ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ সংকটে স্থবির জনজীবন, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ প্রেমিককে কুপিয়ে জখম, ক্ষোভে প্রেমিকার চাচা-ফুফুর বাড়িতে আগুন আফতাব নগরে সাব রেজিস্ট্রার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট! ভৈরব থেকে নিখোঁজ কিশোর রামিম সন্ধান চায় পরিবার টংঙ্গী মুজিব নগর সাবরেজিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল এর বিরুদ্ধে ঘুষ দুনীতির সমাচার ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : শিক্ষক কারাগারে বোরহানউদ্দিনে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ৭ বিভাগে কালবৈশাখি ঝড়ের আভাস নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু
নৌকার ব্যাজধারী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম

বরিশাল গণপূর্তে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ

বরিশাল: বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম সম্প্রতি নানা অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করার অভিযোগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠেছেন। দীর্ঘদিন সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালন করা এই প্রকৌশলী নিজেকে ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত করাতেন এবং নৌকার ব্যাজ বহন করে চলাফেরা করতেন। এমন কর্মকাণ্ডের কারণে বরিশাল গণপূর্তে সরকারের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দূর্নীতি দমন কমিশনে জমা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফয়সাল আলম সরকার পরিবর্তনের পরও কৌশলে নিজের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কখনও তিনি রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করেন, কখনও নতুন বলয়ের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। ফলে বরিশাল গণপূর্তে তার প্রভাব এখনও বিরাজ করছে।

ফয়সাল আলম ৩২তম বিসিএসের কর্মকর্তা এবং ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তঘর এলাকার বাসিন্দা। ঝালকাঠিতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই সময়ে আমুর পছন্দের ঠিকাদারদের নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সাধারণ ঠিকাদাররা তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কার্যকর তদন্ত হয়নি।

বরিশালে বদলি হওয়ার পরও ফয়সাল আলম অনিয়মের অভিযোগ থেকে মুক্ত হননি। তিনি সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ হিসেবে যুক্ত হয়ে আবারও ঠিকাদারদের পছন্দ অনুযায়ী সরকারি প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন।

সাধারণ ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, খান বিল্ডার্স ও খান ট্রেডার্স নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বরিশাল গণপূর্তের শত শত কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বরিশাল মেরিন একাডেমি, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, ক্যান্সার হাসপাতাল, বিটাক, তালতলী মডেল মসজিদ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বিমানবন্দর থানা ভবন এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ।

বিশেষ করে ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদাররা দাবি করেছেন, প্রাথমিক কাজ শেষ হওয়ার পর বাজেট বাড়ানোর নামে পুনরায় বরাদ্দ আদায়ের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়া, ওয়ার্ক ক্যাপাসিটি না থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যৌথ উদ্যোগ দেখিয়ে পুনরায় টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষেত্রে লিড পার্টনারের শর্ত অনুযায়ী ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণ থাকা উচিত হলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি।

ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল গণপূর্তের কার্যালয়ে তারা এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিল বা কালো তালিকাভুক্তির হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “ফয়সাল আলম ঝালকাঠিতে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের স্বার্থ রক্ষা করেছেন। এর ফলে সাধারণ ঠিকাদাররা বঞ্চিত হয়েছেন। সরকারি প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দিলে তা সরাসরি দুর্নীতির মধ্যে পড়ে।”

ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, ঝালকাঠি হোক বা বরিশাল, একই ধরনের অনিয়ম পুনরায় ঘটছে। তারা বলছেন, পরিবর্তিত বাস্তবতায় এসব অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। ঠিকাদার আব্দুর রহিম ও তসলিম মৃধা উল্লেখ করেছেন, “ফয়সাল আলমের কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ ঠিকাদাররা সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে সরকারি প্রকল্পের মান ও সময়মতো বাস্তবায়নও প্রভাবিত হবে।”

ঠিকাদার এটিএম আশরাফুল হক রিপন অভিযোগ করেছেন, “ওয়ার্ক ক্যাপাসিটি না থাকা প্রতিষ্ঠান কীভাবে টেন্ডারে অংশ নিল, তা ফয়সাল আলমকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। তিনি একজন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী।”

ফয়সাল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুর্দে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বরিশাল গণপূর্তের প্রকল্পগুলোতে ফয়সাল আলমের এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ নয়, বরং সরকারের স্বচ্ছতা ও সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিশ্বাসও কমাচ্ছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের দাবি, যদি সরকারি প্রকল্পে রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে কাজের বন্টন হয়, তাহলে ন্যায্য প্রতিযোগিতা ব্যাহত হবে এবং প্রকল্পের মানও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

