ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 
ছাত্র আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড

ফেনী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তপন গ্রেফতার

  • ফেনি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬০৫ বার পড়া হয়েছে

ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার মজুমদার তপনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শান্তি নগরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, রাজধানীর শান্তিনগর থেকে খায়রুল বাশার মজুমদার তপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গত বছরের ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সরকার পতনের একদফা কর্মসূচির সমর্থনে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থান নেয় ছাত্র-জনতা। দুপুর দেড়টার দিকে ট্রাংক রোড থেকে মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহিপাল ফ্লাইওভারের দিকে এগোতে থাকেন। এসময় মুহুর্মুহু গুলি, ককটেল বিস্ফোরণে শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের চারপাশ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। এসি মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে নির্বিচারে গুলি করতে করতে সামনে এগোতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। সেদিন মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে থেকে শুরু করে সার্কিট হাউস রোডের পাসপোর্ট অফিসের সামনে একে একে পড়ে ছিল শ্রাবণ, শিহাব, শাহীসহ ৭ জনের রক্তাক্ত মরদেহ। আহত হন শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, পথচারীসহ অন্তত তিন শতাধিক মানুষ।
জেলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় ২২টি মামলা হয়েছে। তার মধ্যে ৭টি হত্যা ও ১৫টি হত্যাচেষ্টা মামলা। এসব মামলায় ২ হাজার ১৯৯ জন এজাহারনামীয় এবং ৪ হাজার অজ্ঞাত আসামি রয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজারের বেশি আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ১১ জন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরইমধ্যে একটি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

ছাত্র আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড

ফেনী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তপন গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার মজুমদার তপনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শান্তি নগরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, রাজধানীর শান্তিনগর থেকে খায়রুল বাশার মজুমদার তপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গত বছরের ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সরকার পতনের একদফা কর্মসূচির সমর্থনে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থান নেয় ছাত্র-জনতা। দুপুর দেড়টার দিকে ট্রাংক রোড থেকে মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহিপাল ফ্লাইওভারের দিকে এগোতে থাকেন। এসময় মুহুর্মুহু গুলি, ককটেল বিস্ফোরণে শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের চারপাশ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। এসি মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে নির্বিচারে গুলি করতে করতে সামনে এগোতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। সেদিন মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে থেকে শুরু করে সার্কিট হাউস রোডের পাসপোর্ট অফিসের সামনে একে একে পড়ে ছিল শ্রাবণ, শিহাব, শাহীসহ ৭ জনের রক্তাক্ত মরদেহ। আহত হন শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, পথচারীসহ অন্তত তিন শতাধিক মানুষ।
জেলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় ২২টি মামলা হয়েছে। তার মধ্যে ৭টি হত্যা ও ১৫টি হত্যাচেষ্টা মামলা। এসব মামলায় ২ হাজার ১৯৯ জন এজাহারনামীয় এবং ৪ হাজার অজ্ঞাত আসামি রয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজারের বেশি আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ১১ জন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরইমধ্যে একটি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।