ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

প্রতি রাতে কান্না পায় : ঋতুপর্ণা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬২৫ বার পড়া হয়েছে

ওপার বাংলার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা মাকে হারিয়েছেন। প্রিয়জনের এমন আকস্মিক বিয়োগে শোকে মুহ্যমান তিনি। মাকে হারানোর পর তার ভেতরের কষ্ট, শূন্যতা এবং গভীর বিষাদের কথা তিনি তুলে ধরেছেন এক আবেগঘন চিঠিতে।

ঋতুপর্ণা বলেন, ‘এখনও তো অত বড় হইনি! তুমি চলে গেলে যে? এখনও তো আদর খেতে ইচ্ছে হয় আমার। কত দিন তুমি বকোনি আমায়। কত দিন তুমি ফোনের ওপারের সেই অভিমানী মা কোথায় হারিয়ে গেল আমার। বলো না, আমায় এভাবে রেখে চলে গেলে কেন? শূন্য হয়ে গেল সব ‘

‘কেউ বোঝে না আমায়, তোমার মতো। প্রতি রাতে কান্না পায়। চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে কিন্তু কাউকে বুঝতে দিই না। তুমি কি অভিমান করে এভাবে চলে গেলে? খুব একা লাগে এখন। অনেক না-বলা কথা রয়ে গেল। তোমার প্রিয় বারান্দা আছে ওখানে। যেখান থেকে একফালি আকাশ দেখা যায়।’

মায়ের সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্তগুলো তাকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে, কতটা একা তিনি এখন। ঋতুপর্ণা তার প্রিয় লেখকের বইয়ের কথা উল্লেখ করে মাকে জিজ্ঞাসা করছেন, ‘প্রিয় লেখক সমরেশ মজুমদার, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের বইগুলো ওখানে খুঁজে পেয়েছ তো? পরলোক কেমন মা? রাস্তাগুলো সুন্দর?’

ঋতুপর্ণা তার মাকে স্মরণ করে আরও লেখেন, ‘জীবনে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছো। কিন্তু আমাদের গায়ে আঁচ লাগতে দাওনি। সব একা সামলেছো।’
তার কথায়, ‘সব বাধ্যবাধকতা ছাড়িয়ে তুমি চলে গেলে! রাতের তারাদের মধ্যে তোমার ঠিকানা খুঁজি। যেখানে আমার এই চিঠি পৌঁছোবে। তোমার ঠিকানাটা আমাকে বলবে! তোমার কাছে যাব। তোমার আদর খেতে চাই। এখনও মনে পড়ে, তুমি আমার বাড়ির কার্নিশের পাখির বাসাটা বার বার দেখতে। পাখির ছানাগুলো কী করছে খেয়াল রাখতে।’

শেষে লিখেছেন, ‘শেষ মুহূর্তে আমার সঙ্গে কোনও কথাই তুমি বললে না। এখন তোমার ওই অপেক্ষার কথা খুব মনে পড়ে। কখন আমি আসব, সেই অপেক্ষা। আর হয়তো এই অনুভূতি হবে না কখনও। তুমি আমাদের ছাড়া ওখানে কেমন আছো? আমি একদম ভাল নেই। তুমি জেগে আছো তো! আমি আসছি।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

প্রতি রাতে কান্না পায় : ঋতুপর্ণা

আপডেট সময় ০৭:২৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

ওপার বাংলার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা মাকে হারিয়েছেন। প্রিয়জনের এমন আকস্মিক বিয়োগে শোকে মুহ্যমান তিনি। মাকে হারানোর পর তার ভেতরের কষ্ট, শূন্যতা এবং গভীর বিষাদের কথা তিনি তুলে ধরেছেন এক আবেগঘন চিঠিতে।

ঋতুপর্ণা বলেন, ‘এখনও তো অত বড় হইনি! তুমি চলে গেলে যে? এখনও তো আদর খেতে ইচ্ছে হয় আমার। কত দিন তুমি বকোনি আমায়। কত দিন তুমি ফোনের ওপারের সেই অভিমানী মা কোথায় হারিয়ে গেল আমার। বলো না, আমায় এভাবে রেখে চলে গেলে কেন? শূন্য হয়ে গেল সব ‘

‘কেউ বোঝে না আমায়, তোমার মতো। প্রতি রাতে কান্না পায়। চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে কিন্তু কাউকে বুঝতে দিই না। তুমি কি অভিমান করে এভাবে চলে গেলে? খুব একা লাগে এখন। অনেক না-বলা কথা রয়ে গেল। তোমার প্রিয় বারান্দা আছে ওখানে। যেখান থেকে একফালি আকাশ দেখা যায়।’

মায়ের সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্তগুলো তাকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে, কতটা একা তিনি এখন। ঋতুপর্ণা তার প্রিয় লেখকের বইয়ের কথা উল্লেখ করে মাকে জিজ্ঞাসা করছেন, ‘প্রিয় লেখক সমরেশ মজুমদার, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের বইগুলো ওখানে খুঁজে পেয়েছ তো? পরলোক কেমন মা? রাস্তাগুলো সুন্দর?’

ঋতুপর্ণা তার মাকে স্মরণ করে আরও লেখেন, ‘জীবনে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছো। কিন্তু আমাদের গায়ে আঁচ লাগতে দাওনি। সব একা সামলেছো।’
তার কথায়, ‘সব বাধ্যবাধকতা ছাড়িয়ে তুমি চলে গেলে! রাতের তারাদের মধ্যে তোমার ঠিকানা খুঁজি। যেখানে আমার এই চিঠি পৌঁছোবে। তোমার ঠিকানাটা আমাকে বলবে! তোমার কাছে যাব। তোমার আদর খেতে চাই। এখনও মনে পড়ে, তুমি আমার বাড়ির কার্নিশের পাখির বাসাটা বার বার দেখতে। পাখির ছানাগুলো কী করছে খেয়াল রাখতে।’

শেষে লিখেছেন, ‘শেষ মুহূর্তে আমার সঙ্গে কোনও কথাই তুমি বললে না। এখন তোমার ওই অপেক্ষার কথা খুব মনে পড়ে। কখন আমি আসব, সেই অপেক্ষা। আর হয়তো এই অনুভূতি হবে না কখনও। তুমি আমাদের ছাড়া ওখানে কেমন আছো? আমি একদম ভাল নেই। তুমি জেগে আছো তো! আমি আসছি।’