ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

মধ্যপাড়া পাথরখনিতে বিস্ফোরকের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথরখনিতে বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) এর অভাবে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে বন্ধ হয়ে গেছে খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম। খনির উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া স্টেট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) এর অভাবের কারণে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধকরে দিয়েছে। এতে খনির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালু থাকলেও বন্ধ হয়ে গেছে খনির উন্নয়ন কার্যক্রম।

ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (এমজিএমসিএল) কর্তৃপক্ষ সময় মতো চাহিদানুযায়ী সরবরাহ না করায় খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি।

এদিকে খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রতিদিন সরকারের লোকসান গুণতে হবে প্রায় দেড় কোটি টাকা। বর্তমানে পাথরখনির অভ্যন্তরে পাথর ইয়ার্ডে প্রায় ১২ লাখ মেট্রিক টন পাথর বিক্রির অপেক্ষায় মজুদ রয়েছে।

মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী ডি.এম জোবাইয়ের হোসেন বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) এর অভাবে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় প্রয়োজনীয় বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) ভারত থেকে বাংলাদেশের প্রবেশ এবং কাস্টমস ক্লিয়ারিং এর অপেক্ষায় রয়েছে। যা দু-তিনদিনের মধ্যেই খনি এলাকায় চলে আসবে। এরপর পাথর উত্তোলন কার্যক্রম পূর্বের মতোই স্বাভাবিকভাবে হবে। #

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

মধ্যপাড়া পাথরখনিতে বিস্ফোরকের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন

আপডেট সময় ০২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথরখনিতে বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) এর অভাবে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে বন্ধ হয়ে গেছে খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম। খনির উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া স্টেট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) এর অভাবের কারণে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধকরে দিয়েছে। এতে খনির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালু থাকলেও বন্ধ হয়ে গেছে খনির উন্নয়ন কার্যক্রম।

ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (এমজিএমসিএল) কর্তৃপক্ষ সময় মতো চাহিদানুযায়ী সরবরাহ না করায় খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি।

এদিকে খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রতিদিন সরকারের লোকসান গুণতে হবে প্রায় দেড় কোটি টাকা। বর্তমানে পাথরখনির অভ্যন্তরে পাথর ইয়ার্ডে প্রায় ১২ লাখ মেট্রিক টন পাথর বিক্রির অপেক্ষায় মজুদ রয়েছে।

মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী ডি.এম জোবাইয়ের হোসেন বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) এর অভাবে ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় প্রয়োজনীয় বিষ্ফোরক দ্রব্য (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) ভারত থেকে বাংলাদেশের প্রবেশ এবং কাস্টমস ক্লিয়ারিং এর অপেক্ষায় রয়েছে। যা দু-তিনদিনের মধ্যেই খনি এলাকায় চলে আসবে। এরপর পাথর উত্তোলন কার্যক্রম পূর্বের মতোই স্বাভাবিকভাবে হবে। #