ শিরোনাম ::
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত নওগাঁয় চু’রির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ আ’টক-১ সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর এবং দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিল ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। ১২ এপ্রিল দুটি অভিযোগ জমা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে অবৈধভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী শাসন আমলে তিনি মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে এ পদোন্নতি গ্রহণ করেন।
নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার চাকরির অভিজ্ঞতা ৭ বছরেরও কম ছিল।
এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে করে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন—
১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,
২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,
৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ময়মনসিংহের ডিডি হারুন উর রশিদ জানিয়েছেন সব ঘটনা বলবে সচিব স্যার। তিনি সবই জানেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য

ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ১০:৫০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর এবং দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিল ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। ১২ এপ্রিল দুটি অভিযোগ জমা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে অবৈধভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী শাসন আমলে তিনি মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে এ পদোন্নতি গ্রহণ করেন।
নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার চাকরির অভিজ্ঞতা ৭ বছরেরও কম ছিল।
এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে করে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন—
১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,
২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,
৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ময়মনসিংহের ডিডি হারুন উর রশিদ জানিয়েছেন সব ঘটনা বলবে সচিব স্যার। তিনি সবই জানেন।