সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা

গত বছরের শেষ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এক বছরে, অর্থাৎ ২০২৫ সালে আমানত বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি। এ ছাড়া ব্যাংকটির এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আমানত এখন ২২ হাজার কোটি টাকা, গত বছরের তুলনায় যা ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।

গতকাল শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইসলামী ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের (বোর্ড অব ডাইরেক্টরস) চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

এ সময় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খাঁন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, নিরীক্ষা (অডিট) কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (রিস্ক ম্যানেজমেন্ট) কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল। এ ছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হুসাইন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসিম।

সম্মেলনে জানানো হয়, গত এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ৭৬ হাজার কোটি টাকা প্রবাসী আয় এসেছে। ২০২৫ সালে ইসলামী ব্যাংক আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য করেছে যথাক্রমে প্রায় ৬০ হাজার কোটি ও ৩২ হাজার কোটি টাকা। ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা বর্তমানে ৩ কোটি; গত এক বছরে গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে ৫০ লাখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক। এই ব্যাংকের ওপর নির্ভর করছে দেশের অর্থনীতি। এই ব্যাংকের ক্ষতি হলে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এই ব্যাংককে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খাঁন বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকের অবদান অবিস্মরণীয়। জুলাই বিপ্লবের পর পরিবর্তিত ব্যাংকিং পরিস্থিতিতে আমাদের গ্রাহকদের মাঝে আস্থা ফিরে এসেছে। ২০২৫ সালে নানান চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে ইসলামী ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বেশি আমানত সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আহরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০২:১২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

গত বছরের শেষ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এক বছরে, অর্থাৎ ২০২৫ সালে আমানত বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি। এ ছাড়া ব্যাংকটির এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আমানত এখন ২২ হাজার কোটি টাকা, গত বছরের তুলনায় যা ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।

গতকাল শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইসলামী ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের (বোর্ড অব ডাইরেক্টরস) চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

এ সময় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খাঁন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, নিরীক্ষা (অডিট) কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (রিস্ক ম্যানেজমেন্ট) কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল। এ ছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হুসাইন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসিম।

সম্মেলনে জানানো হয়, গত এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ৭৬ হাজার কোটি টাকা প্রবাসী আয় এসেছে। ২০২৫ সালে ইসলামী ব্যাংক আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য করেছে যথাক্রমে প্রায় ৬০ হাজার কোটি ও ৩২ হাজার কোটি টাকা। ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা বর্তমানে ৩ কোটি; গত এক বছরে গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে ৫০ লাখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক। এই ব্যাংকের ওপর নির্ভর করছে দেশের অর্থনীতি। এই ব্যাংকের ক্ষতি হলে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এই ব্যাংককে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খাঁন বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকের অবদান অবিস্মরণীয়। জুলাই বিপ্লবের পর পরিবর্তিত ব্যাংকিং পরিস্থিতিতে আমাদের গ্রাহকদের মাঝে আস্থা ফিরে এসেছে। ২০২৫ সালে নানান চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে ইসলামী ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বেশি আমানত সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আহরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।’