ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পোর্টেবল সিগন্যাল লাইট ব্যবহার শুরু পুলিশের ঈদযাত্রায় ‘তেলের টেনশনে’ শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা সালমান আগার রান আউট বিতর্কে যা বলছে এমসিসি ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে নোয়াখালীতে র‍্যাবের কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঈদযাত্রায় সাভারে সড়কে মানুষের ঢল, বেড়েছে গণপরিবহনের চাপ কক্সবাজার সৈকতে বারুণী স্নান ও গঙ্গাপূজায় পুণ্যার্থীর ঢল মতিঝিলে চোর-পুলিশ খেলা, গুলিস্তানে পুলিশের সামনে নতুন নোট বিক্রি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, দুই পরিবহনকে জরিমানা

কোরআন শরিফ খুলে রেখে কথা বলা যাবে?

কোরআন শরিফ আল্লাহ তায়ালার কালাম। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। তেলাওয়াতের বিশেষ ফজিলত ও সওয়াব রয়েছে। 

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর কিতাব থেকে একটি অক্ষর তেলাওয়াত করল তার বিনিময়ে সে একটি নেকী পাবে, আর একটি নেকীর বদলা হবে দশগুণ, একথা বলছি না যে, আলিফ-লাম-মীম, একটি অক্ষর বরং আলিফ একটি অক্ষর, লাম একটি অক্ষর, মীম একটি অক্ষর।’ -(তিরমিজি, হাদিস: ২৯১০)

আল্লাহর কালামের প্রতি মানুষের আগ্রহ-আকর্ষণ আজন্ম। তাই তেলাওয়াত করেন সবাই। কোরআন তিলাওয়াতের বেশ কিছু আদব রয়েছে। প্রত্যেক তিলাওয়াতকারীর কর্তব্য সে আদবগুলো অনুসরণ করা। এর মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদব হল-

১. মন-মস্তিষ্ক সজাগ অবস্থায় পূর্ণ আগ্রহভরে তিলাওয়াত করা।

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন রাতে নামাজ পড়তে দাঁড়ায় এবং (ঘুমের কারণে) কোরআন তার জিহবায় জড়িয়ে যায়, সে নিজেও জানে না সে কী পড়ছে, তাহলে সে যেন শুয়ে পড়ে। -(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ৭৮৭)

৩. কোরআন শরিফের ওপর মাথা বা অন্য কোনো অঙ্গ দিয়ে ভর না দেওয়া।

৪. তিলাওয়াত চলার সময় একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কারো সাথে কথা বলা থেকে বিরত থাকা।

হযরত নাফে রহ. বলেন, হজরত ইবনে ওমর রা. যখন কুরআন তিলাওয়াত করতেন তিলাওয়াত থেকে ফারেগ হওয়া পর্যন্ত কারো সাথে কথা বলতেন না।

-(সহীহ বুখারী ২/৬৪৯; আততিযকার ফী আফজালিল আযকার পৃ. ১৯১; আততিবইয়ান ফী আদাবি হামালাতিল কুরআন ১১১; আদ্দুররুল মুখতার ১/১৭৭; তাফসীরে কুরতুবী ১/২২)

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস

কোরআন শরিফ খুলে রেখে কথা বলা যাবে?

আপডেট সময় ০২:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

কোরআন শরিফ আল্লাহ তায়ালার কালাম। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। তেলাওয়াতের বিশেষ ফজিলত ও সওয়াব রয়েছে। 

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর কিতাব থেকে একটি অক্ষর তেলাওয়াত করল তার বিনিময়ে সে একটি নেকী পাবে, আর একটি নেকীর বদলা হবে দশগুণ, একথা বলছি না যে, আলিফ-লাম-মীম, একটি অক্ষর বরং আলিফ একটি অক্ষর, লাম একটি অক্ষর, মীম একটি অক্ষর।’ -(তিরমিজি, হাদিস: ২৯১০)

আল্লাহর কালামের প্রতি মানুষের আগ্রহ-আকর্ষণ আজন্ম। তাই তেলাওয়াত করেন সবাই। কোরআন তিলাওয়াতের বেশ কিছু আদব রয়েছে। প্রত্যেক তিলাওয়াতকারীর কর্তব্য সে আদবগুলো অনুসরণ করা। এর মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদব হল-

১. মন-মস্তিষ্ক সজাগ অবস্থায় পূর্ণ আগ্রহভরে তিলাওয়াত করা।

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন রাতে নামাজ পড়তে দাঁড়ায় এবং (ঘুমের কারণে) কোরআন তার জিহবায় জড়িয়ে যায়, সে নিজেও জানে না সে কী পড়ছে, তাহলে সে যেন শুয়ে পড়ে। -(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ৭৮৭)

৩. কোরআন শরিফের ওপর মাথা বা অন্য কোনো অঙ্গ দিয়ে ভর না দেওয়া।

৪. তিলাওয়াত চলার সময় একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কারো সাথে কথা বলা থেকে বিরত থাকা।

হযরত নাফে রহ. বলেন, হজরত ইবনে ওমর রা. যখন কুরআন তিলাওয়াত করতেন তিলাওয়াত থেকে ফারেগ হওয়া পর্যন্ত কারো সাথে কথা বলতেন না।

-(সহীহ বুখারী ২/৬৪৯; আততিযকার ফী আফজালিল আযকার পৃ. ১৯১; আততিবইয়ান ফী আদাবি হামালাতিল কুরআন ১১১; আদ্দুররুল মুখতার ১/১৭৭; তাফসীরে কুরতুবী ১/২২)