ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জীবিকার সন্ধানে সাগরে গিয়ে লাশ হলেন দুই জেলে, নিখোঁজ ২ ২০ হাজার বাড়ি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেপাল সরকারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারিতে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুমিল্লায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ইন্টারপোলের কাছে বেনজীরের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশের চিঠি পীরগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশদ্ভূত তানভীর শাহনেওয়াজ কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝালকাঠিতে সুগন্ধা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত গাড়িচালক মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

মওলানা ভাসানী সেতু এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন

চিলমারী-সুন্দরগঞ্জের হরিপুর তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ‘মওলানা ভাসনী সেতু’ উদ্বোধনের ১২ দিন পর সেতু এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনের উদ্যোগে অস্থায়ী একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সেতু প্রকল্প এলাকার দক্ষিণ প্রান্তে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অফিসে নতুন স্থাপিত ক্যাম্পে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন ১৬ জন পুলিশ সদস্য। এর মধ্যে ১ জন এসআই, ২ জন এএসআই ও ১৩ জন কনস্টবল রয়েছেন। তারা সেতু এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালাচ্ছেন। যাতে কোনো ধরনের চুরি, ছিনতাই কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটতে না পারে।

ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, সেতুটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এখানে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। ক্যাম্পে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে, সেতু ব্যবহারকারী স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, সম্প্রতি এলাকায় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় আমরা আতঙ্কে ছিলাম। পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পর সেতু এলাকায় এখন নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো। বিশেষ করে রাতের বেলায় চলাচল অনেকটাই নিশ্চিন্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গত ২০ আগস্ট দুপুরে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ এবং ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে এলজিইডির বাস্তবায়নে সেতুটি নির্মিত হয়েছে। সেতুতে মোট ৩১টি স্প্যান রয়েছে। সংযোগ সড়ক ও নদীশাসনসহ প্রকল্পে প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জীবিকার সন্ধানে সাগরে গিয়ে লাশ হলেন দুই জেলে, নিখোঁজ ২

মওলানা ভাসানী সেতু এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন

আপডেট সময় ০৬:০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চিলমারী-সুন্দরগঞ্জের হরিপুর তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ‘মওলানা ভাসনী সেতু’ উদ্বোধনের ১২ দিন পর সেতু এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনের উদ্যোগে অস্থায়ী একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সেতু প্রকল্প এলাকার দক্ষিণ প্রান্তে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অফিসে নতুন স্থাপিত ক্যাম্পে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন ১৬ জন পুলিশ সদস্য। এর মধ্যে ১ জন এসআই, ২ জন এএসআই ও ১৩ জন কনস্টবল রয়েছেন। তারা সেতু এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালাচ্ছেন। যাতে কোনো ধরনের চুরি, ছিনতাই কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটতে না পারে।

ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, সেতুটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এখানে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। ক্যাম্পে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে, সেতু ব্যবহারকারী স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, সম্প্রতি এলাকায় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় আমরা আতঙ্কে ছিলাম। পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পর সেতু এলাকায় এখন নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো। বিশেষ করে রাতের বেলায় চলাচল অনেকটাই নিশ্চিন্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গত ২০ আগস্ট দুপুরে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ এবং ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে এলজিইডির বাস্তবায়নে সেতুটি নির্মিত হয়েছে। সেতুতে মোট ৩১টি স্প্যান রয়েছে। সংযোগ সড়ক ও নদীশাসনসহ প্রকল্পে প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।