ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

হোসেনপুরে জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে ৫ কোটি টাকার ফসল ২০ পরিবার পানিবন্দি

জান্নাতুল রাফি প্রিমু,  ঃ
গত কযকে দিনের ভারি বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার উত্তর সুরাটি গ্রামে ১শ একর জমির ৫ কোটি টকার ফসল তলিয়ে গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পানের বরজ, মাছের ফিশারী, পোল্ট্রি ফার্ম সহ বহু ফসলের জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে এবং ২০ পরিবার পানিবন্দি হযয়ে পডছেন। । বৃষ্টি থেমে যাওযার পরেও ঐ জমি থেকে নামছে না পানি। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ফসলি জমিতে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থেকে কচুরীপানা দানাবেধে একাকার হয়ে যায়। ফলে ২ কোটি টাকার পানের বরজ পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক হযরত মিযা, মতি মিয়া, আজম মিয়া, মজলু মিয়া, মাহন মিয়া কান্না জড়িত কন্ঠে জানান তাদের ১০ একর জমিতে পানের বরজ জলাবদ্ধতায় সর্ম্পুন মরে যাওয়ায় প্রায় ২ কোটি টাকার পান লোকশান হওয়ায় তারা এখন দিশেহারা।
অন্যদিকে পানিতে ডুবে বাছির মিয়া, আলমগীর মিয়া, খোকন মিয়া, মজলু ও আরমান মিয়ার ২০ একর জমিতে থাকা ফিশারীজ এর মাছ বের হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হযছেন। পানির জলাবদ্ধতায় ২০টা পরিবারের অর্ধশত লোক পানিবন্দী।
এ ছাড়াপও ভোক্তভোগী কৃষকরা জানিয়েছেন জলাবদ্ধতায় প্রায় ৭০ একর ফসলি জমিতে ৩/৪ ফুট পানি থাকায় আমন ধান লাগানোর সময় চলে গেলেও এখনো তারা চাষ করতে পারছেন না। অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে আমন চাষে প্রস্তোুতি নিয়েও এ জমিতে অতিরিক্ত পানির জন্য আমন ফসল লাগাতে না পারলে ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে উপুস থাকতে হবে। কৃষক মজলু মিয়া জানান, প্রায় ১শ বছর ধরে এ এলাকার পানি একটি কালভার্টের মাধ্যমে নিস্কাষন হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে একজন লোক কার্লভাটের মুখের জমি ক্রয় করে মাটি কেটে উচু করে ফেলায় পানি নিস্কাষন বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের জন্য রতন মিয়া এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এ বিষয়ে ইউএনও স্থানীয় সিদলা ইউপিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বললেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কিন্তু এতেও এখনো প্রতিকার হয়নি। তাই দ্রæত সময়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষযয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাজাহান কবির বলেন, জলাবদ্ধতা বিষযয়ে আমি অবগত নই, তবে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ^াস প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা জানান, বিষয়িিট আমি অবগত আছি খুব দ্রæত পানি নিস্কাশনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেন গ্রহন করা হবে। তাছাড়া কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

হোসেনপুরে জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে ৫ কোটি টাকার ফসল ২০ পরিবার পানিবন্দি

আপডেট সময় ০৮:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

জান্নাতুল রাফি প্রিমু,  ঃ
গত কযকে দিনের ভারি বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার উত্তর সুরাটি গ্রামে ১শ একর জমির ৫ কোটি টকার ফসল তলিয়ে গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পানের বরজ, মাছের ফিশারী, পোল্ট্রি ফার্ম সহ বহু ফসলের জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে এবং ২০ পরিবার পানিবন্দি হযয়ে পডছেন। । বৃষ্টি থেমে যাওযার পরেও ঐ জমি থেকে নামছে না পানি। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ফসলি জমিতে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থেকে কচুরীপানা দানাবেধে একাকার হয়ে যায়। ফলে ২ কোটি টাকার পানের বরজ পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক হযরত মিযা, মতি মিয়া, আজম মিয়া, মজলু মিয়া, মাহন মিয়া কান্না জড়িত কন্ঠে জানান তাদের ১০ একর জমিতে পানের বরজ জলাবদ্ধতায় সর্ম্পুন মরে যাওয়ায় প্রায় ২ কোটি টাকার পান লোকশান হওয়ায় তারা এখন দিশেহারা।
অন্যদিকে পানিতে ডুবে বাছির মিয়া, আলমগীর মিয়া, খোকন মিয়া, মজলু ও আরমান মিয়ার ২০ একর জমিতে থাকা ফিশারীজ এর মাছ বের হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হযছেন। পানির জলাবদ্ধতায় ২০টা পরিবারের অর্ধশত লোক পানিবন্দী।
এ ছাড়াপও ভোক্তভোগী কৃষকরা জানিয়েছেন জলাবদ্ধতায় প্রায় ৭০ একর ফসলি জমিতে ৩/৪ ফুট পানি থাকায় আমন ধান লাগানোর সময় চলে গেলেও এখনো তারা চাষ করতে পারছেন না। অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে আমন চাষে প্রস্তোুতি নিয়েও এ জমিতে অতিরিক্ত পানির জন্য আমন ফসল লাগাতে না পারলে ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে উপুস থাকতে হবে। কৃষক মজলু মিয়া জানান, প্রায় ১শ বছর ধরে এ এলাকার পানি একটি কালভার্টের মাধ্যমে নিস্কাষন হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে একজন লোক কার্লভাটের মুখের জমি ক্রয় করে মাটি কেটে উচু করে ফেলায় পানি নিস্কাষন বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের জন্য রতন মিয়া এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এ বিষয়ে ইউএনও স্থানীয় সিদলা ইউপিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বললেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কিন্তু এতেও এখনো প্রতিকার হয়নি। তাই দ্রæত সময়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষযয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাজাহান কবির বলেন, জলাবদ্ধতা বিষযয়ে আমি অবগত নই, তবে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ^াস প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা জানান, বিষয়িিট আমি অবগত আছি খুব দ্রæত পানি নিস্কাশনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেন গ্রহন করা হবে। তাছাড়া কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।