ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

সেন্টমার্টিন থেকে আরাকান আর্মি ট্রলারসহ বাংলাদেশী ৯ জেলেকে নিয়ে গেছেন

কক্সবাজারের টেকনাফের পর এবার সেন্টমার্টিনের দক্ষিণের সাগর থেকে আবার ও একটি মাছ ধরার।নৌযানসহ ৭ বাংলাদেশী জেলে ধরে নিয়ে গেছে মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। সাগরে জাল ফেলে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিনের নিকটবর্তী ( সীতা) নামক এলাকা থেকে বুধবার বেলা ২ ঘটিকার সময় জেলেদের অপরহরন করে করা হয় বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।

এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেক নাফ বালুঘাটিয়া ঘাটের ট্রলার মালিক সমিতি’র সভাপতি সাজেদ আহমেদ,সভাপতি বলেন জেলেসহ যে নৌযানটি আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে গেছেন,নৌযানটির মালিক টেকনাফ পৌরসভার কাযুকখালীযা পাড়ার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল কায়সারের। ঐ নৌযানটিতে ৭ জন মাঝি মাল্লা ছিল। তাৎক্ষণিক জেলেদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।

ঐ ট্রলারের মাঝি দিল মোহাম্মদ এর সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হয়েছে ট্রলার মালিক সমিতি’র সভাপতি সাজেদ আহমেদ জানান।
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ সাগরে জাল পেলে মাছ ধরার সময় স্পিটভোট নিয়ে আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশী জল সীমায় ডুকে পড়ে। এই সময় আরাকান আর্মি কয়েকটি বাংলাদেশী মাছ ধরার নৌযানকে ধরার জন্য ধাওয়া দেয়। এর মধ্যে একটি নৌযানসহ ৭ বাংলাদেশী জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মীর সদস্যরা।

ট্রলারের মালিক নুরুল কায়সার বলেন, প্রায় ২২ লাখ টাকা খরচ করে ট্রলার তৈরী করেছি,কিন্তু দুরভাগ্য হলে সত্য আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশের জলসীমায় ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাঝি মাল্লাসহ আমার ট্রলারটি নিয়ে গেছেন।তিনি জেলেসহ ট্রলারটি ফেরত আনার জন্য সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয় টি শুনেছেন জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন বলেন, প্রায় প্রতিদিনই আরাকান আর্মির সদস্যরা সাগর থেকে ফেরার পথে বাংলাদেশী জেলেদের অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
গত ৪ দিনে ৭টি ট্রলার সহ ৫২জন জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিক সমিতি’র সভাপতি। এর আগে ও ৫ আগষ্ট ২ জন জেলেকে নিয়ে গিয়েছিল আরাকান আর্মির সদস্যরা।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত টেকনাফ নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ২৬২ জন বাংলাদেশী জেলেকে ধরে নিয়ে গেছেন। এর মধ্যে বর্ডারগার্ড ( বিজিবি) এর প্রচেষ্টায় কয়েক দফায় বৈঠক করে ১৮৯ জন জেলে এবং ২৭ টি নৌযান ফেরত আনা হয়েছে বলে জানা যায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সেন্টমার্টিন থেকে আরাকান আর্মি ট্রলারসহ বাংলাদেশী ৯ জেলেকে নিয়ে গেছেন

আপডেট সময় ১০:১৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফের পর এবার সেন্টমার্টিনের দক্ষিণের সাগর থেকে আবার ও একটি মাছ ধরার।নৌযানসহ ৭ বাংলাদেশী জেলে ধরে নিয়ে গেছে মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। সাগরে জাল ফেলে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিনের নিকটবর্তী ( সীতা) নামক এলাকা থেকে বুধবার বেলা ২ ঘটিকার সময় জেলেদের অপরহরন করে করা হয় বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।

এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেক নাফ বালুঘাটিয়া ঘাটের ট্রলার মালিক সমিতি’র সভাপতি সাজেদ আহমেদ,সভাপতি বলেন জেলেসহ যে নৌযানটি আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে গেছেন,নৌযানটির মালিক টেকনাফ পৌরসভার কাযুকখালীযা পাড়ার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল কায়সারের। ঐ নৌযানটিতে ৭ জন মাঝি মাল্লা ছিল। তাৎক্ষণিক জেলেদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।

ঐ ট্রলারের মাঝি দিল মোহাম্মদ এর সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হয়েছে ট্রলার মালিক সমিতি’র সভাপতি সাজেদ আহমেদ জানান।
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ সাগরে জাল পেলে মাছ ধরার সময় স্পিটভোট নিয়ে আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশী জল সীমায় ডুকে পড়ে। এই সময় আরাকান আর্মি কয়েকটি বাংলাদেশী মাছ ধরার নৌযানকে ধরার জন্য ধাওয়া দেয়। এর মধ্যে একটি নৌযানসহ ৭ বাংলাদেশী জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মীর সদস্যরা।

ট্রলারের মালিক নুরুল কায়সার বলেন, প্রায় ২২ লাখ টাকা খরচ করে ট্রলার তৈরী করেছি,কিন্তু দুরভাগ্য হলে সত্য আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশের জলসীমায় ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাঝি মাল্লাসহ আমার ট্রলারটি নিয়ে গেছেন।তিনি জেলেসহ ট্রলারটি ফেরত আনার জন্য সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয় টি শুনেছেন জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন বলেন, প্রায় প্রতিদিনই আরাকান আর্মির সদস্যরা সাগর থেকে ফেরার পথে বাংলাদেশী জেলেদের অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
গত ৪ দিনে ৭টি ট্রলার সহ ৫২জন জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিক সমিতি’র সভাপতি। এর আগে ও ৫ আগষ্ট ২ জন জেলেকে নিয়ে গিয়েছিল আরাকান আর্মির সদস্যরা।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত টেকনাফ নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ২৬২ জন বাংলাদেশী জেলেকে ধরে নিয়ে গেছেন। এর মধ্যে বর্ডারগার্ড ( বিজিবি) এর প্রচেষ্টায় কয়েক দফায় বৈঠক করে ১৮৯ জন জেলে এবং ২৭ টি নৌযান ফেরত আনা হয়েছে বলে জানা যায়।