প্রতিনিয়ত মেঘনার ভাঙ্গনে ভিটে বাড়ি হারাচ্ছে লক্ষ্মীপুরের হাজার হাজার মানুষ।কমলনগর অনেকটা ইতিমধ্যে চলে গেছে মেঘনার গর্বে। তবে এই মেঘনার বুকে যখন চর জাগে তখন পৈতৃক ভিটায় ফিরতে পারবে এই আশায় বুক বাধে বসত ভিটে হারানো সেই মানুষ গুলো। কিন্তু তখন প্রভাবশালী আর ভূমিদস্যুদের জন্য অসহায় হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরে মেঘনার বুকে জেগে উঠা নতুন চর কাকড়াঁ ও চর কালকিনি দেখা গেছে একই চিত্র।
নদীতে বিলিন হওয়ার ২০ বছর পর চর জাগে কমলনগর উপজেলার।
ভিটে মাটি হারানো সেই ৬০০ পরিবারের অধিক মানুষ সংবদ্ধ হয়ে চর কাকড়া ভুমিহীন সমবায় সমিতি গঠন করে। জেগে উঠা চরটি বসবাসের উপযোগী না হলেও প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ২০২১ সাল থেকে শুরু করে চাষাবাদ ও গরু মহিষ পালন।
গত ৪ আগস্ট মধ্য রাতে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের মফিজ মাতাব্বর, বেল্লাল মাতাব্বর এবং কামাল মেম্বার চরটিতে মহিষ পালনকরীদের কাছে কয়েকদপা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। এর প্রতিবাদে এবং বিচারের দাবিতে ৫ আগস্ট বিকেলে মানববন্ধন করে চর কাকড়াঁ ভূমিহীন সমবায় সমিতি সমবায় সমিতির সদস্যরা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা মাসুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার মিয়া,অর্থ সম্পাদক বেলাল মেম্বার,সদস্য হরুন ডিলার সহ আরো অনেকে পরিবার।
তারা জানান, ঔ সময় তাদের মহিষ রাখার কিল্লাতে থাকা ৪জন লোক ছিলো তাদেরকে চোখ মুখ বেঁধে মারধর করে কিল্লাটি বেঙ্গে চুরে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তখন তারা ৯৯৯ কল করে ও কোন প্রতিকার পাই নাই।
তবে অভিযুক্ত মফিজ মাতাব্বর সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন বলেন, মহিষগুলো তাদের ফসলে জমি নষ্ট করেছে এই নিয়ে তিনি একটি মামলা করায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।
মোঃ নুর হোসেন,কমলনগর প্রতিনিধি: 