উপসংহারে, মো. ফয়সাল আলমকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগগুলো দেখাচ্ছে, সরকারি প্রকল্পে রাজনৈতিক প্রভাব এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে স্বচ্ছতা হ্রাস পাচ্ছে। সাধারণ ঠিকাদাররা বারবার বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদাররা আশা করছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ সংকটে স্থবির জনজীবন, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ

নৌকার ব্যাজধারী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম

বরিশাল গণপূর্তে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বরিশাল: বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম সম্প্রতি নানা অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করার অভিযোগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠেছেন। দীর্ঘদিন সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালন করা এই প্রকৌশলী নিজেকে ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত করাতেন এবং নৌকার ব্যাজ বহন করে চলাফেরা করতেন। এমন কর্মকাণ্ডের কারণে বরিশাল গণপূর্তে সরকারের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দূর্নীতি দমন কমিশনে জমা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফয়সাল আলম সরকার পরিবর্তনের পরও কৌশলে নিজের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কখনও তিনি রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করেন, কখনও নতুন বলয়ের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। ফলে বরিশাল গণপূর্তে তার প্রভাব এখনও বিরাজ করছে।

ফয়সাল আলম ৩২তম বিসিএসের কর্মকর্তা এবং ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তঘর এলাকার বাসিন্দা। ঝালকাঠিতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই সময়ে আমুর পছন্দের ঠিকাদারদের নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সাধারণ ঠিকাদাররা তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কার্যকর তদন্ত হয়নি।

বরিশালে বদলি হওয়ার পরও ফয়সাল আলম অনিয়মের অভিযোগ থেকে মুক্ত হননি। তিনি সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ হিসেবে যুক্ত হয়ে আবারও ঠিকাদারদের পছন্দ অনুযায়ী সরকারি প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন।

সাধারণ ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, খান বিল্ডার্স ও খান ট্রেডার্স নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বরিশাল গণপূর্তের শত শত কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বরিশাল মেরিন একাডেমি, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, ক্যান্সার হাসপাতাল, বিটাক, তালতলী মডেল মসজিদ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বিমানবন্দর থানা ভবন এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ।

বিশেষ করে ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদাররা দাবি করেছেন, প্রাথমিক কাজ শেষ হওয়ার পর বাজেট বাড়ানোর নামে পুনরায় বরাদ্দ আদায়ের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়া, ওয়ার্ক ক্যাপাসিটি না থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যৌথ উদ্যোগ দেখিয়ে পুনরায় টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষেত্রে লিড পার্টনারের শর্ত অনুযায়ী ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণ থাকা উচিত হলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি।

ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল গণপূর্তের কার্যালয়ে তারা এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিল বা কালো তালিকাভুক্তির হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “ফয়সাল আলম ঝালকাঠিতে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের স্বার্থ রক্ষা করেছেন। এর ফলে সাধারণ ঠিকাদাররা বঞ্চিত হয়েছেন। সরকারি প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দিলে তা সরাসরি দুর্নীতির মধ্যে পড়ে।”

ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, ঝালকাঠি হোক বা বরিশাল, একই ধরনের অনিয়ম পুনরায় ঘটছে। তারা বলছেন, পরিবর্তিত বাস্তবতায় এসব অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। ঠিকাদার আব্দুর রহিম ও তসলিম মৃধা উল্লেখ করেছেন, “ফয়সাল আলমের কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ ঠিকাদাররা সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে সরকারি প্রকল্পের মান ও সময়মতো বাস্তবায়নও প্রভাবিত হবে।”

ঠিকাদার এটিএম আশরাফুল হক রিপন অভিযোগ করেছেন, “ওয়ার্ক ক্যাপাসিটি না থাকা প্রতিষ্ঠান কীভাবে টেন্ডারে অংশ নিল, তা ফয়সাল আলমকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। তিনি একজন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী।”

ফয়সাল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুর্দে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বরিশাল গণপূর্তের প্রকল্পগুলোতে ফয়সাল আলমের এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ নয়, বরং সরকারের স্বচ্ছতা ও সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিশ্বাসও কমাচ্ছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের দাবি, যদি সরকারি প্রকল্পে রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে কাজের বন্টন হয়, তাহলে ন্যায্য প্রতিযোগিতা ব্যাহত হবে এবং প্রকল্পের মানও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

উপসংহারে, মো. ফয়সাল আলমকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগগুলো দেখাচ্ছে, সরকারি প্রকল্পে রাজনৈতিক প্রভাব এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে স্বচ্ছতা হ্রাস পাচ্ছে। সাধারণ ঠিকাদাররা বারবার বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদাররা আশা করছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।