সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ জানা গেল ফাইনাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ও সূচি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সংসদে কিল-ঘুষি, থমকে গেল অধিবেশন চীন-মায়ানমার করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে বিনিয়োগ বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী সাবেক এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের চিঠিকেও পাত্তা দেননি আইএফআইসি চেয়ারম্যান মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে অবৈধ মাটি কাটার হিড়িক, টনক নড়ছে না প্রশাসনের ওসমান হাদিকে নিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি গিলাতলা-কালীগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ, কাজের মান সন্তোষজনক

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১১:২৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭০৬ বার পড়া হয়েছে

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (রসিক) সদ্য বদলিককৃত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমার বিরুদ্ধে ইমারত নির্মাণ খাতে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শুধুমাত্র এই একটি খাতেই প্রকল্প অনুমোদন, বাজেট বরাদ্দ এবং নির্মাণ সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির প্রমাণ মিলেছে।

বিশেষ করে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে চলমান ভবন নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, নির্ধারিত মান বজায় না রেখেই কিছু নির্মাণ কাজের বিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রকৃত ব্যয় থেকে অনেকগুণ বেশি অর্থ দেখানো হয়েছে।

সূত্রমতে, ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইমারত খাতে ব্যয়কৃত বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একাধিক প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিক। অথচ বাস্তব পরিদর্শনে এসব প্রকল্পের কাজ নিম্নমানের এবং বহুক্ষেত্রে অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় নাগরিক সমাজ এবং সুশীল মহল এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, রসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা এর আগে আরও কয়েকটি প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় এসেছিলেন। তবে তিনি নিজে সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এবং দাবি করেছেন, এটি তাঁর বিরুদ্ধে একটি উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার।

রংপুরের সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, শুধু ইমারত খাত নয়, বরং রসিকের অন্যান্য খাতেও যদি স্বচ্ছ তদন্ত হয়, তাহলে আরও বড় দুর্নীতির চিত্র উন্মোচিত হতে পারে।

এই রিপোর্ট তৈরির সময় পর্যন্ত রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:২৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (রসিক) সদ্য বদলিককৃত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমার বিরুদ্ধে ইমারত নির্মাণ খাতে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শুধুমাত্র এই একটি খাতেই প্রকল্প অনুমোদন, বাজেট বরাদ্দ এবং নির্মাণ সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির প্রমাণ মিলেছে।

বিশেষ করে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে চলমান ভবন নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, নির্ধারিত মান বজায় না রেখেই কিছু নির্মাণ কাজের বিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রকৃত ব্যয় থেকে অনেকগুণ বেশি অর্থ দেখানো হয়েছে।

সূত্রমতে, ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইমারত খাতে ব্যয়কৃত বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একাধিক প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিক। অথচ বাস্তব পরিদর্শনে এসব প্রকল্পের কাজ নিম্নমানের এবং বহুক্ষেত্রে অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় নাগরিক সমাজ এবং সুশীল মহল এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, রসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা এর আগে আরও কয়েকটি প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় এসেছিলেন। তবে তিনি নিজে সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এবং দাবি করেছেন, এটি তাঁর বিরুদ্ধে একটি উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার।

রংপুরের সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, শুধু ইমারত খাত নয়, বরং রসিকের অন্যান্য খাতেও যদি স্বচ্ছ তদন্ত হয়, তাহলে আরও বড় দুর্নীতির চিত্র উন্মোচিত হতে পারে।

এই রিপোর্ট তৈরির সময় পর্যন্ত রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।