ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

পাকিস্তানের সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি যাও

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে। সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ (বুধবার) নামিবিয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ লিগ ম্যাচ জিততেই হবে। এর চেয়ে কম কিছু হলে তাদের টুর্নামেন্ট অকালেই শেষ হয়ে যাবে।

পাকিস্তানের ওপর বেশ দ্রুত চাপ বেড়েছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে তারা দাবি করেছিল, এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে যাওয়া দলের চেয়ে এটি শক্তিশালী। কিন্তু রোববার পাকিস্তান আবার হেরেছে, ব্যবধান ছিল ৬১ রানের। ২০২২ এবং ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে তাদের লড়াইগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও তারা হেরেছিল। এশিয়া কাপ থেকে ভারত এনিয়ে চারটি সহজ জয় পেয়েছে। তাতে বড় মঞ্চে পাকিস্তানের সংগ্রাম আরও জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদিকে নিয়ে সমালোচনা তীব্র হয়েছে। শাহিন পাওয়ার প্লে বা ডেথ ওভারে খেলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং দুই ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেছেন। স্পিনের বিরুদ্ধে বাবরের সমস্যাগুলো বারবার সামনে আসছে— টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার পর স্পিনের বিরুদ্ধে তার স্ট্রাইক রেট ১০১.৭০— যা মিডল অর্ডারে দলের ভারসাম্য ও লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

দলের নির্বাচনেও উভয় সংকট দেখা দিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট যদি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সালমান মির্জা এবং ফখর জামান বিবেচনায় রয়েছেন। তিনটি ম্যাচে পাকিস্তান স্পিনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছে— যথাক্রমে ১৩, ১৬ এবং ১৮ ওভার বল করেছে স্পিনাররা। দলটি এখনও সঠিক কম্বিনেশন যে খুঁজে পায়নি, এটা তারই প্রমাণ।

অন্যদিকে নামিবিয়া বাদ পড়লেও এই ম্যাচকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তাদের অনুপ্রাণিত করছে ২০২৭ বিশ্বকাপের সহ আয়োজক হওয়ার ব্যাপারটি। তারা পাকিস্তান ম্যাচ থেকে স্মরণীয় মুহূর্ত নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায়। পাকিস্তানের সামনে সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি ফিরে যাও। এই সংকটময় পরিস্থিতির চাপে পড়ে আইসিসির সহযোগী দেশের কাছে হোঁচট খায় কি না পাকিস্তান, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

পাকিস্তানের সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি যাও

আপডেট সময় ১২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে। সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ (বুধবার) নামিবিয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ লিগ ম্যাচ জিততেই হবে। এর চেয়ে কম কিছু হলে তাদের টুর্নামেন্ট অকালেই শেষ হয়ে যাবে।

পাকিস্তানের ওপর বেশ দ্রুত চাপ বেড়েছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে তারা দাবি করেছিল, এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে যাওয়া দলের চেয়ে এটি শক্তিশালী। কিন্তু রোববার পাকিস্তান আবার হেরেছে, ব্যবধান ছিল ৬১ রানের। ২০২২ এবং ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে তাদের লড়াইগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও তারা হেরেছিল। এশিয়া কাপ থেকে ভারত এনিয়ে চারটি সহজ জয় পেয়েছে। তাতে বড় মঞ্চে পাকিস্তানের সংগ্রাম আরও জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদিকে নিয়ে সমালোচনা তীব্র হয়েছে। শাহিন পাওয়ার প্লে বা ডেথ ওভারে খেলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং দুই ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেছেন। স্পিনের বিরুদ্ধে বাবরের সমস্যাগুলো বারবার সামনে আসছে— টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার পর স্পিনের বিরুদ্ধে তার স্ট্রাইক রেট ১০১.৭০— যা মিডল অর্ডারে দলের ভারসাম্য ও লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

দলের নির্বাচনেও উভয় সংকট দেখা দিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট যদি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সালমান মির্জা এবং ফখর জামান বিবেচনায় রয়েছেন। তিনটি ম্যাচে পাকিস্তান স্পিনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছে— যথাক্রমে ১৩, ১৬ এবং ১৮ ওভার বল করেছে স্পিনাররা। দলটি এখনও সঠিক কম্বিনেশন যে খুঁজে পায়নি, এটা তারই প্রমাণ।

অন্যদিকে নামিবিয়া বাদ পড়লেও এই ম্যাচকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তাদের অনুপ্রাণিত করছে ২০২৭ বিশ্বকাপের সহ আয়োজক হওয়ার ব্যাপারটি। তারা পাকিস্তান ম্যাচ থেকে স্মরণীয় মুহূর্ত নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায়। পাকিস্তানের সামনে সহজ সমীকরণ— হয় জেতো, নয়তো বাড়ি ফিরে যাও। এই সংকটময় পরিস্থিতির চাপে পড়ে আইসিসির সহযোগী দেশের কাছে হোঁচট খায় কি না পাকিস্তান, সেটাই দেখার অপেক্ষা।