ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

প্রতারক চক্র শিমুর বিরুদ্ধে আলামিন শিপনকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

গাজীপুরের টঙ্গীতে পূর্ব থানায় দায়েরকৃত মামলায় প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাফিজা আক্তার (শিমু) বিরুদ্ধে আলামিন  শিপনকে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি— প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোসাঃ রাফিজা আক্তার( শিমু) ব্যবসায়ী আলামিন শিপনকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে দেন। উদ্দেশ্য ছিল মোটা অংকের অর্থ আদায়।

ভুক্তভোগী শিপন জানান, শিমুর ছোট ভাই তার বাসায় ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন। সেই সুবাদে শিমু ও তার স্বামী শরীফুল ইসলাম শিপনের কাছে ১২ লক্ষ টাকা ধার চান এবং ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ও একটি চেক রেখে দেন। কিন্তু টাকা ফেরতের সময় হলে তারা হঠাৎ করেই বাসা ছেড়ে উধাও হয়ে যান।

টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো শিপনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয় (মামলা নং-০২, তারিখ ০১/১১/২০২৪)। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৩০ অক্টোবর সকাল ৯:৩০টায় শিপন শিমুকে ধর্ষণ করেন।

কিন্তু অভিযোগের সময়সূচি নিয়েই বেরিয়ে আসে বিস্ময়কর তথ্য। এজাহারে বলা হয়, ৩০ অক্টোবর সকালে শিপন বাসায় একা পেয়ে শিমুকে ধর্ষণ করেন। অথচ শিপনের দাবি, তিনি ২৯ অক্টোবর সন্ধায় ফ্লাইটে চট্টগ্রামে যায় ব্যবসার কাজে সেখান থেকে ফেরেন এক সপ্তাহ পরে। বিষয়টি প্রমাণে বিমান টিকিট, ভিসা ও পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে।

থানা সূত্রে এটাও জানা যায়,মোসাঃ রাফিজা আক্তার শিমু প্রথমে ১০ লাখ টাকা শিপনের কাছে পায় এই মর্মে অভিযোগ করেন।পরবর্তী আবার সে ধর্ষন মামলা করেন

মামলার বিষয়ে কিছু না জেনেই শিপন প্রায় ৭ মাস পর গ্রেফতার হন। পরে আদালতে প্রমাণাদি জমা দিলে বিচারক মামলার অসত্যতা বুঝতে পেরে ৯ দিন কারাভোগের পর ১,০০০ টাকার বন্ডে জামিন দেন।

অভিযোগ আছে, প্রতারক রাফিজা আক্তার শিমু বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

ভুক্তভোগী আলামিন শিপন ইতোমধ্যেই গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার, মানবাধিকার সংগঠন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে কোনো প্রতিকার না পেলে তিনি সুপ্রিম কোর্টে রিট করবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয় থানা কতৃপক্ষের সাথে কথা বললে,তারা ঘুষ চাওয়া বিষয় টা অস্বীকার করে বলে,কারো কাছে কোনো টাকা চাওয়া হয়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

প্রতারক চক্র শিমুর বিরুদ্ধে আলামিন শিপনকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:২৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে পূর্ব থানায় দায়েরকৃত মামলায় প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাফিজা আক্তার (শিমু) বিরুদ্ধে আলামিন  শিপনকে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি— প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোসাঃ রাফিজা আক্তার( শিমু) ব্যবসায়ী আলামিন শিপনকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে দেন। উদ্দেশ্য ছিল মোটা অংকের অর্থ আদায়।

ভুক্তভোগী শিপন জানান, শিমুর ছোট ভাই তার বাসায় ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন। সেই সুবাদে শিমু ও তার স্বামী শরীফুল ইসলাম শিপনের কাছে ১২ লক্ষ টাকা ধার চান এবং ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ও একটি চেক রেখে দেন। কিন্তু টাকা ফেরতের সময় হলে তারা হঠাৎ করেই বাসা ছেড়ে উধাও হয়ে যান।

টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো শিপনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয় (মামলা নং-০২, তারিখ ০১/১১/২০২৪)। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৩০ অক্টোবর সকাল ৯:৩০টায় শিপন শিমুকে ধর্ষণ করেন।

কিন্তু অভিযোগের সময়সূচি নিয়েই বেরিয়ে আসে বিস্ময়কর তথ্য। এজাহারে বলা হয়, ৩০ অক্টোবর সকালে শিপন বাসায় একা পেয়ে শিমুকে ধর্ষণ করেন। অথচ শিপনের দাবি, তিনি ২৯ অক্টোবর সন্ধায় ফ্লাইটে চট্টগ্রামে যায় ব্যবসার কাজে সেখান থেকে ফেরেন এক সপ্তাহ পরে। বিষয়টি প্রমাণে বিমান টিকিট, ভিসা ও পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে।

থানা সূত্রে এটাও জানা যায়,মোসাঃ রাফিজা আক্তার শিমু প্রথমে ১০ লাখ টাকা শিপনের কাছে পায় এই মর্মে অভিযোগ করেন।পরবর্তী আবার সে ধর্ষন মামলা করেন

মামলার বিষয়ে কিছু না জেনেই শিপন প্রায় ৭ মাস পর গ্রেফতার হন। পরে আদালতে প্রমাণাদি জমা দিলে বিচারক মামলার অসত্যতা বুঝতে পেরে ৯ দিন কারাভোগের পর ১,০০০ টাকার বন্ডে জামিন দেন।

অভিযোগ আছে, প্রতারক রাফিজা আক্তার শিমু বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

ভুক্তভোগী আলামিন শিপন ইতোমধ্যেই গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার, মানবাধিকার সংগঠন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে কোনো প্রতিকার না পেলে তিনি সুপ্রিম কোর্টে রিট করবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয় থানা কতৃপক্ষের সাথে কথা বললে,তারা ঘুষ চাওয়া বিষয় টা অস্বীকার করে বলে,কারো কাছে কোনো টাকা চাওয়া হয়নি।