ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

ভোমরা বন্দরে ৩ দিনে দুই হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরটি দীর্ঘ চার মাস ২০ দিন বন্ধ থাকার পর মাত্র তিন দিনে প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। সরবরাহ বাড়ায় দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ঢুকতেই দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৬৭ টাকা কেজি দরে, আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা কেজি দরে। সরবরাহ বাড়তে থাকলে দাম আরও কমবে।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এখন নিয়মিত পেঁয়াজ আসছে। রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭০টি ট্রাকে প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ ভোমরা বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে যাবে।

রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রাসেল আহম্মেদ বলেন, “মাত্র তিন দিনেই প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। ইতোমধ্যেই বাজারে এর প্রভাব পরতে শুরু করেছে। আগামী দিনগুলোতে সরবরাহ আরও বাড়বে।”
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সালেহ মোহাম্মাদ আবদুল্লাহ বলেন, আমরা বাজারগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করছি। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লেও লক্ষ্য হচ্ছে যেন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন। বাজারে ইতোমধ্যেই কেজি প্রতি ৬ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। সামনে আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে পারছে না। প্রতি বছর চাহিদার বড় অংশ ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। ভোমরা বন্দর দিয়ে নিয়মিত পেঁয়াজ আসায় সরবরাহ বাড়ছে, দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে এবং ভোক্তারা স্বস্তি পাচ্ছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

ভোমরা বন্দরে ৩ দিনে দুই হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি

আপডেট সময় ১১:০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরটি দীর্ঘ চার মাস ২০ দিন বন্ধ থাকার পর মাত্র তিন দিনে প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। সরবরাহ বাড়ায় দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ঢুকতেই দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৬৭ টাকা কেজি দরে, আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা কেজি দরে। সরবরাহ বাড়তে থাকলে দাম আরও কমবে।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এখন নিয়মিত পেঁয়াজ আসছে। রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭০টি ট্রাকে প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ ভোমরা বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে যাবে।

রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রাসেল আহম্মেদ বলেন, “মাত্র তিন দিনেই প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। ইতোমধ্যেই বাজারে এর প্রভাব পরতে শুরু করেছে। আগামী দিনগুলোতে সরবরাহ আরও বাড়বে।”
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সালেহ মোহাম্মাদ আবদুল্লাহ বলেন, আমরা বাজারগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করছি। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লেও লক্ষ্য হচ্ছে যেন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন। বাজারে ইতোমধ্যেই কেজি প্রতি ৬ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। সামনে আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে পারছে না। প্রতি বছর চাহিদার বড় অংশ ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। ভোমরা বন্দর দিয়ে নিয়মিত পেঁয়াজ আসায় সরবরাহ বাড়ছে, দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে এবং ভোক্তারা স্বস্তি পাচ্ছেন।