লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল-২০২৫ আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। হাজিরপাড়া হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে৷ এ কাউন্সিলকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সভাপতি পদপ্রার্থী হয়ে ছাতা পতিক নিয়ে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন আনোয়ার হোসেন বাচ্চু। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই নেতা এখন সবচেয়ে আলোচিত ও প্রত্যাশিত প্রার্থী।
রাজনীতির মাঠে নেতা অনেকেই আসেন, আবার হারিয়েও যান। কিন্তু সময়ের কঠিন পরীক্ষায় যারা অবিচল থাকেন, তারাই হয়ে ওঠেন জনগণের ভরসা। আনোয়ার হোসেন বাচ্চু সেই ধরনের নাম।
মানুষের কল্যাণের ব্রত নিয়েই তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। গত ১৭ বছরের লড়াই-সংগ্রামে তিনি দেখিয়েছেন—রাজনীতি তার কাছে কেবল পদ-পদবীর জন্য নয়, বরং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই উৎসারিত। দলের দুঃসময় হোক কিংবা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলো, তিনি সবসময় রাজপথের অগ্রভাগে থেকেছেন। মামলা-হামলা, রাজনৈতিক হয়রানি কিংবা নিপীড়নের ভয় তাকে দমাতে পারেনি।
চন্দ্রগঞ্জ থানার মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—বরং পরিবারের মতো আপনজন। কারও অসুস্থতায় সাহায্যের হাত বাড়ানো, দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো কিংবা শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হওয়া—এসব গুণ তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছে।
একজন স্থানীয় প্রবীণ বলেন, “বাচ্চু ভাই আমাদের শুধু নেতা নন, তিনি আমাদের দুঃখ-সুখের সঙ্গী। তার মতো নেতার খুব দরকার।”
আসন্ন কাউন্সিলকে ঘিরে চন্দ্রগঞ্জে ইতিমধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে উচ্ছ্বাস। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পরীক্ষিত এই নেতার হাতে দায়িত্ব এলে বিএনপি পাবে নতুন প্রাণশক্তি। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণমানুষের স্বার্থরক্ষায় তার নেতৃত্বই হতে পারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
চন্দ্রগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাই একটাই নাম প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—
আনোয়ার হোসেন বাচ্চু। তিনি শুধু সভাপতি প্রার্থী নন, তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির মানুষের আশার প্রতীক।
হুমায়ুন কবির নিজস্ব প্রতিবেদক, 























