ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা জমি ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্ধার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা ৬ শতক জমি আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিককে ঢাকঢোল বাজিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আদালত প্রতিনিধি (ক্ষমতাপ্রাপ্ত) নাজির মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী, আদালত কমিশনার (সিভিল কোর্ট কমিশন) মো. আবুল বাশার, ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ৩৫ বছর আগে আবদুস সালামের কাছ থেকে ৬ শতক জায়গা ক্রয় করেন। তবে তিনি বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ক্রয় করা সেই জায়গার দখলে যেতে পারেননি। পরে তিনি ২০১৯ সালে অবৈধ দখলদার কুডু মিয়ার ছেলে আমীর হোসেন, মনির হোসেন, চান্দু মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন ও কুদ্দুস মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া গংদের বিরুদ্ধে জমির দখল বুঝে পেতে আদালতে মামলা দায়ের করেন। অবশেষে আদালতের রায় জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে আসে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে বেদখলে থাকা ওই ৬ শতক জায়গা, এতে নির্মিত বসতঘর এবং বসতঘরের আসবাবপত্র আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত করা হয়। এ সময় এসব জায়গায় লাল নিশান বসানো হয়। পরে একজন ঢুলি ঢাকঢোল বাজিয়ে লাল নিশান বসানোর পুরো জায়গা ঘুরে বেড়ান। পরে তিনিই জায়গার দখল বুঝিয়ে দিতে প্রকৃত মালিকের (জাহাঙ্গীর আলম) নাম ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তারেক রহমান বলেন, জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা জেলা আদালতে বেদখলে থাকা জায়গা বুঝে পেতে মামলা করেছিলেন। ওই মামলার রায়ে আদালতের নির্দেশে তাকে তার জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা জমি ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা ৬ শতক জমি আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিককে ঢাকঢোল বাজিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আদালত প্রতিনিধি (ক্ষমতাপ্রাপ্ত) নাজির মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী, আদালত কমিশনার (সিভিল কোর্ট কমিশন) মো. আবুল বাশার, ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ৩৫ বছর আগে আবদুস সালামের কাছ থেকে ৬ শতক জায়গা ক্রয় করেন। তবে তিনি বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ক্রয় করা সেই জায়গার দখলে যেতে পারেননি। পরে তিনি ২০১৯ সালে অবৈধ দখলদার কুডু মিয়ার ছেলে আমীর হোসেন, মনির হোসেন, চান্দু মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন ও কুদ্দুস মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া গংদের বিরুদ্ধে জমির দখল বুঝে পেতে আদালতে মামলা দায়ের করেন। অবশেষে আদালতের রায় জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে আসে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে বেদখলে থাকা ওই ৬ শতক জায়গা, এতে নির্মিত বসতঘর এবং বসতঘরের আসবাবপত্র আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত করা হয়। এ সময় এসব জায়গায় লাল নিশান বসানো হয়। পরে একজন ঢুলি ঢাকঢোল বাজিয়ে লাল নিশান বসানোর পুরো জায়গা ঘুরে বেড়ান। পরে তিনিই জায়গার দখল বুঝিয়ে দিতে প্রকৃত মালিকের (জাহাঙ্গীর আলম) নাম ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তারেক রহমান বলেন, জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা জেলা আদালতে বেদখলে থাকা জায়গা বুঝে পেতে মামলা করেছিলেন। ওই মামলার রায়ে আদালতের নির্দেশে তাকে তার জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।