ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

সাভারের রাস্তা নয়, যেন কাদার খাল! জনদুর্ভোগে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ, প্রশাসনের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ

বছরের পর বছর সংস্কারহীন রাস্তায় চলাচল করছে হাজারো মানুষ — বৃষ্টিতে কাদা ও পানি জমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, জনপ্রতিনিধিদের খোঁজ নেই।

সাভার উপজেলার কমলাপুর রাজারবাগ এলাকার রাস্তাগুলোর অবস্থা অত্যন্ত করুণ ও জনদুর্ভোগপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
এই অঞ্চলের প্রধান চলাচলের রাস্তা এখন কাদা আর পানির স্রোতে পরিণত হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা জমে যায়। স্কুলপড়ুয়া শিশু, কর্মজীবী মানুষ এমনকি রোগী বহনকারী যানবাহনও এই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসী রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত ও জমে থাকা পানি পথচারীদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
একজন বৃদ্ধ পথচারী বলেন, “এই বয়সে আর কত দূর হাঁটবো, কাদা থেকে যেন পা-ই তোলা যায় না।”
এক গৃহবধূ জানান, “বাচ্চাকে কোলে নিয়ে স্কুলে নিতে ভয় লাগে, কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়েই যায়।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা শুধুমাত্র ভোটের সময় এলাকায় এসে প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু নির্বাচনের পর আর ফিরে তাকান না।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশত মানুষ চলাচল করে, অথচ তাদের ন্যূনতম নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ নেই।

তাদের দাবি—
– অবিলম্বে রাস্তা পাকা করার প্রকল্প নেওয়া হোক
– স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক
– উন্নয়ন কাজে এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করা হোক

জনস্বার্থে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান জরুরি, না হলে মানুষকে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সাভারের রাস্তা নয়, যেন কাদার খাল! জনদুর্ভোগে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ, প্রশাসনের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ

আপডেট সময় ১২:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

বছরের পর বছর সংস্কারহীন রাস্তায় চলাচল করছে হাজারো মানুষ — বৃষ্টিতে কাদা ও পানি জমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, জনপ্রতিনিধিদের খোঁজ নেই।

সাভার উপজেলার কমলাপুর রাজারবাগ এলাকার রাস্তাগুলোর অবস্থা অত্যন্ত করুণ ও জনদুর্ভোগপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
এই অঞ্চলের প্রধান চলাচলের রাস্তা এখন কাদা আর পানির স্রোতে পরিণত হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা জমে যায়। স্কুলপড়ুয়া শিশু, কর্মজীবী মানুষ এমনকি রোগী বহনকারী যানবাহনও এই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসী রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত ও জমে থাকা পানি পথচারীদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
একজন বৃদ্ধ পথচারী বলেন, “এই বয়সে আর কত দূর হাঁটবো, কাদা থেকে যেন পা-ই তোলা যায় না।”
এক গৃহবধূ জানান, “বাচ্চাকে কোলে নিয়ে স্কুলে নিতে ভয় লাগে, কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়েই যায়।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা শুধুমাত্র ভোটের সময় এলাকায় এসে প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু নির্বাচনের পর আর ফিরে তাকান না।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশত মানুষ চলাচল করে, অথচ তাদের ন্যূনতম নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ নেই।

তাদের দাবি—
– অবিলম্বে রাস্তা পাকা করার প্রকল্প নেওয়া হোক
– স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক
– উন্নয়ন কাজে এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করা হোক

জনস্বার্থে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান জরুরি, না হলে মানুষকে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা।