ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট ফুলবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের কোনো সুযোগ নেই : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সরকারি ভবনের মালামাল লুটে ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ চাকরি না পেয়ে টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা আমিরাতের ভিসা জটিলতার সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে : নুরুল হক নুর ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে পোস্ট করে লাখ ফলোয়ার হারালেন অভিনেত্রী বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিনেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ ৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেপ্তার ঠেকানো যাবে না: আখতার হোসেন

‘দম বন্ধ হয়ে আসার মতো অসহ্য যন্ত্রণা হতো’

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫০ বার পড়া হয়েছে

মুম্বাইয়ের রূপালি জগতে নিজেকে ‘ড্রিম গার্ল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হেমা মালিনীর পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। চেন্নাইয়ের সচ্ছল জীবন ছেড়ে মায়ানগরীতে এসে একদিকে যেমন তাকে করতে হয়েছে কঠোর সংগ্রাম, অন্যদিকে লড়তে হয়েছে এক অদৃশ্য আতঙ্কের সঙ্গে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে এক অদ্ভুতুড়ে ও ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী, যা আজও তার স্মৃতিতে অমলিন।

নিজের আত্মজীবনী ‘হেমা মালিনী: বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল’-এ সেই শিহরণ জাগানিয়া অভিজ্ঞতার কথা বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি। হেমা জানান, তখনো মেগাস্টার ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় একটি ছোট ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। আর সেখানেই তার সঙ্গে নিয়মিত ঘটতে শুরু করে অস্বাভাবিক কিছু ঘটনা।

সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে হেমা বলেন, ‘প্রতি রাতে আমার মনে হতো অন্ধকারের মাঝে কেউ একজন আমার গলা টিপে ধরছে। দম বন্ধ হয়ে আসার মতো এক অসহ্য যন্ত্রণা হতো। শুধু একবার বা দুবার নয়, দিনের পর দিন এই ঘটনা ঘটতে থাকে আমার সঙ্গে।’

অভিনেত্রী আরও জানান, সেই সময় তার মা-ও একই রুমে থাকতেন। তার কথায়, ‘মা আমার সঙ্গেই শুতেন। তিনি দেখতেন আমি কতটা ভয়ে রাত কাটাতাম। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে আমি প্রতি রাতে আতঙ্কে কুঁকড়ে থাকতাম। ক্রমাগত একই ঘটনা ঘটতে থাকায় আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি।’

সেই রহস্যময় ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কারণেই শেষ পর্যন্ত ওই ফ্ল্যাট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন হেমা। এরপরই শুরু করেন নিজের একটি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ। পরবর্তীতে জুহুতে সমুদ্রমুখী একটি বাগানঘেরা বাংলো কেনেন তিনি। অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে বিয়ের পর সেই বাংলোতেই থিতু হন অভিনেত্রী এবং জীবনের অধিকাংশ সময় সেখানেই কাটিয়েছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘দম বন্ধ হয়ে আসার মতো অসহ্য যন্ত্রণা হতো’

আপডেট সময় ০২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

মুম্বাইয়ের রূপালি জগতে নিজেকে ‘ড্রিম গার্ল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হেমা মালিনীর পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। চেন্নাইয়ের সচ্ছল জীবন ছেড়ে মায়ানগরীতে এসে একদিকে যেমন তাকে করতে হয়েছে কঠোর সংগ্রাম, অন্যদিকে লড়তে হয়েছে এক অদৃশ্য আতঙ্কের সঙ্গে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে এক অদ্ভুতুড়ে ও ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী, যা আজও তার স্মৃতিতে অমলিন।

নিজের আত্মজীবনী ‘হেমা মালিনী: বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল’-এ সেই শিহরণ জাগানিয়া অভিজ্ঞতার কথা বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি। হেমা জানান, তখনো মেগাস্টার ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় একটি ছোট ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। আর সেখানেই তার সঙ্গে নিয়মিত ঘটতে শুরু করে অস্বাভাবিক কিছু ঘটনা।

সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে হেমা বলেন, ‘প্রতি রাতে আমার মনে হতো অন্ধকারের মাঝে কেউ একজন আমার গলা টিপে ধরছে। দম বন্ধ হয়ে আসার মতো এক অসহ্য যন্ত্রণা হতো। শুধু একবার বা দুবার নয়, দিনের পর দিন এই ঘটনা ঘটতে থাকে আমার সঙ্গে।’

অভিনেত্রী আরও জানান, সেই সময় তার মা-ও একই রুমে থাকতেন। তার কথায়, ‘মা আমার সঙ্গেই শুতেন। তিনি দেখতেন আমি কতটা ভয়ে রাত কাটাতাম। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে আমি প্রতি রাতে আতঙ্কে কুঁকড়ে থাকতাম। ক্রমাগত একই ঘটনা ঘটতে থাকায় আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি।’

সেই রহস্যময় ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কারণেই শেষ পর্যন্ত ওই ফ্ল্যাট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন হেমা। এরপরই শুরু করেন নিজের একটি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ। পরবর্তীতে জুহুতে সমুদ্রমুখী একটি বাগানঘেরা বাংলো কেনেন তিনি। অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে বিয়ের পর সেই বাংলোতেই থিতু হন অভিনেত্রী এবং জীবনের অধিকাংশ সময় সেখানেই কাটিয়েছেন।