ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ মাস পর সংসদ অধিবেশনে মির্জা আব্বাস, অভিনন্দন জানালেন স্পিকার দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জীবিকার সন্ধানে সাগরে গিয়ে লাশ হলেন দুই জেলে, নিখোঁজ ২ ২০ হাজার বাড়ি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেপাল সরকারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারিতে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুমিল্লায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ইন্টারপোলের কাছে বেনজীরের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশের চিঠি পীরগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

আনন্দ টিভি’র চেয়ারম্যান তৌফিক আব্বাস গ্রেফতার

দেশের বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন ” আনন্দ টিভি”র চেয়ারম্যান হাসান তৌফিক আব্বাসকে গ্রেফতার করেছে বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ। গত ২৮ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আনন্দ টিভির সাবেক এমডি নুরুল ইসলামের ২০২৩ সালে দায়ের করা একটি প্রতারণা মামলায় মাননীয় আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ।
তারা জানায়, আনন্দ টিভির চেয়ারম্যান হাসান তৌফিক আব্বাস বিদেশে যাওয়ার সময় গত ২৮ আগস্ট বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ প্রতারণা মামলায় একটি ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেফতার করে বনানী থানায় হস্তান্তর করে।
এর আগে, ২০২৩ সালে আনন্দ টিভির সাবেক এমডি নুরুল ইসলাম অর্থ আত্মসাৎ এবং চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে টেলিভিশনটির তৎকালীণ পরিচালক তাজিন আব্বাস, চেয়ারম্যান হাসান তৌফিক আব্বাস এবং এইচ, আর এডমিন সাইফুল ইসলামকে আসামী করে প্রতারণা মামলা মামলা (মামলা নং ২৪৩৮/২৩)
করেন।
একটি সূত্র জানায়, টেলিভিশনটি ২০১৩ সালে স্যাটেলাইট সম্প্রচারে এন ও সি পায়। ২০১৭ সাল পর্যন্ত টেলিভিশন মালিক পক্ষ আর্থিক সংকট এবং টেলিভিশন পরিচালনায় অজ্ঞতার কারণে সম্প্রচারে আসতে ব্যর্থ হয়।
পরে নুরুল ইসলাম লিখিত চুক্তি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটিতে
অর্থ লগ্নিসহ সার্বিক দায়িত্বভার গ্রহণ করে টেলিভিশনটি সম্প্রচারে আনেন। অল্প কয়েক মাসের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি যখন লাভের মুখ দেখতে শুরু করে। সে সময় কোন কারণ ছাড়াই স্থানীয় আওয়ামী লোকদের প্রভাবে নুরুল ইসলামকে তার লগ্নি করা অর্থ ফেরত না দিয়ে
প্রতিষ্ঠান কার্যালয়ে প্রবেশে বাঁধা দেন। এরপর তৎকালীন সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ মদদে এবংবিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক মন্ত্রীদের দলীয় প্রভাব দেখিয়ে নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি করে।
এছাড়া এডমিন সাইফুলের সহায়তায় বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধির জন্য আবেদন করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে বাণিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে টেলিভিশনটির কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ মাস পর সংসদ অধিবেশনে মির্জা আব্বাস, অভিনন্দন জানালেন স্পিকার

আনন্দ টিভি’র চেয়ারম্যান তৌফিক আব্বাস গ্রেফতার

আপডেট সময় ০২:২০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশের বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন ” আনন্দ টিভি”র চেয়ারম্যান হাসান তৌফিক আব্বাসকে গ্রেফতার করেছে বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ। গত ২৮ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আনন্দ টিভির সাবেক এমডি নুরুল ইসলামের ২০২৩ সালে দায়ের করা একটি প্রতারণা মামলায় মাননীয় আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ।
তারা জানায়, আনন্দ টিভির চেয়ারম্যান হাসান তৌফিক আব্বাস বিদেশে যাওয়ার সময় গত ২৮ আগস্ট বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ প্রতারণা মামলায় একটি ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেফতার করে বনানী থানায় হস্তান্তর করে।
এর আগে, ২০২৩ সালে আনন্দ টিভির সাবেক এমডি নুরুল ইসলাম অর্থ আত্মসাৎ এবং চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে টেলিভিশনটির তৎকালীণ পরিচালক তাজিন আব্বাস, চেয়ারম্যান হাসান তৌফিক আব্বাস এবং এইচ, আর এডমিন সাইফুল ইসলামকে আসামী করে প্রতারণা মামলা মামলা (মামলা নং ২৪৩৮/২৩)
করেন।
একটি সূত্র জানায়, টেলিভিশনটি ২০১৩ সালে স্যাটেলাইট সম্প্রচারে এন ও সি পায়। ২০১৭ সাল পর্যন্ত টেলিভিশন মালিক পক্ষ আর্থিক সংকট এবং টেলিভিশন পরিচালনায় অজ্ঞতার কারণে সম্প্রচারে আসতে ব্যর্থ হয়।
পরে নুরুল ইসলাম লিখিত চুক্তি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটিতে
অর্থ লগ্নিসহ সার্বিক দায়িত্বভার গ্রহণ করে টেলিভিশনটি সম্প্রচারে আনেন। অল্প কয়েক মাসের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি যখন লাভের মুখ দেখতে শুরু করে। সে সময় কোন কারণ ছাড়াই স্থানীয় আওয়ামী লোকদের প্রভাবে নুরুল ইসলামকে তার লগ্নি করা অর্থ ফেরত না দিয়ে
প্রতিষ্ঠান কার্যালয়ে প্রবেশে বাঁধা দেন। এরপর তৎকালীন সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ মদদে এবংবিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক মন্ত্রীদের দলীয় প্রভাব দেখিয়ে নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি করে।
এছাড়া এডমিন সাইফুলের সহায়তায় বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধির জন্য আবেদন করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে বাণিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে টেলিভিশনটির কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।