সংবাদ শিরোনাম ::
মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয়

এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য মানবিক ব্যবস্থার দাবি

এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মানবিক বিবেচনায় পুনর্মূল্যায়ন, বিশেষ মূল্যায়ন এবং গ্রাজুয়েশন সম্পন্নের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯–২০ সেশনসহ আগের সেশনগুলোর শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে এ দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস–চ্যান্সেলরের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে তারা জানান, ২০১৯–২০ সেশনের ২০২৩ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর বহু শিক্ষার্থী এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। ভালো পরীক্ষা দিয়েও একই বিষয়ে বারবার অকৃতকার্য হওয়া, এক বা দুই বিষয়ে ফেল এবং ফলাফলে অসামঞ্জস্যতা তাদের মধ্যে গভীর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে। এতে অনেকের শিক্ষা ও কর্মজীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মানববন্ধনে চার দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ২০১৯–২০ ও পূর্ববর্তী সেশনগুলোর অনার্স চতুর্থ বর্ষে এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পুনর্মূল্যায়ন, অনার্সের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে এক ও দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন বা মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পাসের সুযোগ, একই বিষয়ে একাধিকবার ফেল হওয়ার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনে উত্তরপত্র দেখার সুযোগ এবং পুনর্মূল্যায়ন ও বিশেষ মূল্যায়নের ফল দ্রুত প্রকাশ।

করোনা মহামারি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং দীর্ঘ সেশনজটের কারণে তাদের শিক্ষাজীবন স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়নি। পাশাপাশি নতুন সিলেবাস চালু হওয়ায় পুরোনো শিক্ষার্থীদের জন্য আবার দীর্ঘ পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া বাস্তবসম্মত নয় বলেও দাবি করেন তারা।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন, কেউ কেউ পারিবারিক দায়িত্বে জড়িত, আবার অনেকেই বয়সসীমার শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা দেওয়া তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, ভাইস–চ্যান্সেলরকে অভিভাবক মানি। তাকে আমরা মানবিক, ন্যায়সংগত ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

মানববন্ধনে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর হোসাইন, তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাদাফ, কুড়িগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী বিউটি আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র

এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য মানবিক ব্যবস্থার দাবি

আপডেট সময় ১২:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মানবিক বিবেচনায় পুনর্মূল্যায়ন, বিশেষ মূল্যায়ন এবং গ্রাজুয়েশন সম্পন্নের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯–২০ সেশনসহ আগের সেশনগুলোর শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে এ দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস–চ্যান্সেলরের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে তারা জানান, ২০১৯–২০ সেশনের ২০২৩ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর বহু শিক্ষার্থী এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। ভালো পরীক্ষা দিয়েও একই বিষয়ে বারবার অকৃতকার্য হওয়া, এক বা দুই বিষয়ে ফেল এবং ফলাফলে অসামঞ্জস্যতা তাদের মধ্যে গভীর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে। এতে অনেকের শিক্ষা ও কর্মজীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মানববন্ধনে চার দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ২০১৯–২০ ও পূর্ববর্তী সেশনগুলোর অনার্স চতুর্থ বর্ষে এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পুনর্মূল্যায়ন, অনার্সের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে এক ও দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন বা মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পাসের সুযোগ, একই বিষয়ে একাধিকবার ফেল হওয়ার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনে উত্তরপত্র দেখার সুযোগ এবং পুনর্মূল্যায়ন ও বিশেষ মূল্যায়নের ফল দ্রুত প্রকাশ।

করোনা মহামারি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং দীর্ঘ সেশনজটের কারণে তাদের শিক্ষাজীবন স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়নি। পাশাপাশি নতুন সিলেবাস চালু হওয়ায় পুরোনো শিক্ষার্থীদের জন্য আবার দীর্ঘ পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া বাস্তবসম্মত নয় বলেও দাবি করেন তারা।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন, কেউ কেউ পারিবারিক দায়িত্বে জড়িত, আবার অনেকেই বয়সসীমার শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা দেওয়া তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, ভাইস–চ্যান্সেলরকে অভিভাবক মানি। তাকে আমরা মানবিক, ন্যায়সংগত ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

মানববন্ধনে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর হোসাইন, তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাদাফ, কুড়িগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী বিউটি আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।