ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ৫০ ভিক্ষুক পরিবারের পুনর্বাসনে ২৪ লাখ টাকার বকনা গরু বিতরণ জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার ফেনী পাসপোর্ট অফিসের এডি জাহাঙ্গীরকে ঘিরে দালাল সিন্ডিকেটের অভিযোগ সিলেটে দল বদলেছে, দখল বদলায়নি; চাঁদাবাজি চলছে আগের মতোই ডিএনসিসি প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ এর এমপির ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ রায়পুরায় মোমেন মিয়া কে গুলি করে হত্যা, আহত ৩ বরগুনায় ডিবির অভিযানে ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

অনুমতি ছাড়া অন্যের মোবাইল দেখা নিয়ে যা বললেন এই আলেম

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

অনুমতি ছাড়া অন্যের মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখা ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ। এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ এবং গুপ্তচরবৃত্তির শামিল। এক ফতোয়ার মাধ্যমে এমন মতামত জানিয়েছেন দুই পবিত্র মসজিদের শিক্ষক ও খ্যাতিমান ইসলামী চিন্তাবিদ শায়খ ড. সাদ বিন তুর্কি আল-খাতলান।

সৌদি আরবের ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়া বিভাগের অধ্যাপক এবং দুই পবিত্র মসজিদের শিক্ষক শায়খ অধ্যাপক ড. সাদ বিন তুরকি আল-খাতলান বলেছেন, অন্যের অনুমতি ছাড়া তার মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে তাকানো ধর্মীয়ভাবে অনুমোদিত নয়। সাম্প্রতিক এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেন।

ড. আল-খাতলান বলেন, মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বস্তুর অন্তর্ভুক্ত। মোবাইলের মালিকের অনুমতি ছাড়া এর স্ক্রিন ও ভেতরের তথ্য অন্য কারও দেখার অধিকার নেই। তিনি কোরআনের সূরা হুজুরাতের ১২ নম্বর আয়াতের আলোকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন, যেখানে গুপ্তচরবৃত্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তার মতে, কারও ফোনে ব্যক্তিগত বার্তা, ছবি বা তথ্য অনিচ্ছাকৃত কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে দেখা মূলত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শামিল। তাই ফোনের মালিক সন্তুষ্ট না থাকলে বা সম্মতি না দিলে এমন আচরণ হারাম।

তবে তিনি এটিও পরিষ্কার করেন যে, পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে যদি ফোনের মালিক নিজে কাউকে দেখানোর উদ্দেশ্যে স্ক্রিন খুলে ধরেন বা কোনো ভিডিও কিংবা ছবি শেয়ার করেন। সে ক্ষেত্রে পাশের কেউ তা দেখলে ধর্মীয়ভাবে কোনো বাধা নেই।

এই ফতোয়া এমন এক সময়ে এসেছে, যখন গণপরিবহন, অপেক্ষাকক্ষ কিংবা জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রায়ই দেখা যায়, অনেকে পাশের মানুষের ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখছেন। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি অনুচিত ও পরিহারযোগ্য আচরণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনুমতি ছাড়া অন্যের মোবাইল দেখা নিয়ে যা বললেন এই আলেম

আপডেট সময় ১২:০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

অনুমতি ছাড়া অন্যের মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখা ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ। এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ এবং গুপ্তচরবৃত্তির শামিল। এক ফতোয়ার মাধ্যমে এমন মতামত জানিয়েছেন দুই পবিত্র মসজিদের শিক্ষক ও খ্যাতিমান ইসলামী চিন্তাবিদ শায়খ ড. সাদ বিন তুর্কি আল-খাতলান।

সৌদি আরবের ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়া বিভাগের অধ্যাপক এবং দুই পবিত্র মসজিদের শিক্ষক শায়খ অধ্যাপক ড. সাদ বিন তুরকি আল-খাতলান বলেছেন, অন্যের অনুমতি ছাড়া তার মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে তাকানো ধর্মীয়ভাবে অনুমোদিত নয়। সাম্প্রতিক এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেন।

ড. আল-খাতলান বলেন, মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বস্তুর অন্তর্ভুক্ত। মোবাইলের মালিকের অনুমতি ছাড়া এর স্ক্রিন ও ভেতরের তথ্য অন্য কারও দেখার অধিকার নেই। তিনি কোরআনের সূরা হুজুরাতের ১২ নম্বর আয়াতের আলোকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন, যেখানে গুপ্তচরবৃত্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তার মতে, কারও ফোনে ব্যক্তিগত বার্তা, ছবি বা তথ্য অনিচ্ছাকৃত কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে দেখা মূলত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শামিল। তাই ফোনের মালিক সন্তুষ্ট না থাকলে বা সম্মতি না দিলে এমন আচরণ হারাম।

তবে তিনি এটিও পরিষ্কার করেন যে, পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে যদি ফোনের মালিক নিজে কাউকে দেখানোর উদ্দেশ্যে স্ক্রিন খুলে ধরেন বা কোনো ভিডিও কিংবা ছবি শেয়ার করেন। সে ক্ষেত্রে পাশের কেউ তা দেখলে ধর্মীয়ভাবে কোনো বাধা নেই।

এই ফতোয়া এমন এক সময়ে এসেছে, যখন গণপরিবহন, অপেক্ষাকক্ষ কিংবা জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রায়ই দেখা যায়, অনেকে পাশের মানুষের ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখছেন। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি অনুচিত ও পরিহারযোগ্য আচরণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।