ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

নকলায় আদালতে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন 

১৫ আগষ্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় নকলা পৌরসভার কায়দা মহল্লায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শফিউল্লাহ স্থানীয় মৃত হাতেম আলীর ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে শফিউল্লাহ জানান আমার স্বত্ত্বদখলীয় জমিতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেআইনীভাবে অনুপ্রবেশ করে বেদখলের চেষ্টা এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় আমি আমার সহোদর বড় ভাই নেছার উদ্দিন, আবুল কালাম, আবু সালেহ, আকাব্বর মিয়া ও রফিকুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে শান্তি ও নিরাপত্তার ল¶্যে গত ০৩/০৬/২০২৫ ইং তারিখে শেরপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা মোতাবেক একটি পিটিশন (পিটিশন নম্বর-২৪৪/২০২৫) দাখিল করি।পরবর্তীতে আদালত পিটিশনটি সহকারি কমিশনার (ভূমি) নকলাকে দখল বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদেশ প্রদান করেন। সহকারি কমিশনার (ভূমি) বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য  দায়িত্ব দেন গনপদ্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হককে। কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক বিবাদীদের সাথে যোগসাজস করে সংঘবদ্ধ জুটি তৈরি করে নগদ টাকার বিনিময়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে  প্রেরণ করেন। এই প্রতিবেদনের কোন ভিত্তি নেই। ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক তার তদন্তে অনিয়ম ও দূর্নীতি করেছেন। আমি এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হকের মিথ্যা ও কাল্পনিক তদন্ত প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং মিথ্যা ও কাল্পনিক তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

পিটিশনের বিবাদী প¶ের আবুল কালাম জানান শফিউল্লাহ আমার ছোট ভাই। আমাদের সাথে তার জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। কিন্তু আমাদের ভাইদের বিরুদ্ধে আদালতে জমিসংক্রান্ত যে পিটিশন দাখিল করেছে তার কোন ভিত্তি নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও আমাদের হয়রানি করা জন্য এটা করেছে।গণপদ্দী ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক জানান কায়দা এলাকার শফিউল্লাহ আদালতে একটি জমিসংক্রান্ত অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে আদালত এসিল্যান্ড স্যারকে বিষয়টি তদন্তের আদেশ দিলে স্যার তদন্তের দায়িত্বভার আমার উপর দেন। আমি সরেজমিন গিয়ে প্রকাশ্যে তদন্ত করি। তদন্তে যা পেয়েছি তাই আমার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি। টাকার বিনিময়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক প্রতিবেদন দাখিলের যে অভিযোগ শফিউল্লাহ করেছেন তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন অ্যানি জানান আমি নতুন এসেছি। তাই বিষয়টি সম্পর্কে জানিনা। নথিপত্র দেখলে বুঝতে পারব।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নকলায় আদালতে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন 

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

১৫ আগষ্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় নকলা পৌরসভার কায়দা মহল্লায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শফিউল্লাহ স্থানীয় মৃত হাতেম আলীর ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে শফিউল্লাহ জানান আমার স্বত্ত্বদখলীয় জমিতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেআইনীভাবে অনুপ্রবেশ করে বেদখলের চেষ্টা এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় আমি আমার সহোদর বড় ভাই নেছার উদ্দিন, আবুল কালাম, আবু সালেহ, আকাব্বর মিয়া ও রফিকুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে শান্তি ও নিরাপত্তার ল¶্যে গত ০৩/০৬/২০২৫ ইং তারিখে শেরপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা মোতাবেক একটি পিটিশন (পিটিশন নম্বর-২৪৪/২০২৫) দাখিল করি।পরবর্তীতে আদালত পিটিশনটি সহকারি কমিশনার (ভূমি) নকলাকে দখল বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদেশ প্রদান করেন। সহকারি কমিশনার (ভূমি) বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য  দায়িত্ব দেন গনপদ্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হককে। কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক বিবাদীদের সাথে যোগসাজস করে সংঘবদ্ধ জুটি তৈরি করে নগদ টাকার বিনিময়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে  প্রেরণ করেন। এই প্রতিবেদনের কোন ভিত্তি নেই। ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক তার তদন্তে অনিয়ম ও দূর্নীতি করেছেন। আমি এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হকের মিথ্যা ও কাল্পনিক তদন্ত প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং মিথ্যা ও কাল্পনিক তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

পিটিশনের বিবাদী প¶ের আবুল কালাম জানান শফিউল্লাহ আমার ছোট ভাই। আমাদের সাথে তার জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। কিন্তু আমাদের ভাইদের বিরুদ্ধে আদালতে জমিসংক্রান্ত যে পিটিশন দাখিল করেছে তার কোন ভিত্তি নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও আমাদের হয়রানি করা জন্য এটা করেছে।গণপদ্দী ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক জানান কায়দা এলাকার শফিউল্লাহ আদালতে একটি জমিসংক্রান্ত অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে আদালত এসিল্যান্ড স্যারকে বিষয়টি তদন্তের আদেশ দিলে স্যার তদন্তের দায়িত্বভার আমার উপর দেন। আমি সরেজমিন গিয়ে প্রকাশ্যে তদন্ত করি। তদন্তে যা পেয়েছি তাই আমার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি। টাকার বিনিময়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক প্রতিবেদন দাখিলের যে অভিযোগ শফিউল্লাহ করেছেন তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন অ্যানি জানান আমি নতুন এসেছি। তাই বিষয়টি সম্পর্কে জানিনা। নথিপত্র দেখলে বুঝতে পারব।