ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জেলা পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযান দালালবিহীন কনস্টেবল নিয়োগে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশি সতর্কতা মুরাদনগরের জিলানী সৌদি আরবে নিহত,দ্রুত লাশ পেতে পরিবারের আকুতি। বগুড়ার শেরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দেবরের বিরুদ্ধে মামলা প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় নয় : কৃষিমন্ত্রী হরমুজের দায়িত্বে থাকা নৌ-কমান্ডার তাঙসিরির নিহতের তথ্য স্বীকার করল ইরান সংসদ ভবন এলাকায় ঘোলা পানি, পেটে সমস্যা হয়েছে চিফ হুইপের সখিপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু বোরহানউদ্দিনে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন-প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজ ঘরে ফিরতে চান নাজমা-নুরেআলম আত্রাইয়ে ছিনতাই ঘটনায় রাজশাহী থেকে দুই অপরাধী গ্রেফতার

৩১তম বিসিএসে জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়া সাইকা সায়াদাত পরিকল্পনা কমিশনে বহাল তবিয়তে

  • মোঃ মামুন হোসেন
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৯ বার পড়া হয়েছে

৩১ তম BCS জালিয়াতি করে সরকারি চাকুরি নিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সহাকারী প্রধান – সাঈকা সাহাদাত, সরকারের ১৫ টন চাল চুরির ঘটনায় তাকে স্ট্যান রিলিজ করা হয়েছিলো ।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।
জালিয়াতি করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ১২ জন, উপসচিব পদসহ কর্মরত ৪ ।

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।

এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।

এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জেলা পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযান

৩১তম বিসিএসে জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়া সাইকা সায়াদাত পরিকল্পনা কমিশনে বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

৩১ তম BCS জালিয়াতি করে সরকারি চাকুরি নিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সহাকারী প্রধান – সাঈকা সাহাদাত, সরকারের ১৫ টন চাল চুরির ঘটনায় তাকে স্ট্যান রিলিজ করা হয়েছিলো ।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।

জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি। এরমধ্যে উপসচিব ও এসপি পদে চাকরিরত ৪ জন। দুদকের অনুসন্ধান বলছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি বাগিয়ে নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেতন-ভাতাসহ সব অর্থ ফেরত নেয়ার সঙ্গে শাস্তি দেয়া জরুরি।
জালিয়াতি করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ১২ জন, উপসচিব পদসহ কর্মরত ৪ ।

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।

এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।

এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।