সংবাদ শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনিক্যাল ত্রুটি ও কয়লা সংকটে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঝালকাঠিতে পৌর কবরস্থান-৫ এর উদ্বোধন বাজেট নয়, এটি প্রচারণার দলিল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর জুড়ী-বড়লেখা সফর, ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

ভাত খাওয়ার সঙ্গে ভুঁড়ি বৃদ্ধির সম্পর্ক কতটা?

অনেকেই বলে থাকেন, ভাত খেয়েও রোগা হওয়া যায়। কিন্তু আপনার ক্ষেত্রে সেই ফর্মুলা খাটছে না। দিন দিন ভুঁড়ি বেড়েই চলছে। শরীরচর্চা, ডায়েট করেও কোনো লাভ হচ্ছে না।

স্বাভাবিকভাবেই সব দোষ গিয়ে পড়েছে ভাতের ওপর। কিন্তু পুষ্টিবিদরাও কি তেমনটা বলছেন? সত্যিই কি ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে ভাতের কোনো সম্পর্ক রয়েছে? তা জানাতেই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক— এ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদরা বলছেন, ওজন কিংবা ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়ার জন্য এভাবে নির্দিষ্ট কোনো একটি খাবারকে দায়ী করে দেওয়া যায় না। দেহের ওজন এক দিনে হুট করে বেড়ে যায় না।

দিনের পর দিন শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরি শরীরে গেলেই সমস্যা শুরু হয়। সুতরাং নির্দিষ্ট কোনো একটি খাবারের জন্য ওজন বেড়ে যেতে পারে না। পুষ্টিবিদরা জানান, ক্যালরির দিক থেকে সাদা ভাত খুব একটা নিরাপদ নয়। তা ছাড়া এটি রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটও বটে।

যেহেতু খুব তাড়াতাড়ি সাদা ভাত হজম হয়ে যায়, তাই চট করে সুগার স্পাইকও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এর সঙ্গে যোগ হয় পরিমাণ। এক কাপ ভাতের চেয়ে এক বাটি ভাতের ক্যালরি বেশি। সুতরাং যারা পরিমাণ সম্পর্কে একেবারেই সচেতন নন, তাদের জন্য ভাত সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কী দিয়ে ভাত খাচ্ছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে ভাতের জুটি মেদ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সাদা ভাতের তুলনায় ব্রাউন রাইস নিরাপদ। কারণ, এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। এর সঙ্গে যদি প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় কিছু নিউট্রিয়েন্ট যোগ করা হয়, তাহলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। অন্ত্র ভালো থাকে। একইসঙ্গে মেটাবলিক হেলথ-ও উন্নত হয়। তাই পুষ্টিবিদরা সবসময় ব্যালান্সড ডায়েটের ওপর জোর দেন।

সূত্র : এই সময়

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভাত খাওয়ার সঙ্গে ভুঁড়ি বৃদ্ধির সম্পর্ক কতটা?

আপডেট সময় ০৮:১৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

অনেকেই বলে থাকেন, ভাত খেয়েও রোগা হওয়া যায়। কিন্তু আপনার ক্ষেত্রে সেই ফর্মুলা খাটছে না। দিন দিন ভুঁড়ি বেড়েই চলছে। শরীরচর্চা, ডায়েট করেও কোনো লাভ হচ্ছে না।

স্বাভাবিকভাবেই সব দোষ গিয়ে পড়েছে ভাতের ওপর। কিন্তু পুষ্টিবিদরাও কি তেমনটা বলছেন? সত্যিই কি ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে ভাতের কোনো সম্পর্ক রয়েছে? তা জানাতেই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক— এ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদরা বলছেন, ওজন কিংবা ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়ার জন্য এভাবে নির্দিষ্ট কোনো একটি খাবারকে দায়ী করে দেওয়া যায় না। দেহের ওজন এক দিনে হুট করে বেড়ে যায় না।

দিনের পর দিন শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরি শরীরে গেলেই সমস্যা শুরু হয়। সুতরাং নির্দিষ্ট কোনো একটি খাবারের জন্য ওজন বেড়ে যেতে পারে না। পুষ্টিবিদরা জানান, ক্যালরির দিক থেকে সাদা ভাত খুব একটা নিরাপদ নয়। তা ছাড়া এটি রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটও বটে।

যেহেতু খুব তাড়াতাড়ি সাদা ভাত হজম হয়ে যায়, তাই চট করে সুগার স্পাইকও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এর সঙ্গে যোগ হয় পরিমাণ। এক কাপ ভাতের চেয়ে এক বাটি ভাতের ক্যালরি বেশি। সুতরাং যারা পরিমাণ সম্পর্কে একেবারেই সচেতন নন, তাদের জন্য ভাত সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কী দিয়ে ভাত খাচ্ছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে ভাতের জুটি মেদ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সাদা ভাতের তুলনায় ব্রাউন রাইস নিরাপদ। কারণ, এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। এর সঙ্গে যদি প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় কিছু নিউট্রিয়েন্ট যোগ করা হয়, তাহলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। অন্ত্র ভালো থাকে। একইসঙ্গে মেটাবলিক হেলথ-ও উন্নত হয়। তাই পুষ্টিবিদরা সবসময় ব্যালান্সড ডায়েটের ওপর জোর দেন।

সূত্র : এই সময়