সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতিবাজ প্রদীপ বসাক আবরও নতুন দূর্নীতিতে আলোচনায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন সঞ্জিত ১২ বছরে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় বরিশালে এলজিইডিতে প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচনায় রহমত-ই-খুদা লতিফপুরের চানপুর-হাটুভাঙা রাস্তার বেহাল দশা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার এসআই জনি কান্তি দে’র বিরুদ্ধে ৮৪ কেজি গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগ কর্মীদের নামে শত কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে পলাতক আদনান ইমাম শতকোটি টাকার মালিক সাব-রেজিস্ট্রার কামরুল ও তার স্ত্রী রিক্তা মুক্তিযোদ্ধা বাবার সরকারি ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে বাঁ পায়ের জাদুতে গোল করে চমক দেখালেন জাইমা রহমান সন্ধ্যার মধ্যে ৯ দেশের জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

‘সৎ প্রার্থীদের আড়াল করার কৌশল’: পোস্টার ও ইসি নিয়ে ক্ষোভ তাসনিম জারার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০২:৪১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৩৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পোস্টারের ছড়াছড়ি হলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। তার দাবি, ইসির নিষেধাজ্ঞা মেনে তিনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করেননি, অথচ প্রতিদ্বন্দ্বীরা দাপটের সঙ্গে আইন অমান্য করে এলাকা ছেয়ে ফেলছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ ও শঙ্কার কথা তুলে ধরেন।

পোস্টের সঙ্গে একটি ছবি যুক্ত করে ডা. তাসনিম জারা জানান, রাজধানীর খিলগাঁও, গোড়ান, সবুজবাগ, মুগদা এবং তিতাস রোডের দেয়ালগুলো অন্য প্রার্থীদের পোস্টারে ঢেকে গেছে। তিনি বলেন, ‘‘এটি কোনো পুরনো পোস্টারের বিষয় নয়; বরং সচেতনভাবে ও দাপটের সঙ্গে আইন অমান্য করা হচ্ছে।’’

এনসিপির এই নেত্রী মন্তব্য করেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সৎ ও আইন মান্যকারী প্রার্থীদের নির্বাচনী মাঠ থেকে আড়াল করে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আইন মেনে চলার কারণে এলাকার দেয়ালে আমার কোনো উপস্থিতি নেই, অথচ যারা আইন মানছে না, তাদের ছবি সবার চোখের সামনে।’’

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, চোখের সামনে পোস্টারের এমন ‘বেআইনি মহোৎসব’ চললেও আইন লঙ্ঘনকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার কোনো সদিচ্ছা কমিশনের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। এতে এনসিপির নতুন প্রতীক ‘শাপলা কলি’ ভোটারদের কাছে পরিচিত করার ন্যায্য সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি দলীয় নেতা ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, ওসমান হাদীর ওপর গুলির ঘটনাকে নির্বাচন কমিশন যেভাবে ‘স্বাভাবিক ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে, তা অত্যন্ত শঙ্কাজনক। পোস্টার লাগানোর মতো দৃশ্যমান আইন লঙ্ঘনে কমিশন যদি নীরব থাকে, তবে নির্বাচনের দিন সহিংসতা বা ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটলেও তারা তা উপেক্ষা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

সবশেষে ডা. জারা বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের তৈরি হওয়া এই ‘অসম নির্বাচনী মাঠ’ (Un-even playing field) কীভাবে সংশোধন করে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দূর্নীতিবাজ প্রদীপ বসাক আবরও নতুন দূর্নীতিতে আলোচনায়

‘সৎ প্রার্থীদের আড়াল করার কৌশল’: পোস্টার ও ইসি নিয়ে ক্ষোভ তাসনিম জারার

আপডেট সময় ০২:৪১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পোস্টারের ছড়াছড়ি হলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। তার দাবি, ইসির নিষেধাজ্ঞা মেনে তিনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করেননি, অথচ প্রতিদ্বন্দ্বীরা দাপটের সঙ্গে আইন অমান্য করে এলাকা ছেয়ে ফেলছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ ও শঙ্কার কথা তুলে ধরেন।

পোস্টের সঙ্গে একটি ছবি যুক্ত করে ডা. তাসনিম জারা জানান, রাজধানীর খিলগাঁও, গোড়ান, সবুজবাগ, মুগদা এবং তিতাস রোডের দেয়ালগুলো অন্য প্রার্থীদের পোস্টারে ঢেকে গেছে। তিনি বলেন, ‘‘এটি কোনো পুরনো পোস্টারের বিষয় নয়; বরং সচেতনভাবে ও দাপটের সঙ্গে আইন অমান্য করা হচ্ছে।’’

এনসিপির এই নেত্রী মন্তব্য করেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সৎ ও আইন মান্যকারী প্রার্থীদের নির্বাচনী মাঠ থেকে আড়াল করে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আইন মেনে চলার কারণে এলাকার দেয়ালে আমার কোনো উপস্থিতি নেই, অথচ যারা আইন মানছে না, তাদের ছবি সবার চোখের সামনে।’’

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, চোখের সামনে পোস্টারের এমন ‘বেআইনি মহোৎসব’ চললেও আইন লঙ্ঘনকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার কোনো সদিচ্ছা কমিশনের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। এতে এনসিপির নতুন প্রতীক ‘শাপলা কলি’ ভোটারদের কাছে পরিচিত করার ন্যায্য সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি দলীয় নেতা ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, ওসমান হাদীর ওপর গুলির ঘটনাকে নির্বাচন কমিশন যেভাবে ‘স্বাভাবিক ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে, তা অত্যন্ত শঙ্কাজনক। পোস্টার লাগানোর মতো দৃশ্যমান আইন লঙ্ঘনে কমিশন যদি নীরব থাকে, তবে নির্বাচনের দিন সহিংসতা বা ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটলেও তারা তা উপেক্ষা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

সবশেষে ডা. জারা বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের তৈরি হওয়া এই ‘অসম নির্বাচনী মাঠ’ (Un-even playing field) কীভাবে সংশোধন করে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন তিনি।