নাটোরের লালপুরে শ্রীরাম গাড়ি ৯ নং ওয়ার্ড এবি ইউনিয়নের এক দোকানে হামলা, মারধর ও ৯৮ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করেন
নাটোরের লালপুর উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর মুদিখানা দোকানে হামলা, মারধর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোঃ আব্বাস আলী (৫০), পিতা মৃত জালাল উদ্দিন, সাং শ্রীরামগাড়ী, ইউনিয়ন ৯নং অর্জুনপুর বরমহাটি, থানা লালপুর, জেলা নাটোর। তিনি লালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মসজিদ সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ আব্দুস সালাম (৪৫), মোঃ আবুল কালাম (৪০) ও মোঃ আকতার আলী (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে ভুক্তভোগীর মুদিখানা দোকানে অনধিকার প্রবেশ করে।
এ সময় তারা আব্বাস আলীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আওয়ামী লীগের দুসর আবুল কালাম দোকানে গিয়ে আব্বাস আলীর সাটের কলার ধরে টেনে বের করে দোকানর তখন প্রতিবাদ করলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ফোলা ও জখম হন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় দোকানের ক্যাশে থাকা ৯০ হাজার টাকা, যা স্থানীয় ব্যক্তি সাবেক মেম্বর মোঃ হবিবর রহমান (৭০)-এর জমি সংক্রান্ত বাবদ রাখা ছিল, তা অভিযুক্তরা সমস্ত টাকা নিয়ে যায়। পাশাপাশি দোকানের বিক্রয় বাবদ থাকা আনুমানিক আরও ৮ হাজার টাকা লুট করা হয়। মোট প্রায় ৯৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুস সামাদ (৪৮), মোঃ আব্দুল মজিদ (৫৫) ও মোঃ মোস্তফা কামাল (৪০)সহ অন্যান্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে আহত অবস্থায় আব্বাস আলীকে পরিবারের সদস্যরা লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। চিকিৎসা ও পারিবারিক পরামর্শের কারণে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে লালপুর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টাফ রিপোর্টার নাটোর 



















