ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিয়ম ভেঙে ১০৮ কোটি টাকার দরপত্র অনুমোদনের অভিযোগ ভিসির বিরুদ্ধে বড়লেখায় সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ খালেদা জিয়া শিখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে: বিমানমন্ত্রী বাউফলে ডাঃ নাসির উদ্দিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে গণধোলাই দিল শিক্ষার্থীরা ​কুকুর হত্যা মামলায় দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী সমিতির মানববন্ধন ব্রাহ্মণপাড়ার সীমান্তে নারী-শিশুসসহ ৪ জনের অনুপ্রবেশ চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ব্যাংক কর্মীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে দুই মাসে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পীরগঞ্জে তীব্র শীত: শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকসহ খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ। এই পরিস্থিতিতে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য এলাকার মতো পীরগঞ্জেও দিন দিন শীতের তীব্রতা বেড়ে চলেছে। শীতের কারণে অনেকেই ভোরবেলায় কাজে বের হতে পারছেন না। ফলে দৈনন্দিন আয় কমে গিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় দিনের শুরুতে ও সকালবেলায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে প্রায় ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা শীতের প্রকোপ আরও বাড়িয়ে তুলছে। এতে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
উপজেলার চৌত্রকোল, চতরা, বড় আলমপুর, পাঁচগাছি, মদনখালী, টুকুরিয়া, মিঠিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে অসহায় অনেক পরিবার কষ্টের সঙ্গে দিন পার করছেন। অনেক দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ ছেঁড়া বা অপ্রতুল কাপড় দিয়েই শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এ বিষয়ে এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, শীত প্রতিবছরই আসে, কিন্তু দরিদ্র মানুষের কষ্ট থেকেই যায়। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও সমাজের বিত্তবানদের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শীতবস্ত্র বিতরণে দ্রুত এগিয়ে আসা।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এখনই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সম্মিলিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ না করা হলে শীত আরও বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়ম ভেঙে ১০৮ কোটি টাকার দরপত্র অনুমোদনের অভিযোগ ভিসির বিরুদ্ধে

পীরগঞ্জে তীব্র শীত: শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান

আপডেট সময় ০৮:২১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকসহ খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ। এই পরিস্থিতিতে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য এলাকার মতো পীরগঞ্জেও দিন দিন শীতের তীব্রতা বেড়ে চলেছে। শীতের কারণে অনেকেই ভোরবেলায় কাজে বের হতে পারছেন না। ফলে দৈনন্দিন আয় কমে গিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় দিনের শুরুতে ও সকালবেলায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে প্রায় ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা শীতের প্রকোপ আরও বাড়িয়ে তুলছে। এতে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
উপজেলার চৌত্রকোল, চতরা, বড় আলমপুর, পাঁচগাছি, মদনখালী, টুকুরিয়া, মিঠিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে অসহায় অনেক পরিবার কষ্টের সঙ্গে দিন পার করছেন। অনেক দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ ছেঁড়া বা অপ্রতুল কাপড় দিয়েই শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এ বিষয়ে এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, শীত প্রতিবছরই আসে, কিন্তু দরিদ্র মানুষের কষ্ট থেকেই যায়। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও সমাজের বিত্তবানদের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শীতবস্ত্র বিতরণে দ্রুত এগিয়ে আসা।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এখনই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সম্মিলিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ না করা হলে শীত আরও বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।