ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দ্বিতীয় বিয়ের তিন মাসের মাথায় ভাঙনের মুখে বাদশার সংসার বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১ ট্রাইব্যুনালে ফেরদৌস-শাওন-সোমা ও আনিস আলমগীরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আ. লীগ ও বিএনপির রাজনীতির মধ্যে তফাৎ আছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী পরীক্ষা সংস্কারে নতুন পদক্ষেপ নিলেন নরেন্দ্র মোদি মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নিয়ম ভেঙে ১০৮ কোটি টাকার দরপত্র অনুমোদনের অভিযোগ ভিসির বিরুদ্ধে বড়লেখায় সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩

১৮ দিনেই ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা, বক্স অফিসে ‘অ্যাভাটার ৩’-এর রাজত্ব

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৪ বার পড়া হয়েছে

জেমস ক্যামেরনের জাদুকরী সৃষ্টি ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজি আবারও বিশ্বজুড়ে অর্থের বৃষ্টি ঝরাচ্ছে। মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই আয়ের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

বিখ্যাত বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যারাইটি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুক্তির পর থেকে এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা) এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আয় হয়েছে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৯৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা)।

পরিসংখ্যান বলছে, বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করতে ক্যামেরনের আগের দুই ছবির তুলনায় এবার কিছুটা বেশি সময় লেগেছে। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ ১৪ দিনে এবং ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ১৭ দিনে এই ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়েছিল। তবে ধীরগতিতে এগোলেও বড় পর্দায় ছবিটির অবস্থান অত্যন্ত শক্ত।

আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে চীন। সেখান থেকে এসেছে ১৩৮ মিলিয়ন ডলার। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স (৮১ মিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৬৪ মিলিয়ন ডলার) এবং দক্ষিণ কোরিয়া (৪৪ মিলিয়ন ডলার)।

প্রযোজনা সংস্থা ডিজনির জন্যও ২০২৫ সালটি ছিল অত্যন্ত পয়মন্ত। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর ‘অ্যাভাটার ৩’ ডিজনির তৃতীয় ছবি হিসেবে এ বছর ১ বিলিয়ন ডলার আয় করল। সব মিলিয়ে কোভিড-পরবর্তী সময়ে এই প্রথম ডিজনির বার্ষিক বৈশ্বিক আয় ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

প্যান্ডোরার নীল দুনিয়ায় এবার আগুনের গোত্রের সঙ্গে জেক সুলি ও নেইতিরি পরিবারের লড়াই দেখতে দর্শকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এই ছবির মাধ্যমে জেমস ক্যামেরন ইতিহাসের একমাত্র পরিচালক হিসেবে নিজের ঝুলিতে চারটি ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সিনেমা যোগ করলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

১৮ দিনেই ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা, বক্স অফিসে ‘অ্যাভাটার ৩’-এর রাজত্ব

আপডেট সময় ০১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

জেমস ক্যামেরনের জাদুকরী সৃষ্টি ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজি আবারও বিশ্বজুড়ে অর্থের বৃষ্টি ঝরাচ্ছে। মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই আয়ের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

বিখ্যাত বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যারাইটি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুক্তির পর থেকে এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা) এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আয় হয়েছে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৯৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা)।

পরিসংখ্যান বলছে, বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করতে ক্যামেরনের আগের দুই ছবির তুলনায় এবার কিছুটা বেশি সময় লেগেছে। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ ১৪ দিনে এবং ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ১৭ দিনে এই ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়েছিল। তবে ধীরগতিতে এগোলেও বড় পর্দায় ছবিটির অবস্থান অত্যন্ত শক্ত।

আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে চীন। সেখান থেকে এসেছে ১৩৮ মিলিয়ন ডলার। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স (৮১ মিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৬৪ মিলিয়ন ডলার) এবং দক্ষিণ কোরিয়া (৪৪ মিলিয়ন ডলার)।

প্রযোজনা সংস্থা ডিজনির জন্যও ২০২৫ সালটি ছিল অত্যন্ত পয়মন্ত। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর ‘অ্যাভাটার ৩’ ডিজনির তৃতীয় ছবি হিসেবে এ বছর ১ বিলিয়ন ডলার আয় করল। সব মিলিয়ে কোভিড-পরবর্তী সময়ে এই প্রথম ডিজনির বার্ষিক বৈশ্বিক আয় ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

প্যান্ডোরার নীল দুনিয়ায় এবার আগুনের গোত্রের সঙ্গে জেক সুলি ও নেইতিরি পরিবারের লড়াই দেখতে দর্শকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এই ছবির মাধ্যমে জেমস ক্যামেরন ইতিহাসের একমাত্র পরিচালক হিসেবে নিজের ঝুলিতে চারটি ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সিনেমা যোগ করলেন।