ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

‘এক পিস মাল্টা ১০০ টাকা, এটা কোনো কথা

নির্দিষ্ট কোনো কারণ না থাকলেও রাজধানীতে ফলের বাজার চড়া। আপেল থেকে মাল্টা, নাশপাতি থেকে ড্রাগন—সব ফলের দামই বেড়েছে। মাঝারি সাইজের একটি মাল্টা কিনতে গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা, একই অবস্থা ডালিমেও।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া বারি-৪ জাতের আম এ সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১০০ টাকা কেজি দরের ঝিনুক আম এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। প্রতি পিস ছোট সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। গত সপ্তাহে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া মাল্টা সাইজভেদে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়ে এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়।

এ ছাড়া গত সপ্তাহে ৪২০ টাকায় বিক্রি হওয়া ডালিম কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। ৩০০ টাকা কেজিদরের কমলা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। ২৫০ টাকা কেজি দরের ছোট আপেল দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। গত সপ্তাহে ৩২০ টাকা দরের আপেল দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছ ৩৫০ টাকায়। গত সপ্তাহের ২৮০ টাকা দরের মাল্টা এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ৩৫০ টাকা কেজির লাল আঙুর বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ড্রাগন কেজিপ্রতি ৬০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি দরের পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

বাজারে ফল কিনতে আসা গৃহিণী লামিয়া আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাচ্চাদের জন্য কিছু ফল কিনতে এসেছি, কিন্তু দাম শুনে মাথা ঘুরে গেল। এক পিস মাল্টা ১০০ টাকা—এটা কোনো কথা!”

আরেক ক্রেতা মিজানুর রহমান বলেন, “গত সপ্তাহে ৫০০ টাকায় যে ফল বাসায় নিয়েছি, এই সপ্তাহে একই জিনিস নিতে লাগছে প্রায় ৭০০ টাকা। মাসের মাঝামাঝি বাজেট একেবারে গুলিয়ে যাচ্ছে।’’

ফলের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধি নিয়ে ভোক্তারা বলছেন, সরকার যদি বাজার মনিটরিং না বাড়ায়, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য ফল একেবারে ‘লাক্সারি’ পণ্য হয়ে যাবে।
বিক্রেতাদের দাবি, দাম বাড়ার পেছনে তাদের হাত নেই। মুগদার ফল ব্যবসায়ী নুর ইসলাম বলেন, “আমরাও চাই কম দামে বিক্রি করতে। কিন্তু পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে আসছে। পরিবহন খরচও অনেক বেশি।”

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

‘এক পিস মাল্টা ১০০ টাকা, এটা কোনো কথা

আপডেট সময় ১২:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

নির্দিষ্ট কোনো কারণ না থাকলেও রাজধানীতে ফলের বাজার চড়া। আপেল থেকে মাল্টা, নাশপাতি থেকে ড্রাগন—সব ফলের দামই বেড়েছে। মাঝারি সাইজের একটি মাল্টা কিনতে গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা, একই অবস্থা ডালিমেও।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া বারি-৪ জাতের আম এ সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১০০ টাকা কেজি দরের ঝিনুক আম এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। প্রতি পিস ছোট সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। গত সপ্তাহে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া মাল্টা সাইজভেদে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়ে এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়।

এ ছাড়া গত সপ্তাহে ৪২০ টাকায় বিক্রি হওয়া ডালিম কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। ৩০০ টাকা কেজিদরের কমলা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। ২৫০ টাকা কেজি দরের ছোট আপেল দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। গত সপ্তাহে ৩২০ টাকা দরের আপেল দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছ ৩৫০ টাকায়। গত সপ্তাহের ২৮০ টাকা দরের মাল্টা এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ৩৫০ টাকা কেজির লাল আঙুর বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ড্রাগন কেজিপ্রতি ৬০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি দরের পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

বাজারে ফল কিনতে আসা গৃহিণী লামিয়া আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাচ্চাদের জন্য কিছু ফল কিনতে এসেছি, কিন্তু দাম শুনে মাথা ঘুরে গেল। এক পিস মাল্টা ১০০ টাকা—এটা কোনো কথা!”

আরেক ক্রেতা মিজানুর রহমান বলেন, “গত সপ্তাহে ৫০০ টাকায় যে ফল বাসায় নিয়েছি, এই সপ্তাহে একই জিনিস নিতে লাগছে প্রায় ৭০০ টাকা। মাসের মাঝামাঝি বাজেট একেবারে গুলিয়ে যাচ্ছে।’’

ফলের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধি নিয়ে ভোক্তারা বলছেন, সরকার যদি বাজার মনিটরিং না বাড়ায়, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য ফল একেবারে ‘লাক্সারি’ পণ্য হয়ে যাবে।
বিক্রেতাদের দাবি, দাম বাড়ার পেছনে তাদের হাত নেই। মুগদার ফল ব্যবসায়ী নুর ইসলাম বলেন, “আমরাও চাই কম দামে বিক্রি করতে। কিন্তু পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে আসছে। পরিবহন খরচও অনেক বেশি।”