নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির লিখিত অভিযোগ আসে থানায়। এ অভিযোগ তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার হয় পুলিশ। এ সময় ওসি তদন্তসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল সড়কে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন: কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর আহমেদ, উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ মহিউদ্দিন, কনস্টেবল শাহাদাত হোসেন, আবু ইউসুফ ও গাড়িচালক ইসহাক শেখ। তারা স্থানীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আর আটক ব্যক্তিরা হলেন বিবাদী ছেমনা খাতু, বিয়াধনি, মনোয়ারা, আয়েশা, অজি উল্লা, আবু সুফিয়ান ও বোবা জাবের।
পুলিশ জানায়, বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ৭ জনের নামোল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৯-১০ জনকে অভিযুক্ত করে চাঁদা দাবি, ক্ষতিসাধন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ দায়ের করেন দারুল ইহসান মাদ্রাসার চেয়ারম্যান নুরুল আবসার। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ওসি (তদন্ত) পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় দুপক্ষকে কাগজ নিয়ে থানায় আসতে বলে ফেরার পথে বাদী নুরুল আবসার পুলিশকে ফোনে কল দিয়ে জানান, অভিযুক্তরা মাদরাসায় ঢুকে সিসিটিভি ভাঙচুর করছে।
এ খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাঙচুরের কারণ জিজ্ঞেস করতেই পুলিশের ওপর লাঠি ও ইটপাটকেল দিয়ে হামলা চালায় চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযুক্তরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ সেখান থেকে ৭ জনকে আটক করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম জানান, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























