সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

শচীনকে আউট দেওয়ার ২২ বছর পর ভুল স্বীকার

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে

ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে সেই স্মৃতি এখনো তরতাজা। ২০০৩-০৪ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন শচীন টেন্ডুলকার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ আম্পায়ার স্টিভ বাকনার তাকে বিতর্কিতভাবে আউট দেন।

ওই ঘটনা শুধু ম্যাচেই প্রভাব ফেলেনি, পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে যেন কাঁপিয়ে দিয়েছিল। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হলে হয়তো ভুলে যাওয়া যেতো। কিন্তু বাকনার শচীনের এলবিডব্লিউ বাদেও আরও কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

ব্রিসবেনে ওই আউট দেওয়ার ২২ বছর পর মুখ খুললেন সাবেক আম্পায়ার। এখন তার বয়স ৭৯। স্মৃতির পাতা থেকে অমলিন হয়ে যায়নি সেই দিনের কথা। দুই দশক আগের বিতর্কের অবসান ঘটালেন তিনি এই বলে— সেটি ছিল তার একটি ভুল এবং দায় স্বীকার করতে কোনো দ্বিধা নেই।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট আম্পায়ার্স অ্যাসোসিয়েশন তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ‘শচীন টেন্ডুলকারকে লেগ বিফোর উইকেট আউট দেওয়া এবং এটা জানার বিষয় যে এটা ভুল ছিল, কিন্তু আজ পর্যন্ত প্রতিদিনই লোকেরা এনিয়ে কথা বলে। কেন আমি তাকে আউট দিয়েছিলাম? সে কি আউট ছিল এবং আরও কত কিছু? কিন্তু জীবনে ভুল হয়ে থাকে। আমি স্বীকার করছি সেটা ভুল ছিল, জীবন চলে যায়।’

জেসন গিলেস্পির একটি ডেলিভারি সেদিন ছেড়ে দিয়েছিলেন শচীন। কিন্তু বল তার প্যাডে লাগে। অস্ট্রেলিয়ানরা এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন করে। বাকনার তার আঙুল তুলে দেন। শচীন তো বটেই, টেলিভিশনের দর্শকরাও হতভম্ব হয়ে যায়। বল স্টাম্পের অনেক উপর দিয়ে বেরিয়ে যেতো।

লিজেন্ডারি ধারাভাষ্যকার টনি গ্রেগ ওই দিন ধারাভাষ্যকক্ষে ছিলেন। তার ভাষায় সেটা ছিল ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত। একটু ভালো করে দেখুন, বাউন্স আর মুভমেন্টের দিকে খেয়াল করুন।’

বাকনারের ওই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শচীনের অনুভূতি কেমন ছিল জানতে চাওয়া হয়েছিল। মাস্টার ব্লাস্টার বলেছিলেন, ‘যখন আমি ব্যাটিংয়ে থাকব, উনাকে পরার জন্য একটা বক্সিং গ্লাভস দেবেন (যেন তিনি আঙুল তুলতে না পারেন)।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

শচীনকে আউট দেওয়ার ২২ বছর পর ভুল স্বীকার

আপডেট সময় ০২:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে সেই স্মৃতি এখনো তরতাজা। ২০০৩-০৪ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন শচীন টেন্ডুলকার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ আম্পায়ার স্টিভ বাকনার তাকে বিতর্কিতভাবে আউট দেন।

ওই ঘটনা শুধু ম্যাচেই প্রভাব ফেলেনি, পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে যেন কাঁপিয়ে দিয়েছিল। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হলে হয়তো ভুলে যাওয়া যেতো। কিন্তু বাকনার শচীনের এলবিডব্লিউ বাদেও আরও কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

ব্রিসবেনে ওই আউট দেওয়ার ২২ বছর পর মুখ খুললেন সাবেক আম্পায়ার। এখন তার বয়স ৭৯। স্মৃতির পাতা থেকে অমলিন হয়ে যায়নি সেই দিনের কথা। দুই দশক আগের বিতর্কের অবসান ঘটালেন তিনি এই বলে— সেটি ছিল তার একটি ভুল এবং দায় স্বীকার করতে কোনো দ্বিধা নেই।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট আম্পায়ার্স অ্যাসোসিয়েশন তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ‘শচীন টেন্ডুলকারকে লেগ বিফোর উইকেট আউট দেওয়া এবং এটা জানার বিষয় যে এটা ভুল ছিল, কিন্তু আজ পর্যন্ত প্রতিদিনই লোকেরা এনিয়ে কথা বলে। কেন আমি তাকে আউট দিয়েছিলাম? সে কি আউট ছিল এবং আরও কত কিছু? কিন্তু জীবনে ভুল হয়ে থাকে। আমি স্বীকার করছি সেটা ভুল ছিল, জীবন চলে যায়।’

জেসন গিলেস্পির একটি ডেলিভারি সেদিন ছেড়ে দিয়েছিলেন শচীন। কিন্তু বল তার প্যাডে লাগে। অস্ট্রেলিয়ানরা এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন করে। বাকনার তার আঙুল তুলে দেন। শচীন তো বটেই, টেলিভিশনের দর্শকরাও হতভম্ব হয়ে যায়। বল স্টাম্পের অনেক উপর দিয়ে বেরিয়ে যেতো।

লিজেন্ডারি ধারাভাষ্যকার টনি গ্রেগ ওই দিন ধারাভাষ্যকক্ষে ছিলেন। তার ভাষায় সেটা ছিল ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত। একটু ভালো করে দেখুন, বাউন্স আর মুভমেন্টের দিকে খেয়াল করুন।’

বাকনারের ওই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শচীনের অনুভূতি কেমন ছিল জানতে চাওয়া হয়েছিল। মাস্টার ব্লাস্টার বলেছিলেন, ‘যখন আমি ব্যাটিংয়ে থাকব, উনাকে পরার জন্য একটা বক্সিং গ্লাভস দেবেন (যেন তিনি আঙুল তুলতে না পারেন)।’