বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আবহাওয়া কেমন হতে পারে— এ নিয়ে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন সব পূর্বাভাস, যা বিশেষজ্ঞদের ভাষায় ‘ভয়াবহ’ সতর্কবার্তা।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি), সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ এবং নরওয়েজিয়ান মেট্রোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের যৌথ প্রতিবেদন বলছে, চলমান উষ্ণায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে শতাব্দীর শেষে দেশে দেখা মিলবে দুই বিপরীতধর্মী কিন্তু সমান্তরাল দুর্যোগ— বর্ষায় ‘সুপার বর্ষা’, আর গরমে ‘চরম গরম’। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে শিশু, বয়স্ক এবং উপকূল–নির্ভর দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং নরওয়েজিয়ান মেট্রোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত ‘দ্য ফিউচার ক্লাইমেট অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৭১–২১০০ সময়কালে দেশের দৈনিক গড় তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১.৫ থেকে ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র হিটওয়েভ ১৫–২৫ দিন ধরে স্থায়ী হতে পারে, যা মানুষের স্বাস্থ্যে বড় চাপ তৈরি করবে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে শিশু, বয়স্ক এবং উপকূল–নির্ভর দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা মাত্র ১ শতাংশ বাড়লেই শিশুর খর্বকায়তার ঝুঁকি ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে— যা জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি মানবিক প্রভাবগুলোর একটি
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 























