ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ মোবাইল কোর্টের অভিযানে হেলমেট না পরায় ৫ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য গোসিংগা ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: পবিপ্রবি উপাচার্য বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন, ব্যাংক লুটের খবর নেই : পার্থ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মিলন রানীর পাশে উপজেলা প্রশাসন জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করলে আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দেবেন না : ডা. শফিকুর রহমান

বড়দিনে থাকবে শীতের স্নিগ্ধ আমেজ, নেই বৃষ্টির বাধা, থাকছে কুয়াশার দাপট

যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন বা শুভ বড়দিন আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর)। উৎসবের এই দিনে প্রকৃতিতে থাকবে শীতের আমেজ। আবহাওয়ার তথ্যমতে, এবারের বড়দিনটি হবে শুষ্ক ও হালকা ঠান্ডায়। বিশেষ করে উৎসবের আনন্দ মাটি করতে পারে এমন কোনো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিডব্লিউওটি এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বড়দিনের দিন সারা দেশে তাপমাত্রা মোটামুটি সহনীয় থাকবে। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। এ ছাড়া সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। সেইসঙ্গে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হালকা হিমেল বাতাসের কারণে দিনের তুলনায় রাতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে দক্ষিণাঞ্চলের তুলনায় শীতের প্রকোপ কিছুটা বেশি থাকবে।

বিডব্লিউওটি আরও জানায়, নদী অববাহিকাসহ দেশের উত্তর, পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। সূর্য ওঠার পর কুয়াশা কিছুটা কমলেও সকালের দিকে শীতের অনুভূতি বেশ প্রবল থাকবে। তবে দুপুরের দিকে দেশের অনেক এলাকায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশার রেশ থেকে যেতে পারে। উৎসবের আমেজে বাইরে ঘোরাঘুরির জন্য দুপুরের সময়টি সবচেয়ে অনুকূল থাকবে। এ ছাড়া সূর্যাস্তের পর থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করবে। যারা রাতে গির্জা বা উন্মুক্ত স্থানে উৎসবে অংশ নেবেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত গরম কাপড় সঙ্গে রাখা জরুরি বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম।

শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া উপভোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে শীতকালীন পোশাক পরিধানে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। ধুলোবালি ও ঠান্ডা থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিডব্লিউওটি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

বড়দিনে থাকবে শীতের স্নিগ্ধ আমেজ, নেই বৃষ্টির বাধা, থাকছে কুয়াশার দাপট

আপডেট সময় ০৭:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন বা শুভ বড়দিন আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর)। উৎসবের এই দিনে প্রকৃতিতে থাকবে শীতের আমেজ। আবহাওয়ার তথ্যমতে, এবারের বড়দিনটি হবে শুষ্ক ও হালকা ঠান্ডায়। বিশেষ করে উৎসবের আনন্দ মাটি করতে পারে এমন কোনো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিডব্লিউওটি এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বড়দিনের দিন সারা দেশে তাপমাত্রা মোটামুটি সহনীয় থাকবে। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। এ ছাড়া সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। সেইসঙ্গে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হালকা হিমেল বাতাসের কারণে দিনের তুলনায় রাতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে দক্ষিণাঞ্চলের তুলনায় শীতের প্রকোপ কিছুটা বেশি থাকবে।

বিডব্লিউওটি আরও জানায়, নদী অববাহিকাসহ দেশের উত্তর, পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। সূর্য ওঠার পর কুয়াশা কিছুটা কমলেও সকালের দিকে শীতের অনুভূতি বেশ প্রবল থাকবে। তবে দুপুরের দিকে দেশের অনেক এলাকায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশার রেশ থেকে যেতে পারে। উৎসবের আমেজে বাইরে ঘোরাঘুরির জন্য দুপুরের সময়টি সবচেয়ে অনুকূল থাকবে। এ ছাড়া সূর্যাস্তের পর থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করবে। যারা রাতে গির্জা বা উন্মুক্ত স্থানে উৎসবে অংশ নেবেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত গরম কাপড় সঙ্গে রাখা জরুরি বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম।

শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া উপভোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে শীতকালীন পোশাক পরিধানে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। ধুলোবালি ও ঠান্ডা থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিডব্লিউওটি।