ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহার বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী শাপলা চত্বর মামলা : আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা সোমবার দীর্ঘদিন পালিয়ে থেকেও ৬ মাসের বেতন পেলেন আ.লীগ নেত্রী ৩০ দিন এক টুকরা আদা খেলেই মিলবে চমকে দেওয়া উপকারিতা মধ্যরাতে জনপ্রিয় স্ট্রিমার স্পিডের বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন মোদি ১৯ বছরেই বাবা হচ্ছেন এনদ্রিক, জন্মের আগেই ছেলের নাম রাখা হলো ‘কেন্দ্রিক’ রাষ্ট্রপতি দলীয় নাকি বাইরে থেকে সিদ্ধান্ত বিএনপির বৈঠকে : মির্জা ফখরুল বিগত সরকারের সীমাহীন অনিয়মে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ গেল বাবার

আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ককরোচ জনতা পার্টির (সিপেজি) আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের একাধিক ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছিল।

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

কেন্দ্র সরকার ও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর মধ্যে তৃতীয় দফা বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
দিল্লির যন্তর-মন্তরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করেই সিজেপি ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে আলোচনা দীর্ঘদিন অচলাবস্থায় ছিল।

শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে রাজি না হলে কোনো আলোচনায় তারা অংশ নেবে না।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব দাবি সরকার পূরণ করেছে বলে জানানো হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল, এক, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দুই, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং তিন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ।

শুক্রবার কেন্দ্র সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) আশ্বাস দিলেও, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি। তবে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব দাবিই পূরণ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘এই দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি ও ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক অঙ্গীকার। দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলনস্থলে উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা আনন্দ-উৎসব শুরু করেন এবং স্লোগান দেন। পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে লিখেছে, ‘শিক্ষার্থীদের শক্তির জয় হোক।’

গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ভারতের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহার বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

আপডেট সময় ০৩:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির (সিপেজি) আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের একাধিক ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছিল।

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

কেন্দ্র সরকার ও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর মধ্যে তৃতীয় দফা বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
দিল্লির যন্তর-মন্তরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করেই সিজেপি ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে আলোচনা দীর্ঘদিন অচলাবস্থায় ছিল।

শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে রাজি না হলে কোনো আলোচনায় তারা অংশ নেবে না।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব দাবি সরকার পূরণ করেছে বলে জানানো হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল, এক, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দুই, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং তিন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ।

শুক্রবার কেন্দ্র সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) আশ্বাস দিলেও, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি। তবে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব দাবিই পূরণ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘এই দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি ও ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক অঙ্গীকার। দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলনস্থলে উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা আনন্দ-উৎসব শুরু করেন এবং স্লোগান দেন। পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে লিখেছে, ‘শিক্ষার্থীদের শক্তির জয় হোক।’

গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ভারতের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ায়।