রংপুরের মিঠাপুকুরে মাদারপুর নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা। শিক্ষক ৭কর্মচারী ২ জন থাকলে ও শিক্ষার্থী রয়েছে মাত্র ৭ জন, যা একজন শিক্ষার্থীর অনুকুলে ১ জন শিক্ষক।
জানা গেছে, এলাকার কতিপয় শিক্ষানুরাগী মহৎ ব্যাক্তি বিদ্যলয়ের নামে জমিদান করেন এতে করে ২০০১ ইং সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। এমপিও ভুক্তি হয়। পরবর্তীতে ২০২২ ইং সালে এম পিও ভুক্তির পর থেকে বিদ্যালটির শিক্ষার মান নিন্মমুখী হওয়ায় এলাকার সাধারন মানুষ ওই বিদ্যালয়ে তাদের ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া করাতে অনিচ্ছুক হওয়ায় দেখাদেয় শিক্ষার্থী সংকট।সরেজমিনে গত সোমবার বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ৬ ষ্ঠ শ্রেনীতে ৪ জন ৭ম শ্রেনীতে ৩ জন ও ৮ অষ্টম ০এই অষ্টম শ্রেনীতে কোন শিক্ষার্থীন নেই। জানাযায় ওই বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব অসুস্থ্য হওয়ায় ছুটিতে রয়েছেন। গত রমজান মাস থেকে ৬৩ দিন হাজতবাস করেও জামিনে বাইরে এসে নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কোন রকম আইনি ব্যবস্থার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে জানা গেছে, অন্যান্য শিক্ষকরা অফিস কক্ষে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন। বিষয়ে প্রধান মাহাবুর আলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি অসুস্থ ছুটিতে আছি। বিদ্যলয়ে ছাত্রচাত্রীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,এ সময় পরীক্ষা চলছে তাই ছাত্রছাত্রী আসে নাই,অথচ এ সময় কোন মাধ্যমিক স্কুলে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না । উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু তাহেরের বক্তব্য নিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা যায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অফিসে উপস্থিত নেই আরো জানা যায় যোগদানের পরের দিন থেকেই তিনি অসুস্থ অফিস করেন না অফিসের কিছু কাজের দায়িত্ব একাডেমি সুপারভাইজার কে করার দায়িত্ব দিয়েছি,এ বিষয়ে একাডেমি সুপারভাইজার বলেন স্যার অসুস্থ থাকায় কিছু কিছু কাজ আমরা করছি,মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমিতো অপারেশনের রোগী ছুটিতে আছি। আগে নিজে বাচি তার পর দেখাযাবে।
রংপুর প্রতিনিধি 























