ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন  জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন

খোলা হয়েছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলেছে ৩২ বস্তা টাকা

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স। এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর মসজিদের ১০টি দান বাক্স ও ৩টি সিন্দুক থেকে ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন চলছে গণনা কার্যক্রম।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় দান বাক্সগুলো খোলা হয়। পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় ঢেলে সকাল ৯টায় গণনা শুরু হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী গণনা শেষে সন্ধ্যায় টাকার পরিমাণ জানা যাবে।

গণনায় ৩৪০ জন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, জেলা প্রশাসনের ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৩৩ জন শিক্ষক ও স্টাফ, ৯ জন সেনা সদস্য, ৩০ জন পুলিশ সদস্য, ৫ জন আনসার ব্যাটালিয়ন ১০ জন আনসার সদস্য, ১০০ জন ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারী। প্রতিবার তিন মাস পর খেলা হলেও এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে।

দেশি টাকার পাশাপাশি মিলেছে স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রাও। জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তায় দানবাক্স খোলা হয়েছে। প্রতিবার টাকা, স্বর্ণ-রুপার পাশাপাশি আলোচনায় থাকে মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া চিঠি নিয়ে। এসব চিঠিতে লোকজন জীবনের প্রাপ্তি, বিরহ-বেদনা, আয়- উন্নতির ফরিয়াদ, চাকরির প্রত্যাশা, মনের মানুষকে কাছে পাওয়া, পরীক্ষায় ভালো ফলালের আশা, রোগব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে আকুতি প্রকাশ করে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন পাওয়া যায় ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। ৮ ঘণ্টা গণনা শেষে বিকেল ৫টায় মোট টাকার পরিমাণ জানা যায়। পাগলা মসজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট দানের পরিমাণ ৯১ কোটি টাকারও বেশি রয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান।

এদিকে গত ৪ জুলাই দেশ ও দেশের বাইরে থেকে দান করার জন্য চালু হয়েছে পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের অনলাইন ডোনেশন ওয়েবসাইট। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাগলা মসজিদের প্রচার দিয়ে প্রতারকচক্র বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পাগলা মসজিদে দান করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দেশ ও দেশের বাইরের অনেকেই দান করতে পারছেন না। তাদের কথা মাথায় রেখে অনলাইন ডোনেশন ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান

খোলা হয়েছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলেছে ৩২ বস্তা টাকা

আপডেট সময় ১১:৪১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স। এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর মসজিদের ১০টি দান বাক্স ও ৩টি সিন্দুক থেকে ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন চলছে গণনা কার্যক্রম।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় দান বাক্সগুলো খোলা হয়। পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় ঢেলে সকাল ৯টায় গণনা শুরু হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী গণনা শেষে সন্ধ্যায় টাকার পরিমাণ জানা যাবে।

গণনায় ৩৪০ জন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, জেলা প্রশাসনের ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৩৩ জন শিক্ষক ও স্টাফ, ৯ জন সেনা সদস্য, ৩০ জন পুলিশ সদস্য, ৫ জন আনসার ব্যাটালিয়ন ১০ জন আনসার সদস্য, ১০০ জন ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারী। প্রতিবার তিন মাস পর খেলা হলেও এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে।

দেশি টাকার পাশাপাশি মিলেছে স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রাও। জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তায় দানবাক্স খোলা হয়েছে। প্রতিবার টাকা, স্বর্ণ-রুপার পাশাপাশি আলোচনায় থাকে মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া চিঠি নিয়ে। এসব চিঠিতে লোকজন জীবনের প্রাপ্তি, বিরহ-বেদনা, আয়- উন্নতির ফরিয়াদ, চাকরির প্রত্যাশা, মনের মানুষকে কাছে পাওয়া, পরীক্ষায় ভালো ফলালের আশা, রোগব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে আকুতি প্রকাশ করে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন পাওয়া যায় ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। ৮ ঘণ্টা গণনা শেষে বিকেল ৫টায় মোট টাকার পরিমাণ জানা যায়। পাগলা মসজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট দানের পরিমাণ ৯১ কোটি টাকারও বেশি রয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান।

এদিকে গত ৪ জুলাই দেশ ও দেশের বাইরে থেকে দান করার জন্য চালু হয়েছে পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের অনলাইন ডোনেশন ওয়েবসাইট। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাগলা মসজিদের প্রচার দিয়ে প্রতারকচক্র বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পাগলা মসজিদে দান করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দেশ ও দেশের বাইরের অনেকেই দান করতে পারছেন না। তাদের কথা মাথায় রেখে অনলাইন ডোনেশন ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে।