সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে গড়ে উঠল বহুতল ভবন ‘সানভিউ বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ ইডকলে এনামুলের বিরুদ্ধে লুটপাটের রাজত্বের অভিযোগ সওজ কর্মকর্তা শাহনুর রশিদ এখন শতকোটি টাকার মালিক জালিয়াতি করে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ বাশার-মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নেই আড়াই হাজার কোটি টাকা

একদিন উত্থান আর চারদিন সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। আলোচিত এই সপ্তাহে লেনদেন, সূচক এবং অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি কমেছে ২ হাজার ৮৮৭ কোটি ৩২ লাখ ৮১ হাজার ৭৩৭ টাকা। সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে।

গত সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে লেনদেনের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। আর শেষ দিন বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ৬১ হাজার ৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ টাকার অংকে পুঁজি কমেছে ২৬৬৭ কোটি টাকা। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই ধারা দেখা গেছে।

শুক্র ও শনিবার বাদে পুঁজিবাজারে ১৮ থেকে ২২ ডিসেম্বরের সপ্তাহে মোট পাঁচ কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সপ্তাহের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ কর্মদিবসে সূচক পতনের মাধ্যমে লেনদেন হয়। এর পরদিন বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিবসে সূচকের সামান্য উত্থান হয়েছে। তাতে বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৪৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২১২টির।

লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫৭ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৮১ কোটি ২০ লাখ ৭ হাজার ৬৫২ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ২ হাজার ৪৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯৭ টাকা। অর্থাৎ ৭৭৪ কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ১৪৫ টাকা লেনদেন কমেছে, যা শতাংশের হিসাবে ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ কম।

গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার। এরপর যথাক্রমে লেনদেন হয়েছে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, বসুন্ধরা পেপার মিলস, মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনোরেল মেশিনারিজ, জেনেক্স ইনফোসিস, ওরিয়ন ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, এপেক্স ফুডস লিমিটেড এবং জিমিনী সী ফুড লিমিটেডের শেয়ার।

দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক ১২০ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৫২ লাখ ৪৭ হাজার ৬০৭ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭৬ কোটি ৮৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৩ টাকা।

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪টির, কমেছে ৭৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি জমিতে গড়ে উঠল বহুতল ভবন ‘সানভিউ

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নেই আড়াই হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০১:১৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

একদিন উত্থান আর চারদিন সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। আলোচিত এই সপ্তাহে লেনদেন, সূচক এবং অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি কমেছে ২ হাজার ৮৮৭ কোটি ৩২ লাখ ৮১ হাজার ৭৩৭ টাকা। সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে।

গত সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে লেনদেনের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। আর শেষ দিন বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ৬১ হাজার ৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ টাকার অংকে পুঁজি কমেছে ২৬৬৭ কোটি টাকা। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই ধারা দেখা গেছে।

শুক্র ও শনিবার বাদে পুঁজিবাজারে ১৮ থেকে ২২ ডিসেম্বরের সপ্তাহে মোট পাঁচ কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সপ্তাহের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ কর্মদিবসে সূচক পতনের মাধ্যমে লেনদেন হয়। এর পরদিন বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিবসে সূচকের সামান্য উত্থান হয়েছে। তাতে বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৪৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২১২টির।

লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫৭ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৮১ কোটি ২০ লাখ ৭ হাজার ৬৫২ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ২ হাজার ৪৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯৭ টাকা। অর্থাৎ ৭৭৪ কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ১৪৫ টাকা লেনদেন কমেছে, যা শতাংশের হিসাবে ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ কম।

গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার। এরপর যথাক্রমে লেনদেন হয়েছে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, বসুন্ধরা পেপার মিলস, মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনোরেল মেশিনারিজ, জেনেক্স ইনফোসিস, ওরিয়ন ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, এপেক্স ফুডস লিমিটেড এবং জিমিনী সী ফুড লিমিটেডের শেয়ার।

দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক ১২০ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৫২ লাখ ৪৭ হাজার ৬০৭ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭৬ কোটি ৮৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৩ টাকা।

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪টির, কমেছে ৭৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।