সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের বলিয়াপুর নগরকুন্ডা বাজার এলাকায় প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীরা ব্যঙ্গ করে বলেন এটা গরিবের কক্সবাজার গাড়ি চলা চলের সময় ঢেউ উঠে যায় রাস্তার তীরে,তারা আরো বলেন আমাদের অটোরিক্সা অনেকবার উল্টে পড়েছে,রাস্তার বড় বড় গর্তে জমে থাকা পানি এবং কাদার কারণে পথচারীদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা রাস্তাটিকে ‘গরিবের কক্সবাজার’ নামে অভিহিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় গর্তে পানি জমে যায়, ফলে পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হয় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। স্কুলগামী শিশুদের জন্য এটি বিশেষভাবে বিপজ্জনক।
এখানকার মধ্য বয়সী স্থানীয় এক ভাই জানান, কোন ডেলিভারির রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় ঘটে যায় ঘটনা,আমরা সুস্থ সবল মানুষ তবুও আমাদের মাজা এবং পিঠের হাড় ব্যথা হয়ে যায়,তিনি আরো জানান কোন কোন দিন উল্টে পড়ে যায় আমাদের গাড়ি,
আমরা স্থানীয় এক দোকানদারের সাথে কথা বলে জানতে পারি বৃষ্টি হলে তার দোকানে আর কোন বেচা কেনাই হয় না,কারণ বৃষ্টিতে রাস্তা ডুবে পানি উঠে যায় তার দোকানে নেই কোনো ড্রেনের লাইন,সেই দোকানদার আরো জানান একদিন ৩০ টা অটো উল্টে গিয়েছিল এই রাস্তায় তারই দোকানের সামনে,
রাস্তার পাশ দিয়ে খুব কষ্ট করে হেঁটে আসছিল একজন ৭৩ বয়সী বয়স্ক বুড়ো মানুষ,তার সাথে কথা বলার পর সে জানান এ রাস্তাটি একটি ভয়ংকর রাস্তা,এই রাস্তা সম্পর্কে কথা বলতে ও ভয় লাগে,এখানে রয়েছে প্রাইমারি স্কুল,মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় আরো রয়েছে মাদ্রাসা, এত শিশু কিশোর এবং মানুষের যাতায়াত এই রাস্তা দিয়ে অথচ এই রাস্তা সংস্কার করার কোন নামই নেই, লোক মুখে শুনেছি ৭০ কোটি টাকা সরকার বরাদ্দ দিয়েছে এই রাস্তাঘাট এবং এই এলাকায় উন্নয়নের জন্য, কিন্তু কোথায় সেই টাকা কোথায় আমাদের উন্নয়ন,তিনি বলেন বাবারে কথা বলতে ভয় লাগে তাই কথা বলি না কখন কে কোন অপরাধে নিয়ে যায় বলা তো যায় না,।
এলাকার সকল বয়সী লোকেরা একত্রিত হয়ে বলেন,যেখানে সারা বাংলাদেশ আন্দোলনে মুখরিত, সেখানে আর আমরা নতুন করে কোন সমস্যার সৃষ্টি করতে চাই না,। এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘব করে।
বলিয়াপুর, সাভার প্রতিনিধি 























