ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে মধুর তেল যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে ভালো মানের তেল ও গ্যাস এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই রয়েছে। তিনি একে ‘সবচেয়ে সেরা ও মধুর’ তেল বলে উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, বিপুল সংখ্যক খালি তেলবাহী জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসছে, যাতে তারা এখান থেকে তেল ও গ্যাস লোড করতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিশ্বের শীর্ষ তেল অর্থনীতির দেশগুলোর চেয়েও বেশি মজুদ এবং উন্নত মানের জ্বালানি এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।

এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর তা প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৯২ ডলারের নিচে নেমে আসে।

এই চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে। এর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যায়।

তবে সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় এখনো তেলের দাম বেশি রয়েছে; আগে প্রতি ব্যারেল তেল প্রায় ৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে মধুর তেল যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৮:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে ভালো মানের তেল ও গ্যাস এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই রয়েছে। তিনি একে ‘সবচেয়ে সেরা ও মধুর’ তেল বলে উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, বিপুল সংখ্যক খালি তেলবাহী জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসছে, যাতে তারা এখান থেকে তেল ও গ্যাস লোড করতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিশ্বের শীর্ষ তেল অর্থনীতির দেশগুলোর চেয়েও বেশি মজুদ এবং উন্নত মানের জ্বালানি এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।

এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর তা প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৯২ ডলারের নিচে নেমে আসে।

এই চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে। এর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যায়।

তবে সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় এখনো তেলের দাম বেশি রয়েছে; আগে প্রতি ব্যারেল তেল প্রায় ৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।