ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা, পাসপোর্ট আটকে রাখা ও প্রাণনাশের হুমকি

সৌদি আরবে চাকরির ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুরের মোঃ সাইফুল ইসলাম (পিতা—মোঃ শফিকুর রহমান, মাতা—রেবু বেগম) তার বন্ধু মোঃ ইসমাইল (বর্তমানে সৌদি আরবে) এর মাধ্যমে হৃদয় মিয়া (২৫) ও মোঃ ওয়ালী আহাদ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন।
অভিযুক্তদের পরিচয় ১. হৃদয় মিয়া — পিতা: মনসুর, মাতা: জরিনা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা: হাউস-৩২৭/১, ওয়ার্ড নং-০৬, জিয়ানগর, কেরানীগঞ্জ মডেল, শাক্তা, ঢাকা। জন্ম তারিখ: ০২ জানুয়ারি ১৯৯৯, জন্মস্থান: ঢাকা, পাসপোর্ট নং: A01069812, ইস্যুর তারিখ: ২৯ জুন ২০২১, মেয়াদ: ২৮ জুন ২০৩১, প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ: DIP/DHAKA। জরুরি যোগাযোগ: মনসুর (পিতা), মোবাইল: । ২. মোঃ ওয়ালী আহাদ — এম্বাসি প্রতিনিধি, টপটেন ওভারসিজ লিমিটেড, ঠিকানা: ১০৫/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তারা ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামসহ আরও তিনজনের কাছ থেকে মোট ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন এবং তাদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে রাখেন। টাকা দেওয়ার রসিদ ও বিকাশ লেনদেনের কপি ভুক্তভোগীদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভিসা না দিয়ে, পাসপোর্ট ফেরত দিতে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে একাধিকবার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সাংবাদিকদের সামনেও হুমকি ভুক্তভোগীরা কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে ভিডিও সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর প্রতারক হৃদয় মিয়া মোবাইলে হুমকি দিয়ে বলেন—
“আমি ভারত হয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যাব, তারপর বিদেশে চলে যাব। প্রশাসন-সাংবাদিক কেউ আমার কিছু করতে পারবে না, তোদের টাকা দিব না, বরং আরও সমস্যা করব।”
অভিযুক্তের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব না হলে তার বাবা মনসুর সাংবাদিকদের বলেন—
“আমি কখনো চাই না আমার ছেলে কারো টাকা মেরে দিক। যদি আমার ছেলে এমন কিছু করে থাকে, তাহলে অবশ্যই বসে সমাধান করা দরকার। আর অন্যায় করলে শাস্তি হওয়া উচিত।”
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক পাসপোর্ট উদ্ধারের, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ফেরতের এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা, পাসপোর্ট আটকে রাখা ও প্রাণনাশের হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক সৌদি আরবে চাকরির ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুরের মোঃ সাইফুল ইসলাম (পিতা—মোঃ শফিকুর রহমান, মাতা—রেবু বেগম) তার বন্ধু মোঃ ইসমাইল (বর্তমানে সৌদি আরবে) এর মাধ্যমে হৃদয় মিয়া (২৫) ও মোঃ ওয়ালী আহাদ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন।
অভিযুক্তদের পরিচয় ১. হৃদয় মিয়া — পিতা: মনসুর, মাতা: জরিনা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা: হাউস-৩২৭/১, ওয়ার্ড নং-০৬, জিয়ানগর, কেরানীগঞ্জ মডেল, শাক্তা, ঢাকা। জন্ম তারিখ: ০২ জানুয়ারি ১৯৯৯, জন্মস্থান: ঢাকা, পাসপোর্ট নং: A01069812, ইস্যুর তারিখ: ২৯ জুন ২০২১, মেয়াদ: ২৮ জুন ২০৩১, প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ: DIP/DHAKA। জরুরি যোগাযোগ: মনসুর (পিতা), মোবাইল: । ২. মোঃ ওয়ালী আহাদ — এম্বাসি প্রতিনিধি, টপটেন ওভারসিজ লিমিটেড, ঠিকানা: ১০৫/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তারা ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামসহ আরও তিনজনের কাছ থেকে মোট ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন এবং তাদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে রাখেন। টাকা দেওয়ার রসিদ ও বিকাশ লেনদেনের কপি ভুক্তভোগীদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভিসা না দিয়ে, পাসপোর্ট ফেরত দিতে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে একাধিকবার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সাংবাদিকদের সামনেও হুমকি ভুক্তভোগীরা কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে ভিডিও সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর প্রতারক হৃদয় মিয়া মোবাইলে হুমকি দিয়ে বলেন—
“আমি ভারত হয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যাব, তারপর বিদেশে চলে যাব। প্রশাসন-সাংবাদিক কেউ আমার কিছু করতে পারবে না, তোদের টাকা দিব না, বরং আরও সমস্যা করব।”
অভিযুক্তের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব না হলে তার বাবা মনসুর সাংবাদিকদের বলেন—
“আমি কখনো চাই না আমার ছেলে কারো টাকা মেরে দিক। যদি আমার ছেলে এমন কিছু করে থাকে, তাহলে অবশ্যই বসে সমাধান করা দরকার। আর অন্যায় করলে শাস্তি হওয়া উচিত।”
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক পাসপোর্ট উদ্ধারের, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ফেরতের এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা, পাসপোর্ট আটকে রাখা ও প্রাণনাশের হুমকি

