ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

গাজা যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি : ইসরায়েলের সেনাপ্রধান

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস যতদিন পর্যন্ত মৃত সব ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ফেরত না দেবে, ততদিন পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়া’য়াল জামির। গতকাল সোমবার রাজধানী জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদমর্যাদার ইউনিট কমান্ডারদের সম্মেলন হয়েছে। সেই সম্মেলনে সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জামির বলেন, “আমাদের যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। আমরা একটা পবিত্র মিশনে আছি এবং এই মিশনের প্রধান লক্ষ্য দু’টি— গাজা নিহত সব ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করা এবং হামাসের বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রাখা।”

“আইডিএফ অতীতকে কাঁধে নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকায়। যা আমাদের নৈতিক ও পেশাগত কর্তব্য, আমরা অবশ্যই তা সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে পালন করব।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা ও ২৫০ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে আসার পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। আইডিএফের অভিযানে দুই বছরে গাজায় নিহত হয়েছেন ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের অধিক।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পেশ করেন। ইসরায়েল এবং হামাস সেই পরিকল্পনায় সায় দেওয়ার পর ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়। ট্রাম্পের ২০টি পয়েন্ট সম্বলিত পরিকল্পনাটি তিন স্তরের। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম স্তরে জীবিত সব ইসরায়েলি জিম্মি ও মৃত জিম্মিদের মরদেহ/দেহাবশেষ হস্তান্তর করবে হামাস।সেই শর্ত অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত নিজেদের কব্জায় থাকা জীবিত ২০ জন জিম্মির সবাইকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। তবে সমস্যা শুরু হয়েছে মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত দেওয়া নিয়ে।

হামাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৮ জন ইসরায়েলি জিম্মি মারা গেছেন এবং তাদের সবার মরদেহ কোথায় আছে— তা গোষ্ঠীটির বর্তমান হাইকমান্ড জানে না। গোষ্ঠীটি আরও বলেছে, যারা এই তথ্য জানত— তারা আইডিএফের অভিযানের সময় নিহত হয়েছে। তবে আইডিএফ এ যুক্তি মেনে না নিয়ে হামাসের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলের তথ্য অনুসারে, ২৮ মৃত জিম্মির মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ/দেহাবশেষ হস্তান্তর করেছে হামাস; েএখনও বাকি আছে ১৩ জন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

গাজা যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি : ইসরায়েলের সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ১০:৩৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস যতদিন পর্যন্ত মৃত সব ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ফেরত না দেবে, ততদিন পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়া’য়াল জামির। গতকাল সোমবার রাজধানী জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদমর্যাদার ইউনিট কমান্ডারদের সম্মেলন হয়েছে। সেই সম্মেলনে সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জামির বলেন, “আমাদের যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। আমরা একটা পবিত্র মিশনে আছি এবং এই মিশনের প্রধান লক্ষ্য দু’টি— গাজা নিহত সব ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করা এবং হামাসের বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রাখা।”

“আইডিএফ অতীতকে কাঁধে নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকায়। যা আমাদের নৈতিক ও পেশাগত কর্তব্য, আমরা অবশ্যই তা সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে পালন করব।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা ও ২৫০ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে আসার পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। আইডিএফের অভিযানে দুই বছরে গাজায় নিহত হয়েছেন ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের অধিক।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পেশ করেন। ইসরায়েল এবং হামাস সেই পরিকল্পনায় সায় দেওয়ার পর ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়। ট্রাম্পের ২০টি পয়েন্ট সম্বলিত পরিকল্পনাটি তিন স্তরের। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম স্তরে জীবিত সব ইসরায়েলি জিম্মি ও মৃত জিম্মিদের মরদেহ/দেহাবশেষ হস্তান্তর করবে হামাস।সেই শর্ত অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত নিজেদের কব্জায় থাকা জীবিত ২০ জন জিম্মির সবাইকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। তবে সমস্যা শুরু হয়েছে মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত দেওয়া নিয়ে।

হামাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৮ জন ইসরায়েলি জিম্মি মারা গেছেন এবং তাদের সবার মরদেহ কোথায় আছে— তা গোষ্ঠীটির বর্তমান হাইকমান্ড জানে না। গোষ্ঠীটি আরও বলেছে, যারা এই তথ্য জানত— তারা আইডিএফের অভিযানের সময় নিহত হয়েছে। তবে আইডিএফ এ যুক্তি মেনে না নিয়ে হামাসের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলের তথ্য অনুসারে, ২৮ মৃত জিম্মির মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ/দেহাবশেষ হস্তান্তর করেছে হামাস; েএখনও বাকি আছে ১৩ জন।