সংবাদ শিরোনাম ::
৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি রাজবাড়ীর কালুখালীতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস তরুণদের প্রলোভনে ফাঁদ, ‘অতিথি ডটকম’-এর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হার, কাঁদতে কাঁদতে যা বললেন নেইমার

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭১৩ বার পড়া হয়েছে

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে ও বড় হার। ম্যাচ শেষে তাই আবেগ সামাল দিতে পারলেন না নেইমার দ্য সিলভা জুনিয়র। মাঠে বসেই কাঁদতে শুরু করলেন ব্রাজিল তারকা। কয়েকজন এগিয়ে এসে চেষ্টা করলেন সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু একটু আগে যে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হারের সাক্ষী হলেন, তিনি কি খুব সহজে এই দুঃখ ভুলতে পারেন!

বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ৬–০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে নেইমারের সান্তোস।

ব্রাজিলিয়ান লিগ সিরি আ’র এই ম্যাচে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি নেইমারের দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য একটি গোল খায় সান্তোস। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ভাস্কো দা গামা একে একে পাঁচবার বল জড়ায় নেইমারদের জালে।

এই ম্যাচের আগে নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হার ছিল ৪–০ গোলের। ২০১১ সালে সান্তোসে খেলার সময় বার্সেলোনার বিপক্ষে (ক্লাব বিশ্বকাপের ম্যাচ) এবং ২০১৭ সালে বার্সেলোনায় খেলার সময় পিএসজির বিপক্ষে (চ্যাম্পিয়নস লিগে) এমন হারের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু এদিন সেই দুই হারও যে পেছনে পড়ে গেল। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল জার্মানির কাছে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত হলেও সে ম্যাচে চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার।

এদিন ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই সবার চোখ ছিল নেইমার ও তার জাতীয় দল সতীর্থ ফিলিপে কুতিনহোর দিকে। নেইমার প্রতিনিধিত্ব করছিলেন সান্তোসের আর কুতিনহো ভাস্কো দা গামার।

মাঠের লড়াইয়ে কুতিনহোর দলের সামনে নেইমাররা যে দাঁড়াতেই পারেননি, সেটি স্কোরলাইন-ই বলে দিচ্ছে। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও এই ম্যাচে জয় হয়েছে কুতিনহোরই। ভাস্কো দা গামার ৬ গোলের দুটিই এসেছে সাবেক লিভারপুল ও বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের পা থেকে। গোল দুটি হয় ম্যাচের ৫৪ ও ৬২ মিনিটে।

দুর্দান্ত এই জয়ে অনেকটাই উপরে উঠে এসেছে ভাস্কো দা গামা। ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বর অবস্থানে আছে তারা। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে ২১ পয়েন্ট নিয়ে সান্তোস আছে ১৫ নম্বরে।

ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, ‘আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্সে আমি সম্পূর্ণ হতাশ। সমর্থকদের প্রতিবাদের পুরোপুরি অধিকার আছে, অবশ্যই সহিংসতা পরিহার করে। তারা যদি গালি দেয় বা অপমান করে, সেটারও অধিকার তাদের আছে।’

নেইমারের ভাষায়, ‘এটা চরম লজ্জার অনুভূতি। জীবনে কখনো এমনটা হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত এবার হলো। কান্না এসেছিল রাগ থেকে, যা ঘটেছে সবকিছুর জন্য। দুর্ভাগ্যবশত আমি সবদিক দিয়ে সাহায্য করতে পারি না। যা–ই হোক, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একেবারে বাজে, এটাই বাস্তবতা।’

 

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হার, কাঁদতে কাঁদতে যা বললেন নেইমার

আপডেট সময় ০১:২২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে ও বড় হার। ম্যাচ শেষে তাই আবেগ সামাল দিতে পারলেন না নেইমার দ্য সিলভা জুনিয়র। মাঠে বসেই কাঁদতে শুরু করলেন ব্রাজিল তারকা। কয়েকজন এগিয়ে এসে চেষ্টা করলেন সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু একটু আগে যে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হারের সাক্ষী হলেন, তিনি কি খুব সহজে এই দুঃখ ভুলতে পারেন!

বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ৬–০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে নেইমারের সান্তোস।

ব্রাজিলিয়ান লিগ সিরি আ’র এই ম্যাচে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি নেইমারের দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য একটি গোল খায় সান্তোস। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ভাস্কো দা গামা একে একে পাঁচবার বল জড়ায় নেইমারদের জালে।

এই ম্যাচের আগে নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হার ছিল ৪–০ গোলের। ২০১১ সালে সান্তোসে খেলার সময় বার্সেলোনার বিপক্ষে (ক্লাব বিশ্বকাপের ম্যাচ) এবং ২০১৭ সালে বার্সেলোনায় খেলার সময় পিএসজির বিপক্ষে (চ্যাম্পিয়নস লিগে) এমন হারের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু এদিন সেই দুই হারও যে পেছনে পড়ে গেল। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল জার্মানির কাছে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত হলেও সে ম্যাচে চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার।

এদিন ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই সবার চোখ ছিল নেইমার ও তার জাতীয় দল সতীর্থ ফিলিপে কুতিনহোর দিকে। নেইমার প্রতিনিধিত্ব করছিলেন সান্তোসের আর কুতিনহো ভাস্কো দা গামার।

মাঠের লড়াইয়ে কুতিনহোর দলের সামনে নেইমাররা যে দাঁড়াতেই পারেননি, সেটি স্কোরলাইন-ই বলে দিচ্ছে। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও এই ম্যাচে জয় হয়েছে কুতিনহোরই। ভাস্কো দা গামার ৬ গোলের দুটিই এসেছে সাবেক লিভারপুল ও বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের পা থেকে। গোল দুটি হয় ম্যাচের ৫৪ ও ৬২ মিনিটে।

দুর্দান্ত এই জয়ে অনেকটাই উপরে উঠে এসেছে ভাস্কো দা গামা। ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বর অবস্থানে আছে তারা। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে ২১ পয়েন্ট নিয়ে সান্তোস আছে ১৫ নম্বরে।

ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, ‘আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্সে আমি সম্পূর্ণ হতাশ। সমর্থকদের প্রতিবাদের পুরোপুরি অধিকার আছে, অবশ্যই সহিংসতা পরিহার করে। তারা যদি গালি দেয় বা অপমান করে, সেটারও অধিকার তাদের আছে।’

নেইমারের ভাষায়, ‘এটা চরম লজ্জার অনুভূতি। জীবনে কখনো এমনটা হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত এবার হলো। কান্না এসেছিল রাগ থেকে, যা ঘটেছে সবকিছুর জন্য। দুর্ভাগ্যবশত আমি সবদিক দিয়ে সাহায্য করতে পারি না। যা–ই হোক, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একেবারে বাজে, এটাই বাস্তবতা।’