ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

বাগেরহাটে চায়ের দোকানের এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৩ লাখ টাকা

বাগেরহাটের ফকিরহাটের এক চায়ের দোকানের এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। দোকানি অপূর্ব কুন্ডু বিল হাতে পাওয়ার পর দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শুধু অপূর্ব কুন্ডু নয় পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির অনেক গ্রাহকের নামে এমন ভুতুড়ে বিল হওয়ার রেকর্ড রয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ বলছে এটা ভুলবশত হয়েছে ঠিক করে দেওয়া হবে। এছাড়া বিলিং সহকারীকে শোকজ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ফকিরহাট উপজেলার লখপুর বাজারে এক কক্ষের ছোট চায়ের দোকান অপূর্ব কুন্ডুর। বাবা মারা যাওয়ার পর অশোক কুমার কুন্ডুর দোকানটি এখন পরিচালনা করেন ছেলে অপূর্ব কুন্ডু ও তার স্ত্রী মা তপতী রানী কুন্ডু। দোকানে দুইটি বাল্ব, একটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ রয়েছে। দোকানের চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। সামান্য আয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এত বেশি বিল আসায় হতবাক তপতী রানী কুন্ডু ও তার ছেলে অপূর্ব কুন্ডু।
শুধু অপূর্ব কুন্ডু নয়, লখপুর এলাকার অনেক গ্রাহকের নামে ভুতুড়ে বিল আসছে। এক মাসের বিলের সঙ্গে অন্য মাসের বিলের কোনো মিল নেই। মিটার না দেখে বিল করা এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দায়িত্বহীনতায় এমন ভোগান্তি ও অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হয় বলে জানালেন গ্রাহকরা।

চা দোকানি অপূর্ব কুন্ডু বলেন, নিয়মিত ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা বিল আসতো। এর আগের মাসেও অতিরিক্ত বিল এসেছে ১ হাজার ৮৭৬ টাকা। ফকিরহাট জোনাল অফিসে গেলে অতিরিক্ত বিল কমিয়ে ৩১৬ টাকা করে দেওয়া হয়। এ মাসে যখন বিল হাতে পাই দেখি বিল ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। এরপর পরিবারের সবাই হতবাক হয়ে পড়ি। বিষয়টি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুতের লোকজন এসে বিলটি নিয়ে যায়। বারবার ভুলের জন্য আমরা ভোগান্তিতে পড়ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল যাতে না হয় সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন চা দোকানি অপূর্ব।
বাগেরহাটে ফকিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি উপ-মহা ব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আনন্দ কুমার কুন্ডু বলেন, বিলিং সহকারীর ভুলে এমন ভুতুড়ে বিল হয়েছে। এর আগে বিল সংশোধন করে ৩১০ টাকার একটি বিল দোকানিকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর গ্রামের চা দোকানি তাইজুল ইসলামের নামে ১৩ লাখ ৮৭ হাজার ১৯৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল করে। তার প্রকৃত বিল ছিল ১৬২ টাকা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

বাগেরহাটে চায়ের দোকানের এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৩ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০২:৪১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

বাগেরহাটের ফকিরহাটের এক চায়ের দোকানের এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। দোকানি অপূর্ব কুন্ডু বিল হাতে পাওয়ার পর দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শুধু অপূর্ব কুন্ডু নয় পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির অনেক গ্রাহকের নামে এমন ভুতুড়ে বিল হওয়ার রেকর্ড রয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ বলছে এটা ভুলবশত হয়েছে ঠিক করে দেওয়া হবে। এছাড়া বিলিং সহকারীকে শোকজ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ফকিরহাট উপজেলার লখপুর বাজারে এক কক্ষের ছোট চায়ের দোকান অপূর্ব কুন্ডুর। বাবা মারা যাওয়ার পর অশোক কুমার কুন্ডুর দোকানটি এখন পরিচালনা করেন ছেলে অপূর্ব কুন্ডু ও তার স্ত্রী মা তপতী রানী কুন্ডু। দোকানে দুইটি বাল্ব, একটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ রয়েছে। দোকানের চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। সামান্য আয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এত বেশি বিল আসায় হতবাক তপতী রানী কুন্ডু ও তার ছেলে অপূর্ব কুন্ডু।
শুধু অপূর্ব কুন্ডু নয়, লখপুর এলাকার অনেক গ্রাহকের নামে ভুতুড়ে বিল আসছে। এক মাসের বিলের সঙ্গে অন্য মাসের বিলের কোনো মিল নেই। মিটার না দেখে বিল করা এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দায়িত্বহীনতায় এমন ভোগান্তি ও অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হয় বলে জানালেন গ্রাহকরা।

চা দোকানি অপূর্ব কুন্ডু বলেন, নিয়মিত ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা বিল আসতো। এর আগের মাসেও অতিরিক্ত বিল এসেছে ১ হাজার ৮৭৬ টাকা। ফকিরহাট জোনাল অফিসে গেলে অতিরিক্ত বিল কমিয়ে ৩১৬ টাকা করে দেওয়া হয়। এ মাসে যখন বিল হাতে পাই দেখি বিল ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। এরপর পরিবারের সবাই হতবাক হয়ে পড়ি। বিষয়টি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুতের লোকজন এসে বিলটি নিয়ে যায়। বারবার ভুলের জন্য আমরা ভোগান্তিতে পড়ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল যাতে না হয় সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন চা দোকানি অপূর্ব।
বাগেরহাটে ফকিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি উপ-মহা ব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আনন্দ কুমার কুন্ডু বলেন, বিলিং সহকারীর ভুলে এমন ভুতুড়ে বিল হয়েছে। এর আগে বিল সংশোধন করে ৩১০ টাকার একটি বিল দোকানিকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর গ্রামের চা দোকানি তাইজুল ইসলামের নামে ১৩ লাখ ৮৭ হাজার ১৯৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল করে। তার প্রকৃত বিল ছিল ১৬২ টাকা।