সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

পাকিস্তানের সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি যাও

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮৪ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে। সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ (বুধবার) নামিবিয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ লিগ ম্যাচ জিততেই হবে। এর চেয়ে কম কিছু হলে তাদের টুর্নামেন্ট অকালেই শেষ হয়ে যাবে।

পাকিস্তানের ওপর বেশ দ্রুত চাপ বেড়েছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে তারা দাবি করেছিল, এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে যাওয়া দলের চেয়ে এটি শক্তিশালী। কিন্তু রোববার পাকিস্তান আবার হেরেছে, ব্যবধান ছিল ৬১ রানের। ২০২২ এবং ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে তাদের লড়াইগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও তারা হেরেছিল। এশিয়া কাপ থেকে ভারত এনিয়ে চারটি সহজ জয় পেয়েছে। তাতে বড় মঞ্চে পাকিস্তানের সংগ্রাম আরও জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদিকে নিয়ে সমালোচনা তীব্র হয়েছে। শাহিন পাওয়ার প্লে বা ডেথ ওভারে খেলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং দুই ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেছেন। স্পিনের বিরুদ্ধে বাবরের সমস্যাগুলো বারবার সামনে আসছে— টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার পর স্পিনের বিরুদ্ধে তার স্ট্রাইক রেট ১০১.৭০— যা মিডল অর্ডারে দলের ভারসাম্য ও লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

দলের নির্বাচনেও উভয় সংকট দেখা দিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট যদি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সালমান মির্জা এবং ফখর জামান বিবেচনায় রয়েছেন। তিনটি ম্যাচে পাকিস্তান স্পিনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছে— যথাক্রমে ১৩, ১৬ এবং ১৮ ওভার বল করেছে স্পিনাররা। দলটি এখনও সঠিক কম্বিনেশন যে খুঁজে পায়নি, এটা তারই প্রমাণ।

অন্যদিকে নামিবিয়া বাদ পড়লেও এই ম্যাচকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তাদের অনুপ্রাণিত করছে ২০২৭ বিশ্বকাপের সহ আয়োজক হওয়ার ব্যাপারটি। তারা পাকিস্তান ম্যাচ থেকে স্মরণীয় মুহূর্ত নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায়। পাকিস্তানের সামনে সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি ফিরে যাও। এই সংকটময় পরিস্থিতির চাপে পড়ে আইসিসির সহযোগী দেশের কাছে হোঁচট খায় কি না পাকিস্তান, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

পাকিস্তানের সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি যাও

আপডেট সময় ১২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে। সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ (বুধবার) নামিবিয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ লিগ ম্যাচ জিততেই হবে। এর চেয়ে কম কিছু হলে তাদের টুর্নামেন্ট অকালেই শেষ হয়ে যাবে।

পাকিস্তানের ওপর বেশ দ্রুত চাপ বেড়েছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে তারা দাবি করেছিল, এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে যাওয়া দলের চেয়ে এটি শক্তিশালী। কিন্তু রোববার পাকিস্তান আবার হেরেছে, ব্যবধান ছিল ৬১ রানের। ২০২২ এবং ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে তাদের লড়াইগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও তারা হেরেছিল। এশিয়া কাপ থেকে ভারত এনিয়ে চারটি সহজ জয় পেয়েছে। তাতে বড় মঞ্চে পাকিস্তানের সংগ্রাম আরও জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদিকে নিয়ে সমালোচনা তীব্র হয়েছে। শাহিন পাওয়ার প্লে বা ডেথ ওভারে খেলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং দুই ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেছেন। স্পিনের বিরুদ্ধে বাবরের সমস্যাগুলো বারবার সামনে আসছে— টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার পর স্পিনের বিরুদ্ধে তার স্ট্রাইক রেট ১০১.৭০— যা মিডল অর্ডারে দলের ভারসাম্য ও লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

দলের নির্বাচনেও উভয় সংকট দেখা দিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট যদি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সালমান মির্জা এবং ফখর জামান বিবেচনায় রয়েছেন। তিনটি ম্যাচে পাকিস্তান স্পিনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছে— যথাক্রমে ১৩, ১৬ এবং ১৮ ওভার বল করেছে স্পিনাররা। দলটি এখনও সঠিক কম্বিনেশন যে খুঁজে পায়নি, এটা তারই প্রমাণ।

অন্যদিকে নামিবিয়া বাদ পড়লেও এই ম্যাচকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তাদের অনুপ্রাণিত করছে ২০২৭ বিশ্বকাপের সহ আয়োজক হওয়ার ব্যাপারটি। তারা পাকিস্তান ম্যাচ থেকে স্মরণীয় মুহূর্ত নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায়। পাকিস্তানের সামনে সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি ফিরে যাও। এই সংকটময় পরিস্থিতির চাপে পড়ে আইসিসির সহযোগী দেশের কাছে হোঁচট খায় কি না পাকিস্তান, সেটাই দেখার অপেক্ষা।