ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শত কোটি টাকার নদী খনন প্রকল্পের ছাইদুর রহমানের অনিময় দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির প্রাণিসম্পদ দপ্তরে প্রকল্পের আড়ালে দুর্নীতি-লুটপাটের অভিযোগ আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না: ভাবনা বিনা স্বার্থে চিকিৎসা সেবা প্রধান করায়, তোপের মুখে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রাথমিক চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম  জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৩ অনুষ্ঠানের অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ ৪৫ হাজার টাকা বেতনের পাসপোর্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫৯ কোটির সম্পত্তির অভিযোগ কাশিপুরে অসুস্থ গরু জবাইয়ের তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কুমিল্লায় টমছমব্রিজ এলাকার যানজট নিরসনে মসজিদ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত

তুরস্কের হোটেলে আগুনের ঘটনায় মালিক-ডেপুটি মেয়রসহ ১১ জনের যাবজ্জীবন

তুরস্কের মধ্যাঞ্চলীয় বোলু প্রদেশের একটি স্কি রিসোর্টে আগুন লেগে শিশুসহ ৭৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। এ ঘটনায় নিহত ৩৪ শিশুর জন্য মোট ৩৪ বার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।

শুক্রবার দণ্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন গ্র্যান্ড কার্তাল হোটেলের মালিক হালিত এরগুল, তার স্ত্রী এমিন এরগুল ও দুই মেয়ে এলিফ আরাস এবং সেয়দা হাসিবেকিরোগলু। তারা সবাই হোটেলের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন। একই সঙ্গে হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার আমির আরাস এবং গ্র্যান্ড কার্টাল হোটেলের মালিকানাধীন কম্পানির পরিচালনা পর্ষদে থাকা বোলুর ডেপুটি মেয়র সেদাত গুলেনার এবং আহমেত ডেমিরকেও দণ্ডিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি গ্র্যান্ড কার্তাল স্কি রিসোর্টের রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুতই ১২তলা হোটেলটিতে ছড়িয়ে পরে।

ঘটনার সময় শিশুসহ ২৩৮ জন অতিথি ছিলেন। এই আগুনে ৩৪ শিশুসহ ৭৮ জনের প্রাণহানি হয়। এ ঘটনায় ১৩৭ জন আহত হন। এ ঘটনায় মোট ৩২ জনকে আসামি করা হয় যাদের মধ্যে, যাদের মধ্যে ২০ জন বিচার-পূর্ব আটক অবস্থায় রয়েছেন। বাকি আসামিরা কখন আদালতে হাজির হবেন তা জানা যায়নি। আগুনের ঘটনাটি তুরস্কব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, হোটেলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। আগুনের সময় কোনো ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি এবং সম্পূর্ণ অন্ধকারের মধ্যে অতিথিদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করতে হয়েছিল। অনেকে বহুতল ভবনটি থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেন।

জনগণের ক্ষোভের মুখে আগুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে সরকার। পরে ঘটনা তদন্তে ৬ জন প্রসিকিউটরকে নিয়োগ করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শত কোটি টাকার নদী খনন প্রকল্পের ছাইদুর রহমানের অনিময়

তুরস্কের হোটেলে আগুনের ঘটনায় মালিক-ডেপুটি মেয়রসহ ১১ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ১১:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

তুরস্কের মধ্যাঞ্চলীয় বোলু প্রদেশের একটি স্কি রিসোর্টে আগুন লেগে শিশুসহ ৭৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। এ ঘটনায় নিহত ৩৪ শিশুর জন্য মোট ৩৪ বার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।

শুক্রবার দণ্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন গ্র্যান্ড কার্তাল হোটেলের মালিক হালিত এরগুল, তার স্ত্রী এমিন এরগুল ও দুই মেয়ে এলিফ আরাস এবং সেয়দা হাসিবেকিরোগলু। তারা সবাই হোটেলের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন। একই সঙ্গে হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার আমির আরাস এবং গ্র্যান্ড কার্টাল হোটেলের মালিকানাধীন কম্পানির পরিচালনা পর্ষদে থাকা বোলুর ডেপুটি মেয়র সেদাত গুলেনার এবং আহমেত ডেমিরকেও দণ্ডিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি গ্র্যান্ড কার্তাল স্কি রিসোর্টের রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুতই ১২তলা হোটেলটিতে ছড়িয়ে পরে।

ঘটনার সময় শিশুসহ ২৩৮ জন অতিথি ছিলেন। এই আগুনে ৩৪ শিশুসহ ৭৮ জনের প্রাণহানি হয়। এ ঘটনায় ১৩৭ জন আহত হন। এ ঘটনায় মোট ৩২ জনকে আসামি করা হয় যাদের মধ্যে, যাদের মধ্যে ২০ জন বিচার-পূর্ব আটক অবস্থায় রয়েছেন। বাকি আসামিরা কখন আদালতে হাজির হবেন তা জানা যায়নি। আগুনের ঘটনাটি তুরস্কব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, হোটেলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। আগুনের সময় কোনো ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি এবং সম্পূর্ণ অন্ধকারের মধ্যে অতিথিদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করতে হয়েছিল। অনেকে বহুতল ভবনটি থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেন।

জনগণের ক্ষোভের মুখে আগুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে সরকার। পরে ঘটনা তদন্তে ৬ জন প্রসিকিউটরকে নিয়োগ করা হয়।