ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজার রাফা ক্রসিং বন্ধ ও ত্রাণ প্রবেশে বাধার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চুক্তি অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং মিসর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরায়েল।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ইসরায়েলি সরকারকে এ আহ্বান জানিয়েছে তাদের সেনাবাহিনী।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, হামাস যতক্ষণ পর্যন্ত বাকি ২৪ মৃত জিম্মির মরদেহ ফেরত না দেবে ততক্ষণ রাফা ক্রসিং বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবেশ করতে না দিতেও আহ্বান জানানো হয়েছে। হামাস মৃতদেহগুলো ফেরত দিতে কোনো ‘আগ্রহ’ না দেখানোয় এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে গতকাল ২০ জীবিত ও চার মৃত জিম্মির মরদেহ ফেরত দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এখনো ২৪ জনের মরদেহ গাজায় রয়ে গেছে।

যুদ্ধবিরতির আগেই হামাস মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে জানায়, তারা কিছু জিম্মির মরদেহের সন্ধান হারিয়ে ফেলেছে। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছে, জিম্মিদের কবরের ব্যাপারে যারা জানতেন তাদের হত্যা করা হয়েছে। অথবা হামলার কারণে ওই স্থানের চিহ্ন হারিয়ে গেছে।

এসব জিম্মির মরদেহ খুঁজে পেতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। এমনকি ৭ থেকে ৯ জিম্মির মরদেহের সন্ধান আর কখনো পাওয়া যাবে না বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এসব মরদেহ খুঁজে বের করতে তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি নিয়ে একটি দল গঠনা করা হবে। গাজার যেখানে মরদেহগুলো থাকতে পারে তারা সেখানে অনুসন্ধান চালাবেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজার রাফা ক্রসিং বন্ধ ও ত্রাণ প্রবেশে বাধার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

আপডেট সময় ০৭:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চুক্তি অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং মিসর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরায়েল।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ইসরায়েলি সরকারকে এ আহ্বান জানিয়েছে তাদের সেনাবাহিনী।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, হামাস যতক্ষণ পর্যন্ত বাকি ২৪ মৃত জিম্মির মরদেহ ফেরত না দেবে ততক্ষণ রাফা ক্রসিং বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবেশ করতে না দিতেও আহ্বান জানানো হয়েছে। হামাস মৃতদেহগুলো ফেরত দিতে কোনো ‘আগ্রহ’ না দেখানোয় এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে গতকাল ২০ জীবিত ও চার মৃত জিম্মির মরদেহ ফেরত দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এখনো ২৪ জনের মরদেহ গাজায় রয়ে গেছে।

যুদ্ধবিরতির আগেই হামাস মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে জানায়, তারা কিছু জিম্মির মরদেহের সন্ধান হারিয়ে ফেলেছে। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছে, জিম্মিদের কবরের ব্যাপারে যারা জানতেন তাদের হত্যা করা হয়েছে। অথবা হামলার কারণে ওই স্থানের চিহ্ন হারিয়ে গেছে।

এসব জিম্মির মরদেহ খুঁজে পেতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। এমনকি ৭ থেকে ৯ জিম্মির মরদেহের সন্ধান আর কখনো পাওয়া যাবে না বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এসব মরদেহ খুঁজে বের করতে তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি নিয়ে একটি দল গঠনা করা হবে। গাজার যেখানে মরদেহগুলো থাকতে পারে তারা সেখানে অনুসন্ধান চালাবেন।