সংবাদ শিরোনাম ::
আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার দাবি বিরোধী দলীয় নেতার রতনদিয়া রজনীকান্ত সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মানিকনগর মডেল হাই স্কুলে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত নারী সাংবাদিকের মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও হারলেন ট্রাম্প, দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৮ দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, চলছে পায়ের থেরাপি অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

নেতা পারফর্ম করতে না পারলে, দল মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬০৬ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশ জিতলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ম্লান ছিলেন অধিনায়ক লিটন দাস। যে কারণে এশিয়া কাপের আগে তার ফর্মে ফেরা নিয়ে ক্রিকেটসংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ ছিল। লিটন সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন নেদারল্যান্ডস সিরিজে। যেখানে সর্বোচ্চ ১৪৫ রান করে তিনি সিরিজেসেরার পুরস্কার পেয়েছেন।

তৃতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজ নিশ্চিত করেছে ২-০ ব্যবধানে। পরে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘আমি (অধিনায়কত্ব) উপভোগ করি, উপভোগ করি বলেই এই দায়িত্ব নিয়েছি। অবশ্যই আমাদের টানা বেশ কয়েকটি সিরিজে ভালো ক্রিকেট হয়েছে। আমি নিজেও পারফর্ম করছি, যা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একজন নেতা যখন পারফর্ম করতে পারেন না, তখন দল মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়ে।’

সর্বশেষ সিরিজে রান পাওয়ায় লিটন নিজেও সন্তুষ্ট, ‘আমাদের দলের সবাই ভালো পারফর্ম করছে, আর আমারও একটি চ্যালেঞ্জ ছিল– আমিও যেন সেই অবদান রাখতে পারি, যেন ভালো পারফর্ম করতে পারি। সেদিক থেকে আমি ভীষণ আনন্দিত যে আমি দলের একজন সদস্য হিসেবে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারছি।’

অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর টানা তিন সিরিজে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন লিটন। সিলেটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ভেন্যুটির প্রশংসা করেছেন তিনি, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর মধ্যে সিলেট ও চট্টগ্রাম তুলনামূলকভাবে বেশ ব্যাটিং-বান্ধব ভেন্যু। আউটফিল্ডও এখানে খুব ভালো। অন্যদিকে মিরপুরে সবাইকেই কিছুটা সংগ্রাম করতে হয়, শুধু আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়রা নয়, বিদেশি খেলোয়াড়রাও এখানে খেলতে এসে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই সব ব্যাটসম্যানের জন্য সিলেট একটি ভালো বিকল্প, দারুণ একটি মাঠ। এখানে খেলা সত্যিই উপভোগ্য। আপনারা যারা এখানে থাকেন, তারাও পরিবেশ দেখে নিশ্চয়ই আনন্দ পান।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

নেতা পারফর্ম করতে না পারলে, দল মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে

আপডেট সময় ১১:৩৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশ জিতলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ম্লান ছিলেন অধিনায়ক লিটন দাস। যে কারণে এশিয়া কাপের আগে তার ফর্মে ফেরা নিয়ে ক্রিকেটসংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ ছিল। লিটন সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন নেদারল্যান্ডস সিরিজে। যেখানে সর্বোচ্চ ১৪৫ রান করে তিনি সিরিজেসেরার পুরস্কার পেয়েছেন।

তৃতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজ নিশ্চিত করেছে ২-০ ব্যবধানে। পরে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘আমি (অধিনায়কত্ব) উপভোগ করি, উপভোগ করি বলেই এই দায়িত্ব নিয়েছি। অবশ্যই আমাদের টানা বেশ কয়েকটি সিরিজে ভালো ক্রিকেট হয়েছে। আমি নিজেও পারফর্ম করছি, যা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একজন নেতা যখন পারফর্ম করতে পারেন না, তখন দল মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়ে।’

সর্বশেষ সিরিজে রান পাওয়ায় লিটন নিজেও সন্তুষ্ট, ‘আমাদের দলের সবাই ভালো পারফর্ম করছে, আর আমারও একটি চ্যালেঞ্জ ছিল– আমিও যেন সেই অবদান রাখতে পারি, যেন ভালো পারফর্ম করতে পারি। সেদিক থেকে আমি ভীষণ আনন্দিত যে আমি দলের একজন সদস্য হিসেবে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারছি।’

অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর টানা তিন সিরিজে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন লিটন। সিলেটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ভেন্যুটির প্রশংসা করেছেন তিনি, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর মধ্যে সিলেট ও চট্টগ্রাম তুলনামূলকভাবে বেশ ব্যাটিং-বান্ধব ভেন্যু। আউটফিল্ডও এখানে খুব ভালো। অন্যদিকে মিরপুরে সবাইকেই কিছুটা সংগ্রাম করতে হয়, শুধু আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়রা নয়, বিদেশি খেলোয়াড়রাও এখানে খেলতে এসে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই সব ব্যাটসম্যানের জন্য সিলেট একটি ভালো বিকল্প, দারুণ একটি মাঠ। এখানে খেলা সত্যিই উপভোগ্য। আপনারা যারা এখানে থাকেন, তারাও পরিবেশ দেখে নিশ্চয়ই আনন্দ পান।’