ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসায় ক্যাটাগরি পরিবর্তনের নামে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট চালুর পায়তারা, জ্বালানি বিভাগে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের তদবির দিরাইয়ের ওসির বিরুদ্ধে নির্যাতন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ কুরিয়ার অফিস থেকে পার্সেল নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ভুয়া চুক্তিতে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপের মানববন্ধন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে প্রশাসকের শুভেচ্ছা বিনিময় পবিপ্রবির পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর এনবিআরে যোগ দিতে গিয়ে জানলেন নিয়োগপত্র জাল নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ, চট্টগ্রামে ৪ ভবনের অংশ ভাঙল সিডিএ, সিলগালা ২টি

ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : শিক্ষক কারাগারে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ইকবাল হোসেন মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতে বলেন, আসামি একজন ভালো শিক্ষক। ঘটনার কিছুই জানেন না। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রিমান্ডের আবেদন না থাকায় তাকে আদালতে উঠানো হয়নি।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তার নাম/ঠিকানা যাচাই প্রক্রিয়াধীন। এমতাবস্থায় মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। মামলা তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে বলে তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন।

এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া…।’

পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসায় ক্যাটাগরি পরিবর্তনের নামে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য

ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : শিক্ষক কারাগারে

আপডেট সময় ০২:২০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ইকবাল হোসেন মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতে বলেন, আসামি একজন ভালো শিক্ষক। ঘটনার কিছুই জানেন না। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রিমান্ডের আবেদন না থাকায় তাকে আদালতে উঠানো হয়নি।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তার নাম/ঠিকানা যাচাই প্রক্রিয়াধীন। এমতাবস্থায় মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। মামলা তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে বলে তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন।

এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া…।’

পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করেন।