সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

মানবাধিকার কর্মী শুভ্রর নিরাপত্তা চেয়ে সরকার প্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা

কুমিল্লায় ধারাবাহিকভাবে অপরাধীদের ও হুমকির মুখে পড়েছেন পেশাজীবী, মানবাধিকার কর্মী  মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের টার্গেটে থাকার অভিযোগ তুলে তিনি এসব অপরাধ দমনে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিগত প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একই চক্রের সদস্যরা বিভিন্নভাবে তার ওপর হামলা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এসব ঘটনায় তিনি একাধিকবার মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
জানা যায়, কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একাধিক মামলার মধ্যে এফআইআর নম্বর ৪১ (জি আর ৮৫০) এবং এফআইআর নম্বর ৫১ (জি আর ৮১২) উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময় তিনি বেশ কয়েকটি জিডি করেছেন, যেখানে হামলা, ছিনতাই, পেশাগত কাজে বাধা ও অস্ত্র প্রদর্শনের মতো অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
শুভ্র অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামির পরও অপরাধচক্রের অন্য সদস্যরা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে এবং বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ছদ্মবেশে নিজেদের প্রশাসনের সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণা ও অপরাধ সংঘটনের ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ ঘটনায় তিনি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ডিবি পুলিশ, র‍্যাব, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, ডি জি এফ আইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত সুরক্ষা চেয়েছেন।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, একজন সাংবাদিক আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরও যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আনোয়ার জানান, দায়ের করা মামলা ও জিডির ভিত্তিতে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে এবং সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

মানবাধিকার কর্মী শুভ্রর নিরাপত্তা চেয়ে সরকার প্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় ০৬:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লায় ধারাবাহিকভাবে অপরাধীদের ও হুমকির মুখে পড়েছেন পেশাজীবী, মানবাধিকার কর্মী  মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের টার্গেটে থাকার অভিযোগ তুলে তিনি এসব অপরাধ দমনে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিগত প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একই চক্রের সদস্যরা বিভিন্নভাবে তার ওপর হামলা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এসব ঘটনায় তিনি একাধিকবার মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
জানা যায়, কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একাধিক মামলার মধ্যে এফআইআর নম্বর ৪১ (জি আর ৮৫০) এবং এফআইআর নম্বর ৫১ (জি আর ৮১২) উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময় তিনি বেশ কয়েকটি জিডি করেছেন, যেখানে হামলা, ছিনতাই, পেশাগত কাজে বাধা ও অস্ত্র প্রদর্শনের মতো অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
শুভ্র অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামির পরও অপরাধচক্রের অন্য সদস্যরা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে এবং বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ছদ্মবেশে নিজেদের প্রশাসনের সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণা ও অপরাধ সংঘটনের ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ ঘটনায় তিনি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ডিবি পুলিশ, র‍্যাব, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, ডি জি এফ আইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত সুরক্ষা চেয়েছেন।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, একজন সাংবাদিক আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরও যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আনোয়ার জানান, দায়ের করা মামলা ও জিডির ভিত্তিতে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে এবং সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হবে।