চিৎলা ফার্মের জেডি বাণিজ্য, ক্ষতিগস্ত মাছ চাষীর অভিযোগ। বাশঁবাড়িয়া দঃ পাড়া সংলঘ্ন খামারের উত্তর পাশে এ ব্লকের ৩ একর নিচু জায়গায় পানি দিয়ে মসজিদের নাম করে জেডি সাহেবদের সন্তুষ্ট করে গত ১০ বছর ধরে মৌখিক নির্দেশে জেডি সাহেবের কিছু প্রিয় মানুষদের কে ইজারা দিয়ে থাকেন। এই বছরে জেডি মোর্শেদুল ইসলাম ও জেডির মনোনিত শ্রমিক দিয়ে গঠিত নাজিম বাহিনীর সদস্যরা পাট জাক দেওয়ার বাণিজ্য করছে। পাট চাষিরা একরে ৬ হাজার টাকা দিয়ে সরকারি ফার্ম এর জায়গাতে পাট জাক দিয়ে বাণিজ্য করছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরে এইখানে ১-২ লাখ টাকা বাণিজ্য হয়ে থাকে। জেডির বাণিজ্য করার এই জায়গার পাশে মোঃ মাসুদ নামের একজন মৎস চাষির পুকুরে মৎস চাষ করেন। পাটের পচাঁ পানি মোঃ মাসুদ এর লিজ নেওয়া পুকুরে প্রবেশ করে ২ লাখ টাকার মৎস মারা গেছে। মোঃ মাসুদ জেডির কাছে ক্ষতি পূরণ চাইলে ক্ষতি পূরণ দিবে দিবে বলে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছিল। ক্ষতি পূরণ না দেওয়ায় গত ২৫/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে এই বিষয়ে সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয় বরাবর একটি অভিযোগ করেন। ঐ অভিযোগটি আজ পর্যন্ত তদন্ত হয়েছে কিনা এই বিষয়ে অভিযোগকারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমার জানা মতে এই বিষয়ে আজ পর্যন্ত কোনো তদন্ত হয়নি। তবে কিছু লোক মার্ফতে জানতে পেরেছি আমাকে না জানিয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা জেডির কাছে টাকা খেয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা চলে গেছে। তদন্ত কর্মকর্তারা কি রির্পোট দিয়েছে তা আমার জানা নেই। আমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনবোধে আবারো অভিযোগ করবে বলে জানিয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।
নিজস্ব প্রতিনিধি 
