আপডেট সময় ০৩:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

সৌদি আরবে চাকরির ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুরের মোঃ সাইফুল ইসলাম (পিতা—মোঃ শফিকুর রহমান, মাতা—রেবু বেগম) তার বন্ধু মোঃ ইসমাইল (বর্তমানে সৌদি আরবে) এর মাধ্যমে হৃদয় মিয়া (২৫) ও মোঃ ওয়ালী আহাদ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন।
অভিযুক্তদের পরিচয় ১. হৃদয় মিয়া — পিতা: মনসুর, মাতা: জরিনা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা: হাউস-৩২৭/১, ওয়ার্ড নং-০৬, জিয়ানগর, কেরানীগঞ্জ মডেল, শাক্তা, ঢাকা। জন্ম তারিখ: ০২ জানুয়ারি ১৯৯৯, জন্মস্থান: ঢাকা, পাসপোর্ট নং: A01069812, ইস্যুর তারিখ: ২৯ জুন ২০২১, মেয়াদ: ২৮ জুন ২০৩১, প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ: DIP/DHAKA। জরুরি যোগাযোগ: মনসুর (পিতা), মোবাইল: । ২. মোঃ ওয়ালী আহাদ — এম্বাসি প্রতিনিধি, টপটেন ওভারসিজ লিমিটেড, ঠিকানা: ১০৫/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তারা ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামসহ আরও তিনজনের কাছ থেকে মোট ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন এবং তাদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে রাখেন। টাকা দেওয়ার রসিদ ও বিকাশ লেনদেনের কপি ভুক্তভোগীদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভিসা না দিয়ে, পাসপোর্ট ফেরত দিতে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে একাধিকবার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সাংবাদিকদের সামনেও হুমকি ভুক্তভোগীরা কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে ভিডিও সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর প্রতারক হৃদয় মিয়া মোবাইলে হুমকি দিয়ে বলেন—
“আমি ভারত হয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যাব, তারপর বিদেশে চলে যাব। প্রশাসন-সাংবাদিক কেউ আমার কিছু করতে পারবে না, তোদের টাকা দিব না, বরং আরও সমস্যা করব।”
অভিযুক্তের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব না হলে তার বাবা মনসুর সাংবাদিকদের বলেন—
“আমি কখনো চাই না আমার ছেলে কারো টাকা মেরে দিক। যদি আমার ছেলে এমন কিছু করে থাকে, তাহলে অবশ্যই বসে সমাধান করা দরকার। আর অন্যায় করলে শাস্তি হওয়া উচিত।”
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক পাসপোর্ট উদ্ধারের, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ফেরতের এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা, পাসপোর্ট আটকে রাখা ও প্রাণনাশের হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক সৌদি আরবে চাকরির ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুরের মোঃ সাইফুল ইসলাম (পিতা—মোঃ শফিকুর রহমান, মাতা—রেবু বেগম) তার বন্ধু মোঃ ইসমাইল (বর্তমানে সৌদি আরবে) এর মাধ্যমে হৃদয় মিয়া (২৫) ও মোঃ ওয়ালী আহাদ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন।
অভিযুক্তদের পরিচয় ১. হৃদয় মিয়া — পিতা: মনসুর, মাতা: জরিনা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা: হাউস-৩২৭/১, ওয়ার্ড নং-০৬, জিয়ানগর, কেরানীগঞ্জ মডেল, শাক্তা, ঢাকা। জন্ম তারিখ: ০২ জানুয়ারি ১৯৯৯, জন্মস্থান: ঢাকা, পাসপোর্ট নং: A01069812, ইস্যুর তারিখ: ২৯ জুন ২০২১, মেয়াদ: ২৮ জুন ২০৩১, প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ: DIP/DHAKA। জরুরি যোগাযোগ: মনসুর (পিতা), মোবাইল: । ২. মোঃ ওয়ালী আহাদ — এম্বাসি প্রতিনিধি, টপটেন ওভারসিজ লিমিটেড, ঠিকানা: ১০৫/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তারা ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামসহ আরও তিনজনের কাছ থেকে মোট ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন এবং তাদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে রাখেন। টাকা দেওয়ার রসিদ ও বিকাশ লেনদেনের কপি ভুক্তভোগীদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভিসা না দিয়ে, পাসপোর্ট ফেরত দিতে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে একাধিকবার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সাংবাদিকদের সামনেও হুমকি ভুক্তভোগীরা কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে ভিডিও সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর প্রতারক হৃদয় মিয়া মোবাইলে হুমকি দিয়ে বলেন—
“আমি ভারত হয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যাব, তারপর বিদেশে চলে যাব। প্রশাসন-সাংবাদিক কেউ আমার কিছু করতে পারবে না, তোদের টাকা দিব না, বরং আরও সমস্যা করব।”
অভিযুক্তের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব না হলে তার বাবা মনসুর সাংবাদিকদের বলেন—
“আমি কখনো চাই না আমার ছেলে কারো টাকা মেরে দিক। যদি আমার ছেলে এমন কিছু করে থাকে, তাহলে অবশ্যই বসে সমাধান করা দরকার। আর অন্যায় করলে শাস্তি হওয়া উচিত।”
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক পাসপোর্ট উদ্ধারের, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ফেরতের এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।